জলবায়ু লক্ষ্য অর্জনে চীনকে সাহায্য করছে ইভি

আলিমুল হক
আলিমুল হক আলিমুল হক
প্রকাশিত: ১০:২১ এএম, ২৩ নভেম্বর ২০২১

শাংহাইয়ের চু কুয়াংতি। সপরিবারে দ্রুতগতির রেলের দুই ঘন্টা জার্নিশেষে এসে পৌঁছান লিশুই। ট্রেন থেকে নেমেই চু তার সেলফোন বের করেন। সেলফোনে একটি অ্যাপ আছে, যার নাম ‘ইভিকার্ড’ (EVCARD)। অ্যাপের সাহায্যে তিনি একটি নতুন জ্বালানিচালিত বা বিদ্যুৎচালিত (electric vehicle, EV) গাড়ি ভাড়া করেন। মাত্র কয়েকটি টাচে তিনি গাড়ি ভাড়া নেওয়ার কাজটি সারেন। অ্যাপের মাধ্যমে গাড়ি রিজার্ভ করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা এবং তারপর গাড়িতে বসে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা। সহজ পদ্ধতি। চু সদ্য-ভাড়া-করা নতুন ইলেকট্রিক কারে চড়ে যাত্রা করেন প্রাচীন উইর আ্যন্ড পেইন্টিং গ্রামের উদ্দেশ্যে। মাত্র আধা ঘন্টায়, ২০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে, তাকে ও তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে গাড়ি পৌঁছে যায় গন্তব্যে। সিনিক স্পটে পৌঁছে চু কুয়াংতি ক্রেডিট কার্ডে ভাড়া পরিশোধ করেন এবং গাড়ি ছেড়ে দেন। চীনে স্বল্প দূরত্বে নতুন জ্বালানিচালিত গাড়ি তথা ইভি-তে ভ্রমণের এটি একটি টিপিক্যল উদাহরণ।

চীনের চেচিয়াং প্রদেশের লিশুই সিনিক ল্যান্ডস্কেপের জন্য সুপরিচিত। একে ‘চেচিয়াংয়ের সবুজ উপত্যকা’ বলেও ডাকা হয়। একসময় এখানকার যাতায়াত-ব্যবস্থা ছিল যাচ্ছেতাই। পর্যটকদের এখানে আসতে নানান ঝামেলা পোহাতে হতো। কিন্তু বর্তমানে পর্যটকরা সহজে ‘ইভিকার্ড’ অ্যাপের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি ভাড়া করে অনায়াসে এখানে আসতে বা এখান থেকে শহরে যেতে পারেন। এসব গাড়ির সর্বোচ্চ গতি ঘন্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার। একবার ফুল চার্জ হলে গাড়িগুলো ১৫০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত যেতে পারে। ২০১৬ সালের মে মাসের শেষ দিকে লিশুই-তে ৫টি লিজিং নেটওয়ার্ক এবং ৫৮টি চার্জিং স্টেশান গড়ে ওঠে। এখানে ইলেক্ট্রিক গাড়ি চার্জ করা, পার্ক করা, ও ব্যবহার করা সহজ। সবচেয়ে ভালো খবর হচ্ছে, এসব গাড়ির ভাড়া খুবই কম—মাত্র আধা ইউয়ান প্রতিমিনিট। তার মানে প্রতিঘন্টায় ভাড়া মাত্র ৩০ ইউয়ান। আর কেউ যদি সারাদিন একটি গাড়ি ব্যবহার করেন, তবে তাকে পরিশোধ করতে হবে সর্বোচ্চ ১৮০ ইউয়ান।

jagonews24

নতুন জ্বালানিচালিত যানবাহনের কদর বিশ্বব্যাপী। কারণ, এ ধরনের যানবাহন পরিচ্ছন্ন, কার্যকর ও সুবিধাজনক। চীনেও একই কথা প্রযোজ্য, বরং বেশি করেই প্রযোজ্য। আজকাল চু কুয়াংতির মতো অনেকেই পরিবারসহ দ্রুতগতির ট্রেনে লিশুই আসেন এবং ইলেক্ট্রিক গাড়ি নিয়ে দর্শনীয় স্থানের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন। বলা বাহুল্য, চীনের দ্রুতগতির ট্রেনও বিদ্যুতের সাহায্যেই চলে।

নতুন জ্বালানিচালিত গাড়ি ক্রমশ জনপ্রিয় হচ্ছে। বস্তুত, চীন বর্তমান বিশ্বে নতুন জ্বালানিচালিত গাড়ির সবচেয়ে বড় বাজার। শুধু ২০২০ সালেই চীনে বিদ্যুৎচালিত গাড়ি বিক্রি হয়েছে ১৩ লাখ, যা গোটা বিশ্বে বিক্রিত মোট বিদ্যুৎচালিত গাড়ির ৪১ শতাংশ (ওই বছর যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যুৎচালিত গাড়ি বিক্রি হয়েছে বিশ্বের মাত্র ২.৪ শতাংশ)। চীনে বিশ্বের যে-কোনো দেশের তুলনায় বেশি বিদ্যুৎচালিত দুই ও তিন চাকার গাড়ি চলাচল করে। ২০১৯ সালে বিশ্বে যে ৫ লক্ষাধিক বিদ্যুৎচালিত যাত্রীবাহী বাস চলাচল করছিল, সেগুলোর অধিকাংশও ছিল চীনে।

jagonews24

২০২১ সালের মে মাসে চীনে বিদ্যুৎচালিত গাড়ি বিক্রি হয়েছে ২১৭,০০০ ইউনিট, যা ছিল আগের মাসের চেয়ে ১৫৯.৭ শতাংশ বেশি। আর একই বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৬ মাসে মোট বিক্রি হয়েছে ১১০০,০০০ ইউনিট বিদ্যুৎচালিত গাড়ি, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০০ শতাংশ বেশি। আর ২০২১ সালের জুন মাসশেষে চীনে মোট বিদ্যুৎচালিত গাড়ির (car) সংখ্যা দাঁড়ায় ৬০ লাখ ৩০ হাজারে, যা গোটা চীনের মোট গাড়ির ২.০৬ শতাংশ। চীনের গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সমিতি (CAAM) –র অনুমান, গোটা ২০২১ সালে চীনে মোট বিদ্যুৎচালিত গাড়ি বিক্রি হবে প্রায় ২৪ লাখ ইউনিট।

বস্তুত, চীনা সরকারের কার্বন-নিরপেক্ষতা (carbon nutrality) অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ বিদ্যুৎচালিত গাড়ির বাজার অনেক চাঙ্গা করেছে। সরকার বিদ্যুৎচালিত গাড়িকে জনপ্রিয় করতে বিভিন্ন ধরনের সুবিধাজনক নীতি গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি আছে দেশজুড়ে ক্রমবর্ধমান হারে চার্জিং স্টেশান তৈরির চেষ্টা। ২০১৯ সালের অগাস্টের শেষ দিকে গোটা চীনে নতুন জ্বালানিচালিত গাড়ির জন্য চার্জিং স্টেশনের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়ে যায়। বিদ্যুৎচালিত গাড়ি ও এ ধরনের গাড়ির জন্য চার্জিং স্টেশানের সংখ্যা দেশটিতে ক্রমাগত বাড়ছে।

jagonews24

নতুন জ্বালানিচালিত গাড়ির সম্পূর্ণ শিল্প-চেইন গড়ে উঠেছে চীনে। চীনে নতুন জ্বালানিচালিত গাড়ির জন্য বিভিন্ন যন্ত্রাংশ তৈরি হচ্ছে, বিশ্ববাজারে যার কদর আছে। এই খাতে চীনের উল্লেখযোগ্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আছে বিএআইসি (বেইজিং অটোমোটিভ ইন্ডাস্ট্রি কর্পোরেশান), বিওয়াইডি, গিলি (Geely) ইত্যাদি। এসব প্রতিষ্ঠানের তৈরি একাধিক গাড়ি বিশ্বের শীর্ষ ১০টি নতুন জ্বালানিচালিত গাড়ির তালিকায় স্থান পেয়েছে। আর বিক্রির দিক দিয়ে বিএআইসি পিছনে ফেলেছে তেসলা (Tesla)-র মতো প্রতিষ্ঠানকে। ওদিকে, বিওয়াইডি একমাত্র প্রতিষ্ঠান যেটি গাড়ি তৈরির পাশাপাশি, ব্যাটারি, মোটর, ইলেকট্রিক কন্ট্রোলার, চার্জিং স্টেশানের কোর টেকনোলজি (core technology) আয়ত্ত করেছে। বিওয়াইডি যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, জাপান, হাঙ্গেরি, ভারত ও চীনে ৩০টির মতো উত্পাদনকেন্দ্র গড়ে তুলেছে। অন্যদিকে, সিএটিএল (CATL) ও জেজেই (JJE) পাওয়ার সাপ্লাই, ব্যাটারি, ও মোটর ইত্যাদি যন্ত্রাংশ রফতানির দিক দিয়ে বিশ্বব্যাপী সুনাম অর্জন করেছে।

চীনা কোম্পানিগুলোর তৈরি বিদ্যুৎচালিত গাড়ি বিদেশের বাজারে জনপ্রিয়। এক্ষেত্রে উদাহরণস্বরূপ স্মার্ট ইলেক্ট্রিক বাইক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘নিউ টেকনোলজিস’ (Niu Technologies)-এর কথা উল্লেখ করা যায়। বেইজিংভিত্তিক এই চীনা কোম্পানির তৈরি ই-বাইক ইতোমধ্যেই ইউরোপ ও আমেরিকার রাস্তায় দাপটের সঙ্গে চলছে। সাধারণভাবে শুরুর দিকে চীনা কোম্পানিগুলোর টার্গেট থাকে উন্নয়নশীল দেশগুলো। কিন্তু নিউ কোম্পানি শুরুতেই টার্গেট করেছে ইউরোপ ও আমেরিকাকে। কোম্পানির ই-বাইক সবার আগে প্রবেশ করে জার্মানিতে। ২০২১ সালের প্রথম প্রান্তিকে এসে কোম্পানি ৪৮টির বেশি দেশে ব্যবসা সম্প্রসারণ করে। বিদেশে আছে কোম্পানির ১২০টিরও বেশি বিক্রয়কেন্দ্র। কোম্পানির ই-বাইক সবচেয়ে বেশি বিক্রয় হয় জার্মানিতে। এর পরই যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস, ইতালি ও ফ্রান্সের স্থান। কোম্পানিটি বর্তমানে চীনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর ছাংচৌ-তে ই-বাইক উত্পাদন করছে। ২০২১ সালের প্রথমার্ধ পর্যন্ত কোম্পানির বার্ষিক গড় উত্পাদন-ক্ষমতা ছিল ১০ লাখ ই-বাইক। এই ক্ষমতা ২০ লাখে উন্নীত করতে চায় কোম্পানিটি।

jagonews24

বিদ্যুৎচালিত গাড়ির ক্ষেত্রে ব্যাটারি খুব গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। শুরু থেকেই ‘নিউ টেকনোলজিস’ তাদের ই-বাইকে লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহার করছে এবং এই প্রযুক্তির আরও উন্নয়নে কাজ করছে। কারণ, সনাতন লিড-এসিড ব্যাটারির তুলনায় লিথিয়াম ব্যাটারির আয়ু বেশি, চার্জধারণক্ষমতা বেশি, এবং তুলনামূলকভাবে অনেক হালকা। ২০২১ সালের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটি ই-বাইক বিক্রি করে মোট ১৪৯,৬৪৯টি, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৭২.৬ শতাংশ বেশি। নিউ কোম্পানির ই-বাইকের ৭টি মডেল বাজারে আছে। এর মধ্যে এমকিউআই (MQi) ও ইউকিউআই (UQi) সাতটি মেজর ইন্টারন্যাশনাল ডিজাইন অ্যাওয়ার্ড জিতেছে, যেগুলোর মধ্যে আছে জার্মানির রেড ডট (Red Dot) ও আইএফ (iF), যুক্তরাষ্ট্রের আইডিয়া (IDEA) ও জাপানের জি-মার্ক (G-Mark)।

এখানে উল্লেখযোগ্য, প্রযুক্তির উন্নতির ফলে নতুন জ্বালানিচালিত গাড়ি ব্যবহারে ব্যয় ক্রমশ কমছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০১২ সালের তুলনায় ২০১৬ সালে এসে ব্যাটারির চার্জধারণক্ষমতা বেড়েছে ১.৭ গুণ। অথচ ব্যাটারির দাম কমেছে ৬০ শতাংশ। ব্যাটারির ‘ধারণক্ষমতা বাড়া’ ও ‘দাম কমা’র এ ধারা অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে বলে আশা করা যায়।

লন্ডনভিত্তিক উপাত্ত ও বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান গ্লোবালডেটা (GolbalData)-র সিনিয়র অটোমোটিভ অ্যানালিস্ট বকর সাদিক আগওয়ান মনে করেন, চীনের উত্পাদনশিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে গাড়ি, এবং ইলেকট্রিক ভিহিক্যল (ইভি) এই মুহূর্তে কার্বন নিঃসরণ কমাতে দেশটিতে রাখছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। যানবাহনকে ইভি-তে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে চীন বর্তমানে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং এই ধারা দীর্ঘকাল ধরে অব্যাহত থাকবে।

jagonews24

ইভি শিল্পে বিপুল সাফল্যের জন্য বিশেষজ্ঞরা কৃতিত্ব দিচ্ছেন চীনা সরকারকে। বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যারাডে ইনস্টিটিউটের গবেষক গ্যাভিন হার্পার বলছেন, এক্ষেত্রে চীনা সরকার দূরদৃষ্টির পরিচয় দিয়েছে ও দিচ্ছে। একদিকে ইভি শিল্পকে চাঙ্গা করতে সরকার বিভিন্ন প্রণোদনামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, এবং অন্যদিকে, অতিরিক্ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড নিঃসরণকারী গাড়ি উত্পাদনকে নিরুৎসাহিত করতে সম্ভাব্য সবকিছু করছে। এর ফলে চীনা ইভি’র চাহিদা দেশে-বিদেশে ব্যাপকভাবে বেড়েছে। ডেটা ট্র্যাক রিসার্চ (Data Trek Research) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলেছে, ২০২৫ সাল নাগাদ চীনে বিক্রিত সকল যানবাহনের মোট ২৫ শতাংশই হবে ইভি। আর আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)-র পূর্বাভাস অনুসারে, ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বে চীনের ইভি-র বার্ষিক বিক্রি দাঁড়াবে ৯৮ লাখ ইউনিটে।

চীন ২০৬০ সালের মধ্যে কার্বন-নিরপেক্ষতা অর্জন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই লক্ষ্য অর্জনে চীনকে বিপুলভাবে সাহায্য করবে দেশটির ইভি শিল্প। চীন যত কার্বন নিঃসরণ করে, তার ৪০ শতাংশই হয় বিদ্যুৎ উৎপাদন শিল্পে। সরকার এই শিল্পকে কার্বন-নিরপেক্ষ করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি চলছে বিভিন্ন যানবাহনকে ইভি-তে রূপান্তরের প্রক্রিয়া। যদি বিদ্যুৎ উত্পাদন শিল্প পুরোপুরি কার্বন-নিরপেক্ষ হয় (অন্যভাবে বললে, এ শিল্পে কয়লার ব্যবহার যদি শূন্যে নেমে আসে) এবং পরিবহন শিল্পে প্রচলিত জ্বালানির পরিবর্তে বিদ্যুতের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়, তবে চীন কার্বন-নিরপেক্ষতা অর্জনের পথে ৪০ শতাংশ পথ এগিয়ে যাবে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীন এ লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবে।

[চীনে ইভি শিল্প তথা নতুন জ্বালানি খাতে অর্জিত অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আগ্রহীরা অপেক্ষা করুন ‘নয়াচীনের সাফল্যের মুকুটে সাতটি পালক’ শীর্ষক গ্রন্থটির বাজারে আসার। এটি খুব শিঘ্রই ঢাকা থেকে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে।-লেখক]

লেখক: বার্তা সম্পাদক, চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)।
[email protected]

এইচআর/জিকেএস

চীন ২০৬০ সালের মধ্যে কার্বন-নিরপেক্ষতা অর্জন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই লক্ষ্য অর্জনে চীনকে বিপুলভাবে সাহায্য করবে দেশটির ইভি শিল্প। চীন যত কার্বন নিঃসরণ করে, তার ৪০ শতাংশই হয় বিদ্যুৎ উৎপাদন শিল্পে। সরকার এই শিল্পকে কার্বন-নিরপেক্ষ করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি চলছে বিভিন্ন যানবাহনকে ইভি-তে রূপান্তরের প্রক্রিয়া।

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]