বাচ্চারা বড় হচ্ছে, তাদের সামনে মেরো না আমাকে

শায়লা জাবীন
শায়লা জাবীন শায়লা জাবীন
প্রকাশিত: ০১:৫৩ পিএম, ০২ অক্টোবর ২০২২
প্রতীকী ছবি

আমি তায়েবা নূর তিন্নি, আপনার সঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলতে এসেছি। আপনি যদি একটু শোনেন এবং বলেন আমি এখন কী করব বা আমার কী করা উচিত।

মনোচিকিৎসক পারিজাত রহমান তাকিয়ে রয়েছেন তিন্নির দিকে। খুবই স্মার্ট একটা মেয়ে। বয়স বোঝা যায় না একদমই। শ্যামা বর্ণের, দেখতে সুন্দর, পোশাক আধুনিক কিন্তু চোখে কিসের যেন ছায়া।

জ্বি বলুন...

আমি আপনাকে কীভাবে সাহায্য করতে পারি?

আপনি তো বাংলাদেশি তাই না?

বাংলায় বলছি...

জ্বি, আমি খুবই ছোটবেলায় বাংলাদেশ থেকে এসেছিলাম বাবা-মার সঙ্গে, বাংলা বুঝি এবং বলতেও পারি। আমি অস্ট্রেলিয়া ১২ বছর, দুইটা বাচ্চা আছে। বাচ্চা জন্ম হওয়ার আগে পার্টটাইম জব করতাম। বাচ্চা দুটোই পিঠাপিঠি, তাই পাঁচ বছরের গ্যাপ দিয়েছিলাম জব থেকে। উপায় ছিল না কোনো তখন অবশ্য অনলাইন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা শুরু করি।

ভয়ানক কষ্ট করেছি, বাচ্চা, সংসার, রান্না, পড়াশোনা, দাওয়াত, সামাজিকতা। বড় বাচ্চারা যখন স্কুলে যাওয়া শুরু করলো, আমার পড়াশোনাও তখন শেষের দিকে, আমিও ফুলটাইম জবে ঢুকে যাই, প্রাইভেট সেক্টর কিন্তু আমি বেশ ভালো জব করি। আমার স্বামী মাসুম খুবই ব্রিলিয়ান্ট ছাত্র ছিল। এখানে এসে মাস্টার্স করেছে।

সে ফেডারেল গভর্নমেন্টে খুবই ভালো চাকরি করে। এখানে আমাদের নিজেদের বাড়ি আছে, মাসুম আমার ক্যারিয়ার এবং বাচ্চাদের পড়াশোনা নিয়ে খুবই সচেতন। সে সবকিছুতেই খুবই সাহায্য করে কিন্তু সমস্যা অন্যখানে।

তিন্নি কিছুক্ষণ থামলেন, এরপর টেবিলের ওপরে রাখা টিস্যু বক্স থেকে টিস্যু নিয়ে চোখের কোনা মুছলেন, টিস্যুটা হাতেই রাখলেন।

পারিজাত রহমান মনোযোগ দিয়ে তাকে দেখছেন।

কি স্বপ্রতিভ একটা মেয়ে...

আমার বিয়ের ১৩ বছর এখন, বিয়ের এক বছর পর অস্ট্রেলিয়া আসি, বিয়ের ছয়মাস পর থেকেই মাসুম ছোটখাটো বিষয়ে আমার গায়ে হাত তোলা শুরু করে, সে খুবই রাগী এবং বদমেজাজি সঙ্গে অহংকারী। বিয়ের পর ননদ দেবরের কান কথায় ঝগড়া শুরু করতো আমার সঙ্গে, এরপর গায়ে হাত তোলা।

এসবের আগেই অস্ট্রেলিয়া স্কিল মাইগ্রেশনের জন্য অ্যাপ্লাই করেছিল সে তার বন্ধুদের পরামর্শে। আমার বাসায় মা-বাবাকে জানানোর পর তাদের খুবই মন খারাপ হলো, বললো এখানে ফ্যামিলির কথায় এমন করছে। অস্ট্রেলিয়া গেলে হয়তো ঠিক হয়ে যাবে। তখন তো ফ্যামিলির লোকজন কাছে থাকবে না। ইত্যাদি...

অস্ট্রেলিয়া এলাম বিয়ের এক বছর পর। এসেও একই অবস্থা। এমনিতে ভালো থাকে, কিন্তু খুবই বদমেজাজি। কোনোকিছু মন মতো না হলেই গালাগালি এবং মারে।

বাসায় আবার বললাম, আমার বড়বোন বললো বাচ্চা নে, বাচ্চা দেখে মায়া বাড়বে। তখন হয়তো কমবে!

বাচ্চা নিতে চাইলাম, মাসুম রাজি হলো। প্রেগন্যান্সি থেকেই অবস্থা আরো ভয়াবহ হলো, আমি কেন সারাক্ষণ অসুস্থ থাকি এটা তার পছন্দ না, খিটখিটে বেড়ে গেলো, তখন মারতো না কিন্তু খুবই খারাপ ব্যবহার করতো।

শরীর এত খারাপ লাগতো, বমি, গন্ধ, কিছু খেতে পারি না, মাসুম এগুলো দেখেও দেখতো না, বাসায় এসে খাবার রেডি না থাকলে বিরক্ত হতো। বলতো তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে এই দুনিয়ায় তোমার একাই বাচ্চা হবে। আর কারো হয় না, সবাই এই অবস্থায় ও চাকরি করে।

আমি শুধু কাঁদতাম, বাবা-মা কেউ বলতাম না, মনে হতো তারা কষ্ট পাবেন। বাচ্চা হওয়ার পরে ঘর আলাদা হয়ে গেলো, সারারাত বাচ্চা কাঁদে কেন? সে ঘুমাতে পারে না, পরদিন তার অফিস আছে। মাসুম অন্যঘরে ঘুমানো শুরু করলো।

কি যে কষ্ট, বলে বোঝানো যাবে না, নতুন মা। একা একা বাচ্চা পালা দিনরাত, বাচ্চা যতটা না যন্ত্রণা দেয় তার চেয়ে হাজারগুণ বেশি যন্ত্রণা দেয় বাচ্চার বাবা। আমি বুঝে গেলাম নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। পড়াশোনা শুরু করলাম। আমার আম্মুকে আনতে চাইলাম, দিলো না আনতে।

সে অন্য ঘরে ঘুমায়, যেদিন ইচ্ছে হয় সেদিন রাতে ঘুমাতে আসে, ইচ্ছে না হলে না, এখানে আমি যে একটা মানুষ, আমার ইচ্ছে অনিচ্ছার কোনো মূল্যই নেই।

আচ্ছা ছেলেরা এত ছোটলোক হয় কেন? নিজের পরিবারের কাছে দেমাগ দেখায় যেসব ছেলে তারা কি মানুষের পর্যায়ে পড়ে?

খুবই দুঃখজনক, কিন্তু আপনি কিছু বলেননি?

বললেই তো মারে, বলে সুখে থাকতে ভূতে কিলায়, তার জন্য নাকি অস্ট্রেলিয়া চোখে দেখতে পেরেছি ইত্যাদি অতি নিম্নস্তরের কথা।

ঠিক দুই বছর পর আরও একটা বাচ্চা হলো, মাসুমই চাইছিল, বাচ্চা নাকি পরপর হয়ে যাওয়া ভালো, ওরাও একসঙ্গে বড় হবে, আমিও চাকরিতে ঢুকতে পারবো।

জীবন আরো নরক হলো, আমার শাশুড়ি এলেন, তাকে তিনবেলা টাটকা রান্না করে খাওয়াতে হতো। তিনবার চা বানানো, উনি বাসী খাবেন না, দুপুরের খাবার রাতে দিলেও মুখ ভার করে বলে খাবো না, খিদা নাই, অথচ ওনার মেয়ের বাসায় গেলে কিন্তু সাতদিন আগের রান্নাও খেতে পারেন, উল্টা মেয়েকে রান্না করে দেন। যেন মেয়ের কষ্ট না হয়। সেগুলো আমার ননদ কিন্তু ঠিকই গরম করে করে দিনের পর দিন খান, উনিও খেতে পারেন।

খালি আমার রান্না বাসী হওয়া যাবে না। ছয়মাস পড়াশোনায় ইস্তফা দিলাম। ওজন কমে গেলো, ছোটবাচ্চাটা ব্রেস্টফিড করতো, খাওয়াতে পারতাম না, ফর্মুলা খাওয়ানো শুরু করলাম, শাশুড়ি কথা শোনায় বাচ্চাদের জন্য মায়ের দুধ ভালো, কিন্তু ঠিকমতো খাওয়া বিশ্রাম না নিলে কীভাবে বাচ্চা খাবার পাবে সেই চিন্তা উনি নিজে মা হয়েও বুঝলেন না, কারণ আমি তো তার মেয়ে ছিলাম না, ছেলের বউ, পরের বাড়ির মেয়ে।

আর মাসুমের তো এসব বোঝার প্রশ্নই ওঠে না...

তিনমাস পর শাশুড়ি কেনাকাটা করে বাংলাদেশ ফেরত গেলেন। আমি অসুস্থ হয়ে গেলাম। দুইবার হাসপাতাল পর্যন্ত যেতে হলো, আয়রন নাই, হরমোনাল ইমব্যালেন্স। দুটো ছোট বাচ্চা, কিন্তু মাসুম মাসুমের মতো।

তার চাকরি, ফিটনেস, বন্ধুবান্ধব নিয়ে ব্যস্ত, মাঝে মাঝে কথা শোনায় আমি এখনো জব করি না, অমুক ভাবি এই করে, তমুক ভাবি ওই করে ইত্যাদি। সে যা খুশী তা বলবে, আমি কিছু বলতে পারবো না, বললেই মারতে আসে।

আপনার বাসার সবাই সব জানতো?

জ্বি, কমবেশি মা, বোন তো জানতোই, জানেনই তো মেয়েদের বিয়ে হয়ে গেলে বাবার বাড়িতেও বোঝা। একমাত্র টাকা ইনকাম করলে সেই মেয়েকে সবাই তোয়াজ করে।

সেটা বাবার বাড়ি, শশুরবাড়ি কিংবা নিজের বাড়ি যেটাই হোক। আমার বড় বোন বললো, পাশের বাড়ির তিথিও তো কানাডা থাকে, ওর বর তো ওর কথায় ওঠে বসে, ও তো এয়ারপোর্ট থেকে মা এর বাড়িতে এসে ওঠে, তু্ই তো মাসুমকে নিয়ে একাই থাকিস, হাত করতে পারিস না কেন?

আপনি বলেন এটার কি উত্তর দেব?

হাসব্যান্ড কি হাত করার জিনিস?

যার মনের মধ্যে ভালোবাসা নেই, যার সঙ্গে সুস্থভাবে কথা বলা যায় না, তাকে নিয়ে তো আমি নিজেই দিশেহারা।

অথচ আমার আপন বোন তিথির সঙ্গে আমার তুলনা করলো। তিথি মেয়ে ক্লাস এইট থেকে প্রেম করতো, সব সময় গলায় ওড়না আর অতিরিক্ত গায়ে পরা খ্যাত টাইপ ছিল, ছেলেদের দেখলেই হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ে গল্প করতো। বিয়ের আগেই ৫টা প্রেম, কোনোটাই এক বছরের বেশি টেকে না।

ইন্টারে পড়তে এক ছেলের সঙ্গে ভেগেও গেলো, কিছুদিন পর ওর বাবা-মা ধরে এনে তার চেয়ে বয়সে অনেক বড় মাঝবয়সী এক ভদ্রলোকের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে কানাডা পাঠিয়ে দিলো।

তিথি অবশ্য খ্যাত হলেও দেখতে সুন্দর ছিলো, মাঝে মধ্যে দেশে আসলে দুহাতে খরচ করে, হাত-পা নেড়ে চেড়ে বিদেশি জীবনের গল্প করে, ঝলমলে শাড়ি গহনা পরে, তাতেই আমার বোনের ধারণা সে খুবই সুখে আছে, আমি জানি কানাডাতে আহামরি কিছুই করে না ওরা কেউই, আর সুখে থাকলে তো ভালোই, থাক সুখে।

এরপর...

ঠিক ওই সময়ে আমার আব্বা মারা গেলেন। মনে হলো মাথার ওপর থেকে ছাদ সরে গেলো, এমন না যে আব্বা কখনোই বলেছেন, এমন সংসার করতে হবে না, চলে আয়। তবুও মনে হলো কি যেন আর নাই।

আব্বাকে দেখতেও যেতে পারিনি, কিন্তু আব্বার চলে যাওয়া আমাকে আরো অদম্য করে তুললো। আমি দুই বাচ্চা নিয়েই পড়াশোনা শেষ করলাম। চাকরি খোঁজা শুরু করলাম। সপ্তাহে একটা ভলান্টিয়ার জবও করি। ওই সময় ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। বাচ্চা নিয়ে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট এ যাতায়াত করা খুবই কঠিন।

মাসুম চাকরি খুঁজতে সাহায্য করতো, উৎসাহ দিত কারণ চাকরি পেলে তো সংসারের উন্নতিতেই লাগবে। পরের বাড়ির মেয়েকে দিয়ে যতভাবে কাজ করানো যায়।

বিয়ে করে আনা কাজের মেয়ে, বাচ্চার জন্ম দেবো, পালবো, বাজার করবো, রান্না করবো, কাপড় শুকাবো, তার ইচ্ছে হলে তার সঙ্গে ঘুমাবো, বাচ্চা স্কুলে আনা নেওয়া করবো ইত্যাদি শেষ না হওয়া তালিকা।

দেশে থাকলে তো নিদেনপক্ষে একটা ড্রাইভার, বুয়া, রান্নার লোক এবং বাসায় আরো সদস্য থাকতো যারা একটু বাচ্চাদের দেখতো।

মাসুমকে বললেই বলে এখানে সব মেয়েরাই এগুলো করে, তুমি একা না, আচ্ছা সেসব মেয়েদের হাসব্যান্ড কি এমন যন্ত্রণাময়? খুব জানতে ইচ্ছে করে।

ছয়মাস পর চাকরি পেয়ে গেলাম। চাকরিতে ঢুকে মনে হলো দ্বিতীয় জীবন পেলাম। বাচ্চাদের সামলে স্কুলে, চাইল্ড কেয়ারে দিয়ে চাকরি করি। কিন্তু দিনশেষে আমার আয় করা টাকার হিসাব মাসুম পাই পাই করে নেওয়া শুরু করলো।

আমার কোনো অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নাই, একটা শাড়ি বা একটা ব্যাগ কিনতে হলেও মাসুমকে বলতে হয়, সে বললে কিনতে পারি নয়তো না, আগে থেকে বুঝি নাই, জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট ছিল। সব টাকাই মাসুম কন্ট্রোল করা শুরু করলো, আমাকে বললো আমি বুঝবো না, উল্টোপালটা খরচ করবো। আমার আয় করা টাকা থেকেও আমি নিজের জন্যই কিছু কিনতে পারি না, কিছু বলতে গেলেই মারে।

কিন্তু মাসুম বন্ধুমহলে আমি চাকরি পেয়েছি গল্প করে বেড়াতে লাগলো, বলতে লাগলো তিন্নিকে বলেন মিষ্টি খাওয়াতে। বাংলাদেশ থেকে চাকরি পেয়েছি শুনে বোনের মেয়ে, ছোট ভাই এটা সেটা চাওয়া শুরু করলো। আমার বোন ও আম্মার জন্য ওষুধ পাঠাতে বলতো।

আমি কি বলবো তাদের বা আমার ভেতরে কেমন লাগছে কাউকেই বলতে বা বোঝাতে পারতাম না। অফিস কলিগকে একদিন বললাম, আইরিশ একটা মেয়ে, আমার হাত ধরে কান্না শুরু করে দিলো, বললো তুমি এর সাথে থাকো কেন? তুমি কি এখনো তাকে ভালোবাসো?

হেসে বললাম, ভালোবাসা কবেই ফিনিক্স পাখি হয়ে উড়ে চলে গেছে, এখন তো শুধু মানিয়ে নেওয়া। আরো ছয়মাস গেলো, একদিন রাতের বেলা খাওয়ার পর মাসুমকে ঠান্ডা গলায় বললাম, আমি আমার অ্যাকাউন্ট আলাদা করে ফেলেছি, এখন থেকে আমার টাকা আলাদা অ্যাকাউন্টে যাবে। তুমি বাড়ির মান্থলি কিস্তি দিবা, আমি খাওয়ার খরচ।

বাচ্চাদের খরচ দেব। এরপর আমার বাকি টাকা দিয়ে আমি শাড়ি গহনা কিনবো নাকি জমাবো এটা আমার ব্যাপার। তোমার টাকা দিয়ে তুমি কি করো সেটা তো বলো না।

ভেরি গুড, তারপরে...

মাসুম যেন নিজের চোখ কান বিশ্বাস করতে পারছে না। অবাক হয়ে তাকিয়ে থেকে মারা শুরু করলো আর অকথ্য গালিগালাজ, দুই টাকা রোজগার করে আমার নাকি তেল বাড়ছে।

আমি যতই বলি বাচ্চারা বড় হচ্ছে, ওদের সামনে মারে না...
তুমি বাবা হিসেবে সম্মান হারিয়ে ফেলবে চিরতরে
কিন্তু মাসুম নির্বিকার, সে মারতে থাকে

আমি মাসুমের সামনেই ০০০ ডায়াল করে পুলিশে করলাম। মাসুম সঙ্গে সঙ্গে থমকে গেলো, নিমিষেই ভোল পাল্টে কান্নাকাটি শুরু করলো।

আমি কেন পুলিশকে ফোন করলাম?

এটা স্বা-স্ত্রীর ব্যক্তিগত বিষয়, আমি যেন আবার ফোন দিয়ে ক্যানসেল করি।

মাসুম আমার পা ধরে বসে পড়লো। আমার চোখের সামনে ভেসে উঠলো গত ১১ বছরের সমস্ত মার একটার পর একটা মনে পড়লো কীভাবে একটা করে দিন রাত আমি পাড়ি দিয়েছি একদমই একা।

তিন থেকে পাঁচ মিনিটের মধ্যে দরজায় নক। আমি আমার পা দিয়েই মাসুমের হাত ছাড়িয়ে নিয়ে দরজা খুলতে চলে গেলাম।

চলবে...

এমআরএম/জেআইএম

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]