নাশকতা ছাড়লে সংলাপ হতেও পারে : খাদ্যমন্ত্রী


প্রকাশিত: ১০:১০ এএম, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

নাশকতা ও সন্ত্রাসের পথ ছাড়লে বিএনপির সঙ্গে সংলাপ হলেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম। মঙ্গলবার দুপুরে সেগুনবাগিচাস্থ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির গোলটেবিল মিলনায়তনে ‘বিএনপি-জামায়াতের সহিংস রাজনীতি ও আমাদের করনীয়’ শীর্ষক আলোচান সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আপনারা যারা সংলাপের কথা বলেন। বিএনপিকে বোঝান, তারা যেন নাশকতা ও সন্ত্রাসের পথ পরিহার করুক। এই নাশকতা-সন্ত্রাস না ছাড়লে বিএনপির সঙ্গে কোনো সংলাপ হবে না। নাশকতা ও সন্ত্রাসের পথ পরিহার করলে তাদের সঙ্গে সংলাপ হলেও হতে পারে।

কামরুল ইসলাম বলেন, বিএনপির হরতাল-অবরোধ রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, সন্ত্রাস। যারা তাদের সঙ্গে সংলাপের কথা বলেন, তাদের নাশকতা ও সন্ত্রাসকে রাজনৈতিক কর্মসূচি মনে করেন। বুঝে নেন, এই নাশকতা-সন্ত্রাস না ছাড়লে বিএনপির সঙ্গে কোনো সংলাপ হবে না।

পাকিস্তানি কূটনৈতিকরা বাংলাদেশে নাশকতায় ইন্ধন যোগাচ্ছে, এমন অভিযোগ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে পাকিস্তানি কূটনৈতিকরা নাশকতার ইন্ধন যোগাচ্ছে। তাদের এজেন্ডা কী স্পষ্ট প্রতীয়মান হচ্ছে।

তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা সমাজের ক্যান্সার মন্তব্য করে তিনি বলেন, এরা শুধু দুই দল কে একসাথে বসতে বলে। কিন্তু বিএনপি জামায়াত চক্র যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে তা থামাতে বলে না।

‘৩০ মিনিটের মধ্য আওয়ামী লীগকে ঢাকা মহানগর ছাড়া করা সম্ভব’ সাদেক হোসেন খোকার এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, খোকা সাহেব আপনি ঢাকায় আসনে, কত বড় বিরপুরুষ হয়েছেন। অসুস্থতার দোহাই দিয়ে বিদেশে বসে অনেক কথাই বলা যায়। দেশে এসে বলুন, কে কি ছাড়া হয় তখন বুঝবেন।

সংগঠনের সভাপতি ব্যারিষ্টার জাকির আহম্মদের সভাপতিত্বে সভায় সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ দারা, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজিত রায় নন্দী, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

আরএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।