হত্যা বন্ধ না করলে বিপদে পড়বেন : কামাল


প্রকাশিত: ০১:৪৩ পিএম, ২৮ জানুয়ারি ২০১৫

হরতাল-অবরোধের নামে যারা দেশে সহিংসতা-নাশকতা সৃষ্টি করে মানুষ পুড়িয়ে মারছেন সেই সব দুস্কৃতিকারীদের বলবো, আপনারা মানুষ হত্যা করা বন্ধ করুন। মানুষ হত্যা করে কোন লাভ হবে না বরং আপরাই বিপদে পড়বেন। বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ পুলিশ সপ্তাহ-২০১৫ উপলক্ষে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠানে আসাদুজ্জামান খান কামাল একথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা মানুষ হত্যা করছেন তারা অবিলম্বে মানুষ হত্যা বন্ধ করুন। নতুবা আপনাদের জায়গা মতো পাঠিয়ে দেয়া হবে। সংবাদ মাধ্যম দিয়ে আপনাদের আহ্বান করবো এই মানুষ হত্যা বন্ধ করুন, মানুষের যে জানমালের ক্ষতি করছেন, ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষতি করছেন এগুলো বন্ধ করে আপনারা এখান থেকে নিবৃত হন।

তিনি বলেন, ৫ জানুয়ারি থেকে ২৮ তারিখ পর্যন্ত ২২দিন অতিবাহিত হচ্ছে। যতই দিন যাচ্ছে ততই ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী কাজ করছে। দেশের জনগণও বুঝতে পারছে তাই জনগণ ধরেই নিয়েছে এ আন্দোলনে কেউ সম্পৃক্ত নেই। যারা বোমা মারছে, পেট্রোলবোমা মারছে তাদের বিরুদ্ধে জনগণ আজ মাঠে নেমে এসেছে।

যারা আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে, পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করছে, মানুষ হত্যা করছে, সম্পদ বিনষ্ট করছে, রাস্তাঘাটে গাড়িতে পেট্রলবোমা মারছে।

সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটি মার্ডার হলে তার পেছনে নানান ধরনের মোটিভ থাকে, কে হুকুম দিলেন, কে সহযোগীতা করলেন, কে মারলেন, অবশ্যই এখানে একজন হুকুমদাতা আছে, একজন সহযোগীতা করেছেন অর্থ দিয়ে বা অন্যভাবে। তারপর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ বা অন্যভাবে মানুষ হত্যা হয়েছে। এগুলি নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় মামলা হচ্ছে। মামলাগুলো আইনে যেভাবে চলা দরকার সেভাবে চলবে। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

পুলিশ সপ্তহ-২০১৫ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ পুলিশের (আইজি) এ কে এম শহীদুল হক, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া এবং অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।

জেইউ/এএইচ/আরআই

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।