নাহিদ ইসলাম

শেরে বাংলাকে বিগত সরকার পরিকল্পিতভাবে অস্বীকার করার চেষ্টা করেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫:২৭ এএম, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ও নাহিদ ইসলাম/ফাইল ছবি

শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।

তিনি শেরে বাংলাকে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা, এ ভূখণ্ডের কৃষক-শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু এবং জাতীয় নেতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

রোববার (২৬ এপ্রিল) দিনগত রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এ কথা বলেন নাহিদ।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আপসহীন এই নেতার অবদান বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার পরিকল্পিতভাবে অস্বীকার করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু অবিভক্ত ভারত ও পাকিস্তানের রাজনীতির শীর্ষে আরোহণের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও বাংলাকে আঁকড়ে ধরা এই মহান নেতাকে এদেশের মানুষ কখনোই ভুলবে না।

আরও পড়ুন
শেরে বাংলা ফজলুল হকের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
‘শেরে বাংলা ছিলেন অখণ্ড ভারতের প্রভাবশালী রাজনীতিক’

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, এ দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি ছিলেন আপসহীন সংগ্রামী। কলকাতা ও পূর্ববঙ্গের জমিদারদের শোষণের জাঁতাকল থেকে এ অঞ্চলের কৃষকদের মুক্তির লক্ষ্যে তিনি জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত করেছেন। বিনিময়ে অর্জন করেছেন এ মাটির মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা।

‘পিছিয়ে পড়া বাঙালি মুসলমান সমাজে শিক্ষার বিস্তারে অনবদ্য অবদান ছিল তার। কলকাতার তৎকালীন সিভিল সোসাইটির তীব্র বাধার মুখেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি।’

নাহিদ বলেন, পূর্ব বাংলার মানুষের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে লাহোর প্রস্তাবের মাধ্যমে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ পূর্ব ও পশ্চিমে একাধিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্নও দেখেছিলেন তিনি। এই অসীম সাহসী নেতার কাছ থেকেই আমরা অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে নির্ভয়ে প্রতিবাদ করার প্রেরণা পেয়েছি।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, তিনি এ জাতিকে বহু আগেই সতর্ক করে বলেছিলেন, ‘যে জাতি তার সন্তানদের বিড়ালের ভয় দেখিয়ে ঘুম পাড়ায়, তারা কখনো সিংহের সঙ্গে লড়াই করা শিখতে পারে না।’

এনএস/বিএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।