শেখ হাসিনার নির্দেশনা, সেনাবাহিনীর প্রেরণা

ড. মিল্টন বিশ্বাস
ড. মিল্টন বিশ্বাস ড. মিল্টন বিশ্বাস , অধ্যাপক, কলামিস্ট
প্রকাশিত: ০৪:১৩ পিএম, ১৯ জুন ২০২০

১৮ জুন (২০২০) চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির (বিএমএ) ৭৮তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্স এবং ৫৩তম বিএমএ স্পেশাল কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের কমিশনপ্রাপ্তি উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ তাঁর বক্তব্যে বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংকটের (কোভিড-১৯ মহামারি) বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। ফলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী করোনাযুদ্ধে দেশের মানুষের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অত্যন্ত আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সাথে সারাদেশে বিভিন্ন জনমুখী ও বাস্তবধর্মী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। করোনার কঠিন বাস্তবতায় উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানে সুপার সাইক্লোন আম্ফান। ফলে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনে নেমে আসে অবর্ণনীয় দুর্দশা। রমজান মাসে রোজা ও ঈদের দিনও পরিবার-পরিজন ফেলে দেশ মাতৃকার সেবায় আত্মনিয়োগ করে সেনা সদস্যরা।’

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার যে দায়িত্ব দেবে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তা পেশাদারিত্বের সঙ্গে বাস্তবায়ন করবে বলে তিনি তাঁর অভিমত ব্যক্ত করেন। করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে সেনাবাহিনী সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। দেশের সব সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের সক্ষমতা আগের চেয়ে বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাঁর দেয়া তথ্য মতে, করোনায় এ পর্যস্ত সেনাবাহিনীর সদস্য ও তাদের ওপর নির্ভরশীল এমন ৪ হাজার ১৫৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মারা যাওয়া ২৬ জনের মধ্যে মাত্র দুজন সেনা সদস্য। অথচ আইএসপিআর সূত্র মতে, ২৩ মে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ২০ জন। আসলে মাঠ পর্যায়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত বলেই সেনা সদস্যদের অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

মূলত শেখ হাসিনা সরকারের নির্দেশ মেনে সেনাবাহিনী মানুষের সেবায় নিয়োজিত বলেই সশস্ত্র বাহিনীর কাজের পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে। যেমন, ১৬ জুন আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালকের পাঠানো এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশে নভেল করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) বিস্তার মোকাবিলায় সরকার ঘোষিত রেড জোনগুলোতে টহল জোরদার করেছে সেনাবাহিনী। উল্লেখ্য, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ঢাকাসহ সারাদেশকে লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করেছে সরকার। রেড জোনগুলোকে লকডাউন ঘোষণা করে সেসব এলাকার বাসিন্দাদের চলাফেরার বিষয়ে বিভিন্ন নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। সেইসব সরকারি নির্দেশনা যথাযথ পালনের উদ্দেশ্যেই রেড জোনগুলোতে সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় ঢাকা ও চট্টগ্রামের ৫৫টি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করে লাল জোন ঘোষণা করেছে করোনা প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল কমিটি। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১৭টি এলাকা এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ২৮টি এলাকা রয়েছে। বাকি ১০টি বন্দরনগরী চট্টগ্রামের এলাকা।

২.

এর আগে গত ১২ এপ্রিল করোনা মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তুতি সম্পর্কে জেনারেল আজিজ আহমেদ স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, ‘আমরা সৈনিক, আমরা সবসময় যুদ্ধ করতে প্রস্তুত এবং সেই প্রস্তুতি নিয়ে আমরা আছি। সবাইকে সহযোগিতা করব।’ সেদিন করোনাযুদ্ধে জয়ী হতে তিনি ১৬ দফা নির্দেশনা প্রদান করেন। ওই নির্দেশনার আলোকে দেশজুড়ে অধিকতর তৎপরতায় ঝাঁপিয়ে পড়েন সদস্যরা। এখন পর্যন্ত দেশের সকল জেলা, উপজেলা এমনকি গ্রাম পর্যায়েও সাধারণ মানুষের প্রয়োজনে কাজ করে যাচ্ছেন সেনাবাহিনীর ৭ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি সদস্য। বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান, স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে লকডাউন কার্যকর এবং ত্রাণ সহায়তা প্রদানেও মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

জেনারেল আজিজ সেনা সদস্যদের উদ্দেশ্যে যে ১৬ দফা নির্দেশনা প্রদান করেন সেগুলো হলো- ‘১. আপনারা সবাই অবগত আছেন যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী করোনা মোকাবিলাকে একটি যুদ্ধ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। একজন সৈনিক হিসেবে আমরা অকুণ্ঠচিত্তে এই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছি। এই যুদ্ধে আমরা জয়ী হবই- ইনশাআল্লাহ্। ২. জনগণকে যথাযথভাবে সচেতন করাই এখন আমাদের প্রধান কাজ। আমরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং হোম কোয়ারেন্টাইনে সকলকে ঘরে থাকার জন্য উদ্বুদ্ধ করব। ধৈর্য, সহনশীলতা ও সৎ সাহসের পরিচয় দিয়ে জনগণের পাশে থেকে আমরা জনগণের আস্থা অর্জন করব। ৩. আমরা বেসামরিক প্রশাসনের সাথে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করে তাদের সাথে যথাযথ সমন্বয় সাধনপূর্বক বিচক্ষণতার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করব। ৪. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য সকল বাহিনীর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই গুরু দায়িত্ব পালন করব এবং সকলের সাথে সদ্ভাব বজায় রাখব। ৫. আমরা সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এ জাতীয় কোনো কাজ, কথা ও আচরণ করবো না। শৃঙ্খলা পরিপন্থী কোনো কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করব না। ৬. আমরা আমাদের ‘‌‌চেইন অব কমান্ড’ মেনে চলব এবং নেতৃত্বের প্রতি সর্বাবস্থায় আস্থাভাজন থাকব। ৭. আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিচক্ষণতার পরিচয় দেব। আমরা কোনো গুজবে কান দেব না এবং জনগণকে গুজব পরিহার করার জন্য উদ্বুদ্ধ করব। কোনো অপশক্তি যেন করোনা পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে গুজব ছড়াতে না পারে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখব। ৮. আমরা সর্বাবস্থায় শৃঙ্খলা মেনে চলব। চলমান পরিস্থিতিতে সর্বাবস্থায় শৃঙ্খলাবহির্ভূত সকল কাজ হতে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখব। ৯. আমরা আমাদের নিজস্ব নিরাপত্তার ব্যাপারে সচেতন ও সর্বদা সজাগ থাকব। দায়িত্বরত অবস্থায় সর্বদা মাস্ক, গ্লাভস পরা থাকব। অযথা কোনো ব্যক্তির সংস্পর্শে যাব না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) কর্তৃত্ব প্রদত্ত সকল স্বাস্থ্যবিধি ঠিকমতো মেনে চলব। ১০. আমরা নিজেরা আতঙ্কিত হব না। দায়িত্ব পালনকালীন আমাদের কেউ করোনা আক্রান্ত হলে তার জন্য সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করব। ১১. চলমান করোনাযুদ্ধে সিএমএইচসহ মেডিকেল কোরের সকল সদস্যগণ প্রথম সারির যোদ্ধা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আপনাদের এই সেবা এবং ত্যাগ, দেশ ও সেনাবাহিনী শ্রদ্ধাভরে স্মরণে রাখবে। আমরা সবসময় আনাদের পাশে আছি। ১২. আমরা দায়িত্ব পালনকালীন মানবতা ও সহানুভূতি বজায় রাখব। প্রয়োজনে কঠোর হব। কিন্তু তা অশালীন, দৃষ্টিকটু বা মানবতাবিরোধী হলে চলবে না। ১৩. আমরা আমাদের দায়িত্ব কোনো অবহেলা বা শিথিলতা প্রদর্শন করব না। আমাদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার মনোভাব দেখিয়া জনগণকে সচেতন করে অর্পিত দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ সচেষ্ট থাকব। ১৪. আমরা নিজ নিজ ধর্ম পালন করব। তবে ধর্মীয় উপাসনালয়ে না যেয়ে। রুমের মধ্যে একাকী পালন করব। ১৫. আমরা নিজেদের মধ্যেও সর্বদা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখব যাতে করে আমরা সুস্থ থেকে আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারি। ১৬. সর্বোপরি আমরা আমাদের পরিবার পরিজনদের যথাযথ খোঁজ-খবর রাখব। তাদের সাবধান থাকতে বলার পাশাপাশি যেকোনো সমস্যা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবগত করার মাধ্যমে তা সমাধানের চেষ্টা করব।’

এই ১৬ দফা নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করার বিষয়টি ত্বরান্বিত করার জন্য জেনারেল আজিজ পুনরায় আরও কিছু পরামর্শ দেন তাঁর অফিসারদের। ৬ মে তিনি সেনাবাহিনীর জেনারেল অফিসার কমান্ডিংদের (জিওসি) সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মতবিনিময় করে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সেসব নির্দেশনা প্রদান করেন। সেনাপ্রধান ওই সময় বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তার নির্দেশনা বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।’ সেদিন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছিল, সেনাবাহিনীর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় তাদের প্রতিটি সদস্যের জন্য বরাদ্দ করা রেশন থেকে অসহায়, দুস্থ ও গরিবদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন সেনাপ্রধান। এছাড়া তিনি অসুস্থ, গরিব রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেয়া অব্যাহত রাখার নির্দেশনাও দেন।

সংবাদপত্র সূত্রে জানা যায়, ৩০ এপ্রিল সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৮ হাজার পরিবারের জন্য ত্রাণসামগ্রী প্রদান করেছে সেনা কল্যাণ সংস্থা। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সেনা কল্যাণ সংস্থার ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান সেনাবাহিনীপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের নির্দেশক্রমে এবং সেনা কল্যাণ সংস্থার চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল সাজ্জাদুল হকের নেতৃত্বে সংস্থাটি শুরু থেকেই সরকার ও জনগণের পাশে দাঁড়ায় এবং অতি দ্রুততার সঙ্গে সংস্থার সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর এক দিনের বেতনসহ ৫ কোটি ১০ লক্ষাধিক টাকা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে জমা করে। এছাড়া আশকোনা হজ ক্যাম্পের কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে বিভিন্ন ব্যবহার্য সরঞ্জামসহ ১৫০ সজ্জা প্রদান ও স্থাপন করে দেয়। করোনাভাইরাসের প্রকোপে সেনা কল্যাণ সংস্থার বিভিন্ন কলকারখানা বন্ধ হয়ে পড়লে কর্মহীন শ্রমিকদের মধ্যেও নিয়মিত ত্রাণ বিতরণ করছে সংস্থাটি। পাশাপাশি সেনা কল্যাণ সংস্থার আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলালিংক, ওয়ালটন গ্রুপ, ফিনিক্স গ্রুপ, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, মোংলা সিমেন্ট ফ্যাক্টরি ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের মতো দেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান তাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।

মূলত সেনাপ্রধানের নির্দেশনা, পরামর্শ ও নজরদারির মধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন শহর এবং প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে নিজের কাঁধে বহন করে গরিব জনগোষ্ঠীর কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছেন সেনা সদস্যরা। মহামারি করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মার্চ থেকে শুরু হয়ে মে মাস অবধি চলা দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠাবান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ এক ভিন্ন মানবিক পরিচয় দেখতে পাচ্ছি আমরা। উল্লেখ্য, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ১ এপ্রিল (২০২০) সচিবালয়ের একটি সভা শেষে গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, ‘করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বুদ্ধিমান নেতৃত্বে সেনাবাহিনী যথাসম্ভব কাজ করছে।’ তাঁর বাহিনী এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। তিনি আরও বলেন, ‘সেনাবাহিনী যতক্ষণ সরকার চাইবে ততক্ষণ নাগরিক সেবায় সহায়তা প্রদান করবে।’ করোনার ধাক্কায় গোটা বিশ্ব যখন দিশেহারা তখন বাংলাদেশ পরিস্থিতি সামলে চলেছে দৃঢ়চিত্তে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৩১ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়নে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা ২৪ মার্চ থেকে দিনরাত কাজ করছেন। দেশের মানুষকে বাসায় ঢুকিয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ সচেতনতামূলক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তারা।

৩.

বাংলাদেশে ৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংবাদ পাওয়ার পর শেখ হাসিনা দ্রুত নানামুখী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি দেয়া, দেশের বিভিন্ন স্থান লকডাউন করা, একাধিক দফায় সরকারি ছুটি বাড়িয়ে ৩০ মে করা, করোনাভাইরাস আক্রান্তদের জন্য টেস্টের আওতা বৃদ্ধি, সামাজিক দূরত্ব সৃষ্টি, লোকজনকে নিজ নিজ বাসায় অবস্থান করানো, কোয়ারেন্টাইনে রাখতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, ত্রাণ বিতরণ- এসব পদক্ষেপ ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে জরুরি ছিল। কিন্তু এসব ব্যবস্থার সঙ্গে ২৪ মার্চ থেকে মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার জন্য সেনাবাহিনী নামানো ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেনাবাহিনীর সঙ্গে নৌবাহিনীর সদস্যকেও মোতায়েন করা হয়েছে।

অন্যদিকে বিমান বাহিনী মেডিকেল এইডের কাজ করছে। সেসময় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) থেকে জানান হয়, ‘জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বয়ে সেনাবাহিনী করোনাভাইরাস সংক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাব্যবস্থা, সন্দেহজনক ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা পর্যালোচনা করবে। বিশেষ করে বিদেশফেরত ব্যক্তিদের কেউ নির্ধারিত কোয়ারেন্টাইনের বাধ্যতামূলক সময় পালনে ত্রুটি/অবহেলা করছে কি-না, তা পর্যালোচনা করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটরা স্থানীয় আর্মি কমান্ডারের কাছে অবস্থা পর্যালোচনার জন্য আইন অনুসারে সেনাবাহিনীর কাছে অনুরোধ জানাবেন। নৌবাহিনী উপকূলীয় এলাকায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় কাজ করবে। বিমানবাহিনী হাসপাতালের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী ও জরুরি পরিবহন কাজে নিয়োজিত থাকবে।’

এর আগে আমরা মনে করতাম সশস্ত্র বাহিনী জনমনে ভীতি সৃষ্টি করে, মনে করতাম- তাদের কাজ যুদ্ধের মাঠে, শান্তি স্থাপনের জন্য কঠোর হস্তে বিশৃঙ্খলা দূর করা এবং বন্দুক উঁচিয়ে সবসময় জনগণকে শাসন করা। কিন্তু বিস্ময়করভাবে আমরা দেখতে পেলাম, সেনাবাহিনী ২৪ মার্চ থেকে গ্রামে-গঞ্জে, মাঠে-বাজারে মাইকিং করছেন জনগণকে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করার জন্য, সাধারণ মানুষকে মাস্ক পরিয়ে সাহায্য করছেন। অস্ত্র উঁচিয়ে যুদ্ধের ময়দানে নয় বরং নিজের জীবন বাজি রেখে অদৃশ্য শত্রুর বিরুদ্ধে মানুষের জীবন বাঁচাতে দায়িত্ব পালন করছেন।

অবশ্য আনুষ্ঠানিকভাবে সেনা সদস্যরা মাঠে নামার আগে ১৯ মার্চ স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেনা পরিচালনায় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের কথা জানিয়েছিলেন। ঢাকা বিমানবন্দর সংলগ্ন আশকোনা হজ ক্যাম্প ও উত্তরার পাশে দিয়াবাড়িতে কোয়ারেন্টাইনের দায়িত্বে নিয়োজিত করা হয় সেনাবাহিনীকে। অবশ্য হাজি ক্যাম্পে কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে এর আগেই ছিলেন সেনাবাহিনী। কিন্তু বিদেশফেরতদের হোম কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক করার পরও বিভিন্ন জেলায় তাদের বাইরে বের হওয়া তথা জনসম্পৃক্ততা ঠেকানো যাচ্ছিল না। এ জন্য অনিবার্য হয়ে পড়ে মাঠ পর্যায়ের কাজে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে সহায়তা প্রদান করা। অর্থাৎ বৈশ্বিক মহামারির মধ্যে বিদেশফেরতদের কোয়ারেন্টাইনের শতভাগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করেছেন।

৪.

লেখাবাহুল্য, সেনা সদস্যরা সারা দেশেই করোনাভাইরাস সম্পর্কিত জনসচেতনতা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছেন। প্রত্যন্ত এলাকায় উপস্থিতি হয়ে যাদের হোম কোয়ারেন্টাইন বা আইসোলেশনে থাকার কথা তাদের বিষয়ে খোঁজখবর রাখছেন। সামাজিক দূরত্ব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে মাঠে-ঘাটে সার্বক্ষণিক তদারকিতে আছেন। সাধারণ জনগোষ্ঠীকে মাইকিং করে নিয়মিত হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ বিবিধ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে অনুরোধ জানাচ্ছেন। কোনো এলাকায় রোগে আক্রান্তদের যথাযথ স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চিকিৎসাসেবা প্রদানে যেমন সহযোগিতার হস্ত প্রসারিত করে দিয়েছেন তেমনি পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার জন্য তাদের তরফ থেকে জীবাণুনাশক ছিটানো হচ্ছে।

আসলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সেনাবাহিনী কেবল আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে দৃষ্টি দেননি তারা স্থানীয় প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছেন। যেমন দুস্থদের ত্রাণ কাজে অব্যবস্থাপনা দূর করার জন্য সহযোগিতা করছেন তেমনি কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে কিংবা শাস্তি যোগ্য অপরাধ করলে তা ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে তাৎক্ষণিক বিচার করে শাস্তি প্রদান করা হচ্ছে। চরাঞ্চল কিংবা পাহাড়ি উপত্যকায় বাজার চালু রাখা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা, গরিবদের মধ্যে খাবার বিতরণে সহায়তা করা, বিভিন্ন ধরনের গুজব ও অসত্য তথ্য যাতে বিভ্রান্তি ছড়াতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখার কাজও তাদের করতে হচ্ছে।

গত ১ এপ্রিল আইএসপিআর থেকে পুনরায় বলা হয়, সরকার প্রদত্ত নির্দেশাবলি অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ফলে ২ এপ্রিল থেকে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন সেনাবাহিনী। আমাদের দেশে ১ লক্ষের বেশি আক্রান্ত হওয়ায় করোনা পরিস্থিতির ব্যাপক বিস্তার রোধে কাজ করছেন সেনাবাহিনী। আসলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাসমূহের সঙ্গে জনসাধারণের আন্তরিক অংশগ্রহণকে সম্ভব করে তুলছেন সেনা সদস্যরা।

এ কথা সত্য সাধারণ মানুষের মাঝে সেনা সদস্যদের উপস্থিতি ও সহায়তার কারণে গণ-মনস্তত্ত্বে স্বস্তি এসেছে। কারণ করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ জুড়ে কাজ করায় আইনশৃঙ্খলারও উন্নয়ন ঘটেছে। অন্যদিকে যাদেরকে নিযুক্ত করা হয়েছে তারা প্রয়োজনে ও জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসাসেবা দিতে প্রস্তুত বলেই অনেক জায়গায় তাদের চিকিৎসা ক্যাম্প পরিচালনা করতে দেখা যাচ্ছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যেমন চিকিৎসক, নার্সসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মী করোনা মোকাবিলায় ঝাঁপিয়ে পড়েছেন তেমনি সেনা সদস্যরা নিজের পরিবারকে পেছনে ফেলে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন।

আগেই বলেছি, বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের নির্দেশনায় তারা কাজ করছেন। এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা কাঁধে করে খাদ্য সহায়তা নিয়ে মানুষের বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দিয়ে আসছেন। আর সেটাও নিজেদের রেশনের থেকে অর্থ বাঁচিয়ে যা ৩০ এপ্রিলের সংবাদ থেকে আমরা জেনেছি। আর তারই ধারাবাহিকতায় গত ৩ মে থেকে রাজধানীর ভাষানটেক থানাধীন ৪ নং অফিসটেক বস্তিতে কোনো রকম জনসমাগম না করে ত্রাণ বিতরণ করেছেন সদর দফতর ৮৬ স্বতন্ত্র সিগন্যাল ব্রিগেড। ত্রাণ বিতরণকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ হতে এই সিগন্যাল ব্রিগেড মাইকিং করে বলেন, ‘ঘর থেকে কেউ বের হবেন না, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন। আমরা আপনাদের সবার ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দেব, ঘর থেকে বের হলে তাদের ত্রাণ দেব না।’

৫.

সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে নভেল করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য দেশের বিভিন্ন জায়গায় একের পর এক অভিনব প্রকল্প চালু করা হচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রকল্প হলো, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জীবাণুনাশক টানেল এবং কন্টাক্ট ট্র্যাকিং পোস্ট স্থাপন। ৭ মে খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং খুলনার ডিসির উপস্থিতিতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে নির্মিত ডিসইনফেক্টিং টানেল শহরের শের এ বাংলা রোডে উদ্বোধন করা হয়।

মহামারি মোকাবিলায় গত তিন মাস যাবৎ সরকারের সঙ্গে ফ্রন্টলাইনে আছেন সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ। মানবতার টানে অতীতের সব প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতোই নির্ভীকচিত্তে খুলনা বিভাগের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশন। করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে মাগুরা, যশোর, খুলনা এবং ঝিনাইদহে এই ডিভিশনের তত্ত্বাবধানে জীবাণুনাশক টানেল স্থাপন করা হয়েছে। শহরে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় সকল ব্যক্তি, মোটরসাইকেল, সাইকেল, ভ্যান-রিকশা এই ট্যানেলের মধ্যে দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। স্থাপনকৃত টানেলের ভেতরে দিনের একটি বড় সময় ধরে জীবাণুনাশক ডিটার্জেন্ট স্প্রে করা হচ্ছে। জীবাণুমুক্ত করতে পানির সঙ্গে মানুষের ব্যবহার উপযোগী ডিটারজেন্ট ও খার জাতীয় মেডিসিন ব্যবহার করা হয় এ ট্যানেলে। এর ফলে সকল ধরনের যানবাহন এবং মানুষের শরীরে লেগে থাকা জীবাণু নষ্ট করা সম্ভব হচ্ছে।

এছাড়াও সেনানিবাসের মেডিকেল টিম দেশের বিভিন্ন জায়গায় কাজ করছেন যা আগেই আমি একবার উল্লেখ করেছি। যশোর সেনানিবাসের মেডিকেল টিম চলতি মাসে মাগুরায় প্রবেশদ্বারে স্থাপনকৃত কন্টাক্ট ট্র্যাকিং পোস্ট অতিক্রম করার সময় প্রতিটি মানুষকে স্বাস্থ্য ক্যাম্পে নিয়ে শরীরের তাপমাত্রাসহ করোনার নানা উপসর্গ পরীক্ষা করছেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় করোনার ঝুঁকি কিংবা ভাইরাস শনাক্ত হলে ওই ব্যক্তির তথ্য তার নিজের জেলার ডিসিকে জানিয়ে দেয়া হচ্ছে। এ জন্যে তার ছবি তুলে রাখাসহ জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংরক্ষণ করছেন মেডিকেল টিম। এছাড়া বিভিন্ন সেনানিবাসের মেডিকেল টিম অসহায় মানুষদের চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব, হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরণ ছাড়াও গণপরিবহন চলাচল, ত্রাণ বিতরণ, অসহায় কৃষকদের ক্ষেত থেকে সবজি ক্রয় এবং দুস্থ কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন প্রকার শস্য/সবজি বীজ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।

৬.

করোনা মোকাবিলায় সম্পূর্ণ পেশাদারী মনোবৃত্তির অধিকারী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভিন্ন এক মানবিক পরিচয় দেখছে আজ দেশবাসী। করোনার বিরুদ্ধে চলতি লড়াইয়ে সামনে আছেন তারা। ‘সমরে আমরা, শান্তিতে আমরা সর্বত্র আমরা দেশের তরে’- এই স্লোগানে উদ্দীপ্ত এই সেনা সদস্যরা। মারমুখী মনোভাব ত্যাগ করে মানবিকতার বর্ম পরে দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছেন তারা। জেনারেল আজিজ বলেছেন, ‘যত প্রয়োজন সেনা সদস্য তত দেয়া হবে। অতিরিক্ত সেনা সদস্যের কার্যক্রমে মানুষের মধ্যে কোনো আতঙ্ক সৃষ্টির কারণ নেই।’

ধন্যবাদ জেনারেল, পাশে থাকুন এভাবেই। আসলে আধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত এবং যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় পারঙ্গম আমাদের সেনাবাহিনী সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন বলেই মহামারিতে দিশেহারা ইউরোপ-আমেরিকার তুলনায় এখনও অনেক ভাল অবস্থায় আছি আমরা।

১৮ জুন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ আরো বলেছেন, ‘সেনাবাহিনীর মূলমন্ত্র ও শপথ কর্মক্ষেত্রে পাথেয় হিসেবে থাকবে। এই দুটি বিষয়কে অন্তরে ধারণ করা ও কার্যক্ষেত্রে এর প্রতিফলনের মাধ্যমেই একজন সৈনিক হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে হবে।’

সৈনিকদের দেশপ্রেমের প্রকাশ ঘটছে দুর্যোগ মুহূর্তে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়ে। এ কাজে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা মূল প্রেরণা হিসেবে পথ দেখাচ্ছে। এ জন্যই করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার যে দায়িত্ব দিয়েছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে বাস্তবায়ন করছে এবং করে যাবে বলে জেনারেল আজিজ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সে কথা জনগণকে জানিয়েছেন। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকুক এই প্রত্যাশা আমাদের।

লেখক : বিশিষ্ট লেখক, কবি, কলামিস্ট; সাধারণ সম্পাদক, প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম এবং অধ্যাপক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। [email protected]

এইচআর/বিএ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১৯,৫৯,৯১,৩২০
আক্রান্ত

৪১,৯৩,১৫৫
মৃত

১৭,৭৬,৭৮,২৪৯
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ১১,৯৪,৭৫২ ১৯,৭৭৯ ১০,২২,৪১৪
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩,৫৩,৫৩,৯২৩ ৬,২৭,৩৭৯ ২,৯৫,৭১,৪৩৪
ভারত ৩,১৪,৮৪,৬০৫ ৪,২২,০৫৪ ৩,০৬,৬৩,১৪৭
ব্রাজিল ১,৯৭,৪৯,০৭৩ ৫,৫১,৯০৬ ১,৮৪,৬৬,৮২২
রাশিয়া ৬১,৭২,৮১২ ১,৫৫,৩৮০ ৫৫,২৬,৯৫০
ফ্রান্স ৬০,২৬,১১৫ ১,১১,৬৯৫ ৫৬,৮২,৯৯৮
যুক্তরাজ্য ৫৭,৪৫,৫২৬ ১,২৯,৩০৩ ৪৪,৭০,২২৪
তুরস্ক ৫৬,৩৮,১৭৮ ৫১,০৪৮ ৫৪,৩৩,৮৪১
আর্জেন্টিনা ৪৮,৭৫,৯২৭ ১,০৪,৩৫২ ৪৫,১৯,৯২২
১০ কলম্বিয়া ৪৭,৪৭,৭৭৫ ১,১৯,৪৮২ ৪৫,২৬,৯১৭
১১ স্পেন ৪৩,৬৮,৪৫৩ ৮১,৩২৩ ৩৭,০১,১৯৫
১২ ইতালি ৪৩,২৫,০৪৬ ১,২৭,৯৯৫ ৪১,২৬,৭৪১
১৩ জার্মানি ৩৭,৬৬,৪৮২ ৯২,০৭৮ ৩৬,৪৯,১০০
১৪ ইরান ৩৭,৫৮,১৯৭ ৮৯,৪৭৯ ৩২,৯১,৯৭৯
১৫ ইন্দোনেশিয়া ৩২,৩৯,৯৩৬ ৮৬,৮৩৫ ২৫,৯৬,৮২০
১৬ পোল্যান্ড ২৮,৮২,৩২৭ ৭৫,২৪৯ ২৬,৫৩,৪০৭
১৭ মেক্সিকো ২৭,৭১,৮৪৬ ২,৩৯,০৭৯ ২১,৭১,০৯৫
১৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৩,৯১,২২৩ ৭০,৩৮৮ ২১,৮০,৪৯৪
১৯ ইউক্রেন ২২,৪৯,৩৪৪ ৫২,৮৭৬ ২১,৮৪,৮৮০
২০ পেরু ২১,০৬,৩৭১ ১,৯৬,০৫৮ ১৭,২০,৬৬৫
২১ নেদারল্যান্ডস ১৮,৫১,৩২৯ ১৭,৮০৪ ১৬,৬৫,৪৭০
২২ চেক প্রজাতন্ত্র ১৬,৭২,৭৬৪ ৩০,৩৬২ ১৬,৩৯,৪২৯
২৩ চিলি ১৬,১১,০৯০ ৩৫,১৫১ ১৫,৬৬,১৩৮
২৪ ইরাক ১৫,৭৭,০১৩ ১৮,৪১৮ ১৪,২৯,৫৪২
২৫ ফিলিপাইন ১৫,৬২,৪২০ ২৭,৩১৮ ১৪,৭৮,৬২৫
২৬ কানাডা ১৪,২৭,৯১৭ ২৬,৫৬০ ১৩,৯৬,১৯২
২৭ বেলজিয়াম ১১,১৯,০৩০ ২৫,২৩০ ১০,৫৮,০৭২
২৮ সুইডেন ১০,৯৮,১৫৪ ১৪,৬১৭ ১০,৭৪,৭৮০
২৯ রোমানিয়া ১০,৮২,৫৫১ ৩৪,২৭৩ ১০,৪৭,৩৮৮
৩০ মালয়েশিয়া ১০,৪৪,০৭১ ৮,৪০৮ ৮,৬৫,৪৩৯
৩১ পাকিস্তান ১০,১৫,৮২৭ ২৩,১৩৩ ৯,৩৫,৭৪২
৩২ পর্তুগাল ৯,৫৬,৯৮৫ ১৭,৩০৭ ৮,৮৮,৪২৩
৩৩ জাপান ৮,৭৫,৫০৬ ১৫,১৩৭ ৮,২০,১৩৮
৩৪ ইসরায়েল ৮,৬৪,৯১২ ৬,৪৬১ ৮,৪৪,৬০১
৩৫ হাঙ্গেরি ৮,০৯,২৮৮ ৩০,০২১ ৭,৪৬,২১৯
৩৬ জর্ডান ৭,৬৭,৩২৭ ৯,৯৭৯ ৭,৪৮,৩১২
৩৭ সার্বিয়া ৭,২০,৬৪৩ ৭,১০৮ ৭,১০,১৮৮
৩৮ সুইজারল্যান্ড ৭,১৫,২৬৭ ১০,৯০৩ ৬,৯১,৬০৫
৩৯ নেপাল ৬,৮৫,৬৭৩ ৯,৭৫৮ ৬,৪৭,০৭৯
৪০ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৬,৭৪,৭২৪ ১,৯২৯ ৬,৫২,১৮০
৪১ অস্ট্রিয়া ৬,৫৬,৯৪৯ ১০,৭৩৭ ৬,৪১,৫৪১
৪২ মরক্কো ৫,৮৮,৪৪৮ ৯,৬৩৮ ৫,৪৯,১১৬
৪৩ তিউনিশিয়া ৫,৭৫,০০২ ১৮,৯৬৮ ৪,৭৯,০৩২
৪৪ লেবানন ৫,৫৭,১৪৫ ৭,৮৯৫ ৫,৩৬,৫৫৯
৪৫ থাইল্যান্ড ৫,৪৩,৩৬১ ৪,৩৯৭ ৩,৬০,৬৯৪
৪৬ কাজাখস্তান ৫,৪২,৭০৩ ৫,৫৩৮ ৪,৫২,০০২
৪৭ সৌদি আরব ৫,২০,৭৭৪ ৮,১৮৯ ৫,০১,৪৪৯
৪৮ গ্রীস ৪,৮২,১৪৫ ১২,৮৮৭ ৪,৩৭,৬৩৩
৪৯ ইকুয়েডর ৪,৮০,৭২০ ৩০,৭৯৭ ৪,৪৩,৮৮০
৫০ বলিভিয়া ৪,৭০,০২৪ ১৭,৭১৬ ৪,০৩,৩৯৬
৫১ প্যারাগুয়ে ৪,৫০,৪৯৪ ১৪,৭৫৯ ৪,১৫,৩৯১
৫২ বেলারুশ ৪,৪১,৮৮১ ৩,৪১৩ ৪,৩৫,৮৪২
৫৩ পানামা ৪,৩১,৫৫৪ ৬,৭৮১ ৪,১১,৯৪৫
৫৪ বুলগেরিয়া ৪,২৪,০৭৯ ১৮,২০৩ ৩,৯৮,৩৩৫
৫৫ জর্জিয়া ৪,০৭,৬৮৯ ৫,৭৩১ ৩,৭৬,০৮৮
৫৬ কোস্টারিকা ৪,০২,০৪৪ ৪,৯৮৭ ৩,২৫,১৩৯
৫৭ কুয়েত ৩,৯৪,৫৩৮ ২,২৯৮ ৩,৭৮,৮১০
৫৮ স্লোভাকিয়া ৩,৯২,৪০৬ ১২,৫৩৪ ৩,৭৯,৪১৯
৫৯ উরুগুয়ে ৩,৮০,৭৯৩ ৫,৯৪১ ৩,৭২,৪৪৮
৬০ ক্রোয়েশিয়া ৩,৬২,৮৪১ ৮,২৪৭ ৩,৫৩,৬২৩
৬১ গুয়াতেমালা ৩,৫৫,২২৩ ১০,১৭৬ ৩,১১,৮২৮
৬২ কিউবা ৩,৪৯,০৫৫ ২,৪৯২ ৩,০৪,১৫৩
৬৩ আজারবাইজান ৩,৪১,১৮৩ ৫,০১১ ৩,৩২,২৫৯
৬৪ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ৩,৪০,৪৯৮ ৩,৯৪৫ ৩,০৮,৫৫৩
৬৫ ফিলিস্তিন ৩,১৬,১৮৯ ৩,৬০০ ৩,১১,৫৬০
৬৬ ডেনমার্ক ৩,১২,৮৫১ ২,৫৪৬ ২,৯৮,৯৫৩
৬৭ ভেনেজুয়েলা ৩,০১,৯৭৯ ৩,৫২৪ ২,৮৫,৭৭৬
৬৮ শ্রীলংকা ২,৯৯,৮৯২ ৪,১৯৫ ২,৭০,৩৫৬
৬৯ আয়ারল্যান্ড ২,৯৫,৩৮৬ ৫,০২৬ ২,৬৬,২৩৪
৭০ ওমান ২,৯৫,০১৭ ৩,৭৮৮ ২,৭৭,০১০
৭১ হন্ডুরাস ২,৯১,৬৮৭ ৭,৭১৩ ৯৮,৪১০
৭২ মিসর ২,৮৪,০৯০ ১৬,৪৯৮ ২,২৮,৬২৪
৭৩ লিথুনিয়া ২,৮১,২৮৪ ৪,৪১১ ২,৬৮,৭৬৯
৭৪ মায়ানমার ২,৭৯,১১৯ ৭,৮৪৫ ১,৯৪,৪১০
৭৫ ইথিওপিয়া ২,৭৮,৯২০ ৪,৩৭৪ ২,৬২,৯৬৮
৭৬ বাহরাইন ২,৬৮,৭৩১ ১,৩৮৩ ২,৬৬,৪৯৭
৭৭ মলদোভা ২,৫৮,৮৫২ ৬,২৪৭ ২,৫১,৬৪৫
৭৮ স্লোভেনিয়া ২,৫৮,৭৮০ ৪,৪২৮ ২,৫৩,৪৮০
৭৯ লিবিয়া ২,৪০,৩০৯ ৩,৪২২ ১,৮৭,৯৬০
৮০ আর্মেনিয়া ২,২৯,০৯০ ৪,৫৯৭ ২,১৯,২৮০
৮১ কাতার ২,২৫,৫২২ ৬০০ ২,২৩,২১০
৮২ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,০৫,৫২৩ ৯,৬৮৬ ১,৮৯,০৬৩
৮৩ কেনিয়া ১,৯৮,৯৩৫ ৩,৮৮২ ১,৮৭,৫৬৩
৮৪ দক্ষিণ কোরিয়া ১,৯৩,৪২৭ ২,০৮৩ ১,৭০,৪৯৪
৮৫ জাম্বিয়া ১,৯২,৯৫৬ ৩,৩১৬ ১,৮৩,৫৩৪
৮৬ নাইজেরিয়া ১,৭১,৭২৮ ২,১৩৪ ১,৬৪,৮৩৭
৮৭ আলজেরিয়া ১,৬৫,২০৪ ৪,১১২ ১,১২,০৫০
৮৮ মঙ্গোলিয়া ১,৬০,৩৪৪ ৭৯৬ ১,৫৮,৫০৫
৮৯ কিরগিজস্তান ১,৫৯,০৮৯ ২,২৭৫ ১,৩৮,৩১৬
৯০ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ১,৫৬,১২৪ ৫,৪৯১ ১,৫০,৩০৭
৯১ আফগানিস্তান ১,৪৫,৫৫২ ৬,৫৭৭ ৯৪,৮১৪
৯২ লাটভিয়া ১,৩৮,৫৭২ ২,৫৫২ ১,৩৫,৪৩১
৯৩ নরওয়ে ১,৩৬,৩৭০ ৭৯৯ ৮৮,৯৫২
৯৪ আলবেনিয়া ১,৩২,৯২২ ২,৪৫৬ ১,৩০,১৬৬
৯৫ এস্তোনিয়া ১,৩২,৭১৭ ১,২৭১ ১,২৮,৫৪১
৯৬ উজবেকিস্তান ১,২৫,৭৮৪ ৮৪৫ ১,২০,৩২০
৯৭ নামিবিয়া ১,১৭,২৯৩ ২,৮৭১ ৯৩,৫০৮
৯৮ ভিয়েতনাম ১,১৭,১২১ ৫২৪ ২২,৯৪৬
৯৯ মোজাম্বিক ১,১৩,৪২৬ ১,৩৪১ ৮৬,০৭৯
১০০ ফিনল্যাণ্ড ১,০৩,৮৫১ ৯৭৮ ৪৬,০০০
১০১ বতসোয়ানা ১,০২,১২৪ ১,৪৮৫ ৮৭,৫১৭
১০২ ঘানা ১,০২,১০৩ ৮২৩ ৯৬,৭৫৯
১০৩ জিম্বাবুয়ে ১,০১,৭১১ ৩,২৮০ ৭০,৪৯৬
১০৪ মন্টিনিগ্রো ১,০১,৩৫২ ১,৬২৭ ৯৮,৮৬৯
১০৫ সাইপ্রাস ৯৯,৩৬০ ৪১০ ৭৯,২৩২
১০৬ উগান্ডা ৯২,৭৯৫ ২,৫৯০ ৭৮,৪১৫
১০৭ চীন ৯২,৭৬২ ৪,৬৩৬ ৮৭,২৬৪
১০৮ এল সালভাদর ৮৫,৭৭৯ ২,৫৭৭ ৭৫,৯৫৭
১০৯ ক্যামেরুন ৮২,০৬৪ ১,৩৩৪ ৮০,৪৩৩
১১০ মালদ্বীপ ৭৬,৯৫৩ ২২০ ৭৪,১১০
১১১ কম্বোডিয়া ৭৪,৩৮৬ ১,৩২৪ ৬৬,৭২৫
১১২ লুক্সেমবার্গ ৭৩,৬৩৭ ৮২২ ৭১,৪৯৭
১১৩ রুয়ান্ডা ৬৬,৯৮৭ ৭৭১ ৪৪,৭৬৯
১১৪ সিঙ্গাপুর ৬৪,৪৫৩ ৩৭ ৬২,৬৩৭
১১৫ সেনেগাল ৫৮,৫২৩ ১,৩০০ ৪৫,৭৬৮
১১৬ জ্যামাইকা ৫২,১৪১ ১,১৭৯ ৪৬,৮৯২
১১৭ মালাউই ৪৯,৭৫২ ১,৫৪০ ৩৬,৮৭৮
১১৮ আইভরি কোস্ট ৪৯,৬৯৯ ৩২৬ ৪৮,৯৬৬
১১৯ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ৪৮,৭৬৮ ১,০২৩ ২৯,৪৯৭
১২০ মাদাগাস্কার ৪২,৬০৭ ৯৪১ ৪১,০৬৬
১২১ অ্যাঙ্গোলা ৪২,১১০ ৯৯৪ ৩৫,৭৪২
১২২ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ৩৭,৭৭১ ১,০৪৮ ৩০,৯৩৪
১২৩ রিইউনিয়ন ৩৭,২৩১ ২৭৫ ৩৩,৮৯৪
১২৪ সুদান ৩৭,১৩৮ ২,৭৭৬ ৩০,৮৬৭
১২৫ মালটা ৩৩,৯০৪ ৪২১ ৩০,৮৫৭
১২৬ কেপ ভার্দে ৩৩,৬২৬ ২৯৮ ৩২,৮৩৫
১২৭ অস্ট্রেলিয়া ৩৩,৪৭৩ ৯২২ ২৯,৮৫৬
১২৮ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ২৯,৮১৪ ১৭৯ ৯,৯৯৫
১২৯ সিরিয়া ২৫,৯১১ ১,৯০৯ ২১,৯৬১
১৩০ গ্যাবন ২৫,৩৪৪ ১৬৩ ২৫,১১৩
১৩১ গিনি ২৫,২১১ ২০৬ ২৩,৯৬৬
১৩২ ফিজি ২৫,১৩৯ ২০৬ ৬,৩১৯
১৩৩ সুরিনাম ২৫,০২৮ ৬৩৮ ২১,২৮৫
১৩৪ মৌরিতানিয়া ২৪,৩৪৯ ৫৪২ ২১,৬৬৮
১৩৫ ইসওয়াতিনি ২৩,৭০৮ ৭৬৫ ২০,৩০৪
১৩৬ গায়ানা ২২,২৩৪ ৫৩০ ২০,৭৭৩
১৩৭ মায়োত্তে ২০,১৭৬ ১৭৪ ২,৯৬৪
১৩৮ হাইতি ২০,০০০ ৫৩৭ ১৩,৭৫০
১৩৯ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ১৯,৪৯৪ ১৪৭ ১৮,৯৮৯
১৪০ সিসিলি ১৮,০৬২ ৯০ ১৭,৩২৪
১৪১ গুয়াদেলৌপ ১৭,৭৭৯ ২৩৮ ২,২৫০
১৪২ পাপুয়া নিউ গিনি ১৭,৬৫৫ ১৯২ ১৭,২৫৭
১৪৩ মার্টিনিক ১৫,৬১২ ৯৯ ১০৪
১৪৪ তাইওয়ান ১৫,৫৯৯ ৭৮৭ ১৩,৯১৬
১৪৫ সোমালিয়া ১৫,২৯৪ ৭৯৮ ৭,৩৮৮
১৪৬ টোগো ১৫,২৯২ ১৪৮ ১৪,১৯১
১৪৭ তাজিকিস্তান ১৪,৭৬১ ১১৯ ১৪,২৪৫
১৪৮ এনডোরা ১৪,৫৮৬ ১২৭ ১৪,১১৩
১৪৯ মালি ১৪,৫৫১ ৫৩১ ১৩,৯৩০
১৫০ বাহামা ১৪,২৫২ ২৮৪ ১২,২৯৮
১৫১ বেলিজ ১৩,৯৮৩ ৩৩৩ ১৩,২৫৫
১৫২ বুর্কিনা ফাঁসো ১৩,৫৫৬ ১৬৯ ১৩,৩৫৯
১৫৩ কিউরাসাও ১৩,৩৭৮ ১২৬ ১২,৬১০
১৫৪ কঙ্গো ১৩,১৫৬ ১৭৭ ১১,৭৫৯
১৫৫ লেসোথো ১২,৮৮০ ৩৬৩ ৬,৬২১
১৫৬ হংকং ১১,৯৮০ ২১২ ১১,৭০৫
১৫৭ জিবুতি ১১,৬৪০ ১৫৫ ১১,৪৭৭
১৫৮ আরুবা ১১,৪৬০ ১০৯ ১১,০৯৯
১৫৯ দক্ষিণ সুদান ১১,০১৪ ১১৮ ১০,৫১৪
১৬০ পূর্ব তিমুর ১০,৩৮৭ ২৬ ৯,৭০৭
১৬১ নিকারাগুয়া ৯,৪৭০ ১৯৫ ৪,২২৫
১৬২ চ্যানেল আইল্যান্ড ৮,৯২৬ ৮৬ ৫,৮৩১
১৬৩ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ৮,৮৮০ ১২৩ ৮,৬৩৭
১৬৪ বেনিন ৮,৩২৪ ১০৭ ৮,১২৫
১৬৫ আইসল্যান্ড ৭,৪২৮ ৩০ ৬,৬৬৮
১৬৬ গাম্বিয়া ৭,৩৩৩ ২০৮ ৬,২০৫
১৬৭ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৭,১৪৮ ৯৮ ৬,৮৫৯
১৬৮ ইয়েমেন ৭,০২২ ১,৩৭৪ ৪,১৬৮
১৬৯ বুরুন্ডি ৬,৫৭৩ ৭৭৩
১৭০ ইরিত্রিয়া ৬,৫১৭ ৩৩ ৬,৩৪৮
১৭১ সিয়েরা লিওন ৬,২৪৭ ১১৯ ৪,২৩৮
১৭২ নাইজার ৫,৬০০ ১৯৫ ৫,৩০০
১৭৩ সেন্ট লুসিয়া ৫,৫২৯ ৮৮ ৫,৩৪৩
১৭৪ লাইবেরিয়া ৫,৩৯৬ ১৪৮ ২,৭১৫
১৭৫ লাওস ৫,১৫৪ ২,১৭৪
১৭৬ সান ম্যারিনো ৫,১৩০ ৯০ ৫,০০৫
১৭৭ চাদ ৪,৯৭১ ১৭৪ ৪,৭৮২
১৭৮ জিব্রাল্টার ৪,৮৫৭ ৯৪ ৪,৪০৩
১৭৯ বার্বাডোস ৪,৩৫৯ ৪৮ ৪,১৫৬
১৮০ গিনি বিসাউ ৪,২৮১ ৭৪ ৩,৮৩০
১৮১ আইল অফ ম্যান ৪,২৭৪ ২৯ ২,২২৫
১৮২ কমোরস ৪,০২৪ ১৪৭ ৩,৮৬৪
১৮৩ মরিশাস ৩,৭৮৫ ১৯ ১,৮৫৪
১৮৪ লিচেনস্টেইন ৩,০৮০ ৫৯ ৩,০০২
১৮৫ নিউজিল্যান্ড ২,৮৬৪ ২৬ ২,৭৯৫
১৮৬ মোনাকো ২,৮১৪ ৩৩ ২,৬৫২
১৮৭ সিন্ট মার্টেন ২,৭২৯ ৩৪ ২,৬৩৮
১৮৮ বারমুডা ২,৫৩৮ ৩৩ ২,৪৮৮
১৮৯ ভুটান ২,৫০০ ২,২৭৫
১৯০ সেন্ট মার্টিন ২,৪৮১ ৩৮ ১,৩৯৯
১৯১ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ২,৪৬৬ ১৮ ২,৪২৫
১৯২ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ২,৩৮৯ ২৫ ১,২৫৫
১৯৩ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ২,২৮০ ১২ ২,২০২
১৯৪ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস ১,৬৯৭ ১৭ ৬,৪৪৫
১৯৫ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১,২৮৮ ৪৩ ১,২২৯
১৯৬ সেন্ট বারথেলিমি ১,০০৫ ৪৬২
১৯৭ ফারে আইল্যান্ড ৯৭৯ ৯১৩
১৯৮ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৯৯
১৯৯ কেম্যান আইল্যান্ড ৬৪০ ৬২৩
২০০ সেন্ট কিটস ও নেভিস ৫৭৮ ৫৩১
২০১ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
২০২ ওয়ালিস ও ফুটুনা ৪৪৫ ৪৩৮
২০৩ ব্রুনাই ৩৩৩ ২৭০
২০৪ ডোমিনিকা ২০৯ ১৯৬
২০৫ গ্রেনাডা ১৬৪ ১৬১
২০৬ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৩৩ ৫৮
২০৭ এ্যাঙ্গুইলা ১১৩ ১১১
২০৮ গ্রীনল্যাণ্ড ৯২ ৬১
২০৯ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ৬৩ ৬৩
২১০ ম্যাকাও ৫৯ ৫৩
২১১ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন ২৮ ২৬
২১২ ভ্যাটিকান সিটি ২৭ ২৭
২১৩ মন্টসেরাট ২১ ১৯
২১৪ সলোমান আইল্যান্ড ২০ ২০
২১৫ পশ্চিম সাহারা ১০
২১৬ জান্ডাম (জাহাজ)
২১৭ মার্শাল আইল্যান্ড
২১৮ ভানুয়াতু
২১৯ সামোয়া
২২০ সেন্ট হেলেনা
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]