সিঙ্গাপুরে হতাশায় দিন কাটছে বাংলাদেশিদের

ওমর ফারুকী শিপন
ওমর ফারুকী শিপন ওমর ফারুকী শিপন , সিঙ্গাপুর প্রতিনিধি সিঙ্গাপুর প্রবাসী
প্রকাশিত: ০৪:৫৮ পিএম, ২৬ মার্চ ২০২০

‘ছুটিতে বাংলাদেশে যাওয়ার কথা ছিল। পরিবারের কথা চিন্তা করে যাইনি৷ সুস্থ অবস্থায় দেশে গিয়ে যদি আমার করোনাভাইরাসের লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে আমার জন্য পরিবার, সমাজ ও দেশ বিপদে পড়বে। এসব কারণেই দেশে যাওয়া হয়নি। দিনেদিনে বাংলাদেশেও করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে। ধনী-গরিব, হিন্দু-মুসলিম, সাদা-কালো, কিছুই বাদ পড়ছে না। পরিবারের জন্য উৎকণ্ঠায় দিন পার করছি’।

কথাগুলো বলছিলেন সিঙ্গাপুর প্রবাসী আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, পরিবারের কথা চিন্তা করতে করতে এখন আমাদের নির্ঘুম রাত কাটে। আধো ঘুমে সকালে অফিসে গেলে কাজে মন বসে না৷ এখন আল্লাহর কাছে দোয়া করা ছাড়া প্রবাসীদের আর কিছুই করার নেই’।

কবির হোসেন নামে আরেক বাংলাদেশি জানান, সঙ্কটময় মুহূর্তে সিঙ্গাপুরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভালোই আছে৷ দেশটিতে এখনো লকডাউন করা হয়নি৷ আমাদের দিনগুলি চলছে আগের মতোই স্বাভাবিক। দৈনন্দিন জীবন চলছে রুটিন মাফিক।

তিনি জানান, আগে ডিউটি শেষ করে কিংবা বন্ধের দিন বাইরে বন্ধুদের সাথে আড্ডা গল্প গুজব করতাম। বিভিন্ন পার্কে ঘুরে বেড়াতাম৷ এখন আর সেই সুযোগ নেই। কাজ শেষে বাসায় ফিরে ডরমিটরির নিচে বসে গল্প-গুজব করি৷ কেউবা ওয়াইফাই কানেকশন দিয়ে মুভি দেখে কিংবা দেশে প্রিয়জনদের সাথে কথা বলে৷

প্রবাসীদের দুশ্চিন্তার সবচেয়ে বড় কারণ- অনেকের ওয়ার্ক পাশের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। কোম্পানি তাদের নতুন করে পারমিট রিনিউ করাতে চাচ্ছে না। তারা এখন কী করবে? তাদের প্রতিটি মুহূর্ত কাটছে অনিশ্চয়তায়৷

এ ব্যাপারে প্রবাসী তৌকির বলেন, ‘আমার কোম্পানি ওয়ার্ক পারমিট রিনিউ করবে না৷ কথা ছিল ২৩ মার্চ আমাকে বিমান টিকিট দেবে। কিন্তু হঠাৎ ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন দেশে যেতে পারছি না৷ কোম্পানিতে কল দিলে বলে এখন আমাদের কিছুই করার নেই৷ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা কর’৷

তিনি বলেন, কোম্পানির দায়িত্বরতদের আমি বলেছি এত খরচ কোথা থেকে যোগাড় করব৷ যতদিন দেশে না যাই ততদিন আমাকে কাজ দিয়ে রাখেন। তারা কাজ দিতে রাজি হয়নি৷ আমাকে এখন রুমেই থাকতে বলা হয়েছে। এখন আমার এমন অবস্থা খাবার খরচও যোগাতে পারছি না। যে টাকা ছিল তা দিয়ে বাড়ির জন্য কেনাকাটা করে ফেলেছি। হতাশ হয়ে যাচ্ছি’।

তিনি আরও বলেন, ‘এরই মধ্যে অনেকেই চাকরি থেকে ছেড়ে দেশে যেতে চেয়েছিলাম। বিমান চলাচল বন্ধ হওয়ায় এখনই কেউই যেতে পারছে না। দুইদেশের সরকার যদি আন্তরিকতার সঙ্গে কিছু করে তাহলে হয়তোবা চাকরি করতে পারব। এদেশের আইন-কানুন খুব কড়াকড়ি। এরা নিয়মের বাইরে কিছুই করতে চায় না। বাংলাদেশ দূতাবাসের কাছে আমার আবেদন তারা যেন আমাদের জন্য কিছু করে। নয়তোবা না খেতে মারা যাব’।

হাসান নামে আরেক প্রবাসী বলেন, ‘আমার ভালো একটা কোম্পানিতে চাকরি হয়েছিল। কিন্তু যে কোনো কারণে গত মাসে এক মাসের নোটিশে রিজাইন দিয়েছিলাম। কথা ছিল এই মাসের শেষের দিকে দেশে গিয়ে আবার নতুন কোম্পানিতে ফিরে আসব৷ কিন্তু সিঙ্গাপুর সরকার নতুন নিয়ম করেছে। এখন দেশে গেলে আর আসা যাবে না। তাদের নতুন এই সিদ্ধান্তে মানসিক চিন্তায় পড়ে গেছি’৷

তিনি বলেন, ‘পরে অনেক ভেবে-চিন্তে কোম্পানির বসকে বিষয়টা খুলে বলি৷ বস সব শুনে বলল, তুমি রিজাইন পেপার তুলে নাও৷ তার পরামর্শে রিজাইন পেপার তুলে নিয়েছি৷ নতুন নিয়মের কারণে ভালো একটি চাকরি হারালাম’।

এরই মধ্যে নভেল করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ২১ হাজার ছাড়িয়েছে। আর আক্রান্ত হয়েছেন সাড়ে চার লাখেরও বেশি মানুষ। আক্রান্তদের মধ্যে ১ লাখ ১৩ হাজার ৮০৮ জন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে প্রথমবারের মতো শনাক্ত হয় প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। এরই মধ্যে বিশ্বের অন্তত ১৯৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এতে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫৯ জন। মারা গেছেন ২১ হাজার ১৪৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছেন ইতালিতে। এদিন দেশটিতে করোনাভাইরাস প্রাণ কেড়েছে অন্তত ৬৮৩ জনের, নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ২১০ জন। এ নিয়ে সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৪ হাজার ৩৮৬ জন, মারা গেছেন ৭ হাজার ৫০৩ জন।

মৃত্যুপুরী হয়ে উঠেছে ইউরোপের আরেক দেশ স্পেনও। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬৫৬ জন, আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় সাড়ে সাত হাজার মানুষ। এ নিয়ে সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯ হাজার ৫১৫ জন, মৃত্যু ৩ হাজার ৬৪৭ জনের।

করোনার সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রেও। এদিন দেশটিতে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৪৮৬ জন, মারা গেছেন ১৪২ জন। সেখানে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৩৪২, মৃত্যু ৯২২ জনের।

এছাড়া, ইরানে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ১৪৩ জন, নতুন রোগী ২ হাজার ২০৬ জন। ফলে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ১৭ জন, মৃত্যু ২ হাজার ৭৭ জনের।

ভয়াবহ পরিস্থিতি ফ্রান্সেও। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মারা গেছেন ২৩১ জন, আক্রান্ত ২ হাজার ৯২৯ জন। অর্থাৎ দেশটিতে মোট মৃত্যুর ঘটনা ১ হাজার ৩৩১টি, আক্রান্ত ২৫ হাজার ২৩৩ জন।

এমআরএম/এমকেএইচ

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১১,৩৩,৩৭৩
আক্রান্ত

৬০,৩৭৫
মৃত

২,৩৫,৯৯৯
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৬১ ২৬
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২,৭৭,৪৬৭ ৭,৪০২ ১২,২৮৩
ইতালি ১,১৯,৮২৭ ১৪,৬৮১ ১৯,৭৫৮
স্পেন ১,১৯,১৯৯ ১১,১৯৮ ৩০,৫১৩
জার্মানি ৯১,১৫৯ ১,২৭৫ ২৪,৫৭৫
চীন ৮১,৬৩৯ ৩,৩২৬ ৭৬,৭৫৫
ফ্রান্স ৬৪,৩৩৮ ৬,৫০৭ ১৪,০০৮
ইরান ৫৩,১৮৩ ৩,২৯৪ ১৭,৯৩৫
যুক্তরাজ্য ৩৮,১৬৮ ৩,৬০৫ ১৩৫
১০ তুরস্ক ২০,৯২১ ৪২৫ ৪৮৪
১১ সুইজারল্যান্ড ১৯,৬০৬ ৫৯১ ৪,৮৪৬
১২ বেলজিয়াম ১৬,৭৭০ ১,১৪৩ ২,৮৭২
১৩ নেদারল্যান্ডস ১৫,৭২৩ ১,৪৮৭ ২৫০
১৪ কানাডা ১২,৩৭৫ ২০৮ ২,১৮৬
১৫ অস্ট্রিয়া ১১,৫২৪ ১৬৮ ২,০২২
১৬ দক্ষিণ কোরিয়া ১০,১৫৬ ১৭৭ ৬,৩২৫
১৭ পর্তুগাল ৯,৮৮৬ ২৪৬ ৬৮
১৮ ব্রাজিল ৯,২১৬ ৩৬৫ ১২৭
১৯ ইসরায়েল ৭,৪২৮ ৪০ ৪০৩
২০ সুইডেন ৬,১৩১ ৩৫৮ ২০৫
২১ অস্ট্রেলিয়া ৫,৪৫৪ ২৮ ৫৮৫
২২ নরওয়ে ৫,৩৭০ ৫৯ ৩২
২৩ আয়ারল্যান্ড ৪,২৭৩ ১২০ ২৫
২৪ চেক প্রজাতন্ত্র ৪,১৯০ ৫৩ ৭২
২৫ রাশিয়া ৪,১৪৯ ৩৪ ২৮১
২৬ ডেনমার্ক ৩,৭৫৭ ১৩৯ ১,১৯৩
২৭ চিলি ৩,৭৩৭ ২২ ৪২৭
২৮ পোল্যান্ড ৩,৩৮৩ ৭১ ৫৬
২৯ ইকুয়েডর ৩,৩৬৮ ১৪৫ ৬৫
৩০ মালয়েশিয়া ৩,৩৩৩ ৫৩ ৮২৭
৩১ রোমানিয়া ৩,১৮৩ ১৩৩ ২৮৩
৩২ ফিলিপাইন ৩,০১৮ ১৩৬ ৫২
৩৩ পাকিস্তান ২,৬৮৬ ৪০ ১২৬
৩৪ জাপান ২,৬১৭ ৬৩ ৫১৪
৩৫ লুক্সেমবার্গ ২,৬১২ ৩১ ৫০০
৩৬ ভারত ২,৫৬৭ ৭২ ১৯২
৩৭ সৌদি আরব ২,০৩৯ ২৫ ৩৫১
৩৮ ইন্দোনেশিয়া ১,৯৮৬ ১৮১ ১৩৪
৩৯ থাইল্যান্ড ১,৯৭৮ ১৯ ৬১২
৪০ মেক্সিকো ১,৬৮৮ ৬০ ৬৩৩
৪১ পানামা ১,৬৭৩ ৪১ ১০
৪২ ফিনল্যাণ্ড ১,৬১৫ ২০ ৩০০
৪৩ গ্রীস ১,৬১৩ ৬৩ ৭৮
৪৪ পেরু ১,৫৯৫ ৬১ ৫৩৭
৪৫ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৫০৫ ৯৫
৪৬ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,৪৮৮ ৬৮ ১৬
৪৭ সার্বিয়া ১,৪৭৬ ৩৯ ৫৪
৪৮ আইসল্যান্ড ১,৩৬৪ ৩০৯
৪৯ আর্জেন্টিনা ১,৩৫৩ ৪২ ২৬৬
৫০ কলম্বিয়া ১,২৬৭ ২৫ ৫৫
৫১ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,২৬৪ ১০৮
৫২ আলজেরিয়া ১,১৭১ ১০৫ ৬২
৫৩ সিঙ্গাপুর ১,১১৪ ২৮২
৫৪ ক্রোয়েশিয়া ১,০৭৯ ৯২
৫৫ কাতার ১,০৭৫ ৯৩
৫৬ ইউক্রেন ১,০৭২ ২৭ ২২
৫৭ মিসর ৯৮৫ ৬৬ ২১৬
৫৮ এস্তোনিয়া ৯৬১ ১২ ৪৮
৫৯ নিউজিল্যান্ড ৯৫০ ১২৭
৬০ স্লোভেনিয়া ৯৩৪ ২০ ৭০
৬১ হংকং ৮৪৫ ১৭৩
৬২ ইরাক ৮২০ ৫৪ ২২৬
৬৩ মরক্কো ৭৯১ ৪৮ ৫৭
৬৪ আর্মেনিয়া ৭৩৬ ৪৩
৬৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১১ ৬১৯
৬৬ লিথুনিয়া ৬৯৬
৬৭ বাহরাইন ৬৭২ ৩৮২
৬৮ হাঙ্গেরি ৬২৩ ২৬ ৪৩
৬৯ মলদোভা ৫৯১ ২৬
৭০ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৫৭৯ ১৭ ২৭
৭১ ক্যামেরুন ৫০৯ ১৭
৭২ লেবানন ৫০৮ ১৭ ৫০
৭৩ তিউনিশিয়া ৪৯৫ ১৮
৭৪ লাটভিয়া ৪৯৩
৭৫ বুলগেরিয়া ৪৮৫ ১৪ ৩০
৭৬ কাজাখস্তান ৪৬৪ ২৯
৭৭ স্লোভাকিয়া ৪৫০ ১০
৭৮ আজারবাইজান ৪৪৩ ৩২
৭৯ এনডোরা ৪৩৯ ১৬ ১৬
৮০ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৪৩০ ১২ ২০
৮১ কুয়েত ৪১৭ ৮২
৮২ কোস্টারিকা ৪১৬ ১১
৮৩ সাইপ্রাস ৩৯৬ ১১ ২৮
৮৪ উরুগুয়ে ৩৮৬ ৮৬
৮৫ বেলারুশ ৩৫১ ৫৩
৮৬ তাইওয়ান ৩৪৮ ৫০
৮৭ রিইউনিয়ন ৩২১ ৪০
৮৮ জর্ডান ৩১০ ৫৮
৮৯ আলবেনিয়া ৩০৪ ১৭ ৮৯
৯০ বুর্কিনা ফাঁসো ৩০২ ১৬ ৫০
৯১ আফগানিস্তান ২৮১ ১০
৯২ কিউবা ২৬৯ ১৫
৯৩ হন্ডুরাস ২৬৪ ১৫
৯৪ ওমান ২৫২ ৫৭
৯৫ সান ম্যারিনো ২৫১ ৩২ ২৬
৯৬ ভিয়েতনাম ২৩৯ ৮৫
৯৭ চ্যানেল আইল্যান্ড ২৩২ ১৩
৯৮ উজবেকিস্তান ২২৭ ২৫
৯৯ আইভরি কোস্ট ২১৮ ১৯
১০০ নাইজেরিয়া ২১০ ২৫
১০১ সেনেগাল ২০৭ ৬৬
১০২ ঘানা ২০৫ ৩১
১০৩ মালটা ২০২
১০৪ ফিলিস্তিন ১৯৪ ২১
১০৫ মরিশাস ১৮৬
১০৬ ফারে আইল্যান্ড ১৭৯ ৯১
১০৭ মন্টিনিগ্রো ১৭৪
১০৮ শ্রীলংকা ১৫৯ ২৪
১০৯ জর্জিয়া ১৫৫ ২৮
১১০ ভেনেজুয়েলা ১৫৩ ৫২
১১১ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১৪৮ ১৬
১১২ মার্টিনিক ১৪৩ ২৭
১১৩ বলিভিয়া ১৩৯ ১০
১১৪ ব্রুনাই ১৩৪ ৬৫
১১৫ গুয়াদেলৌপ ১৩০ ২৪
১১৬ কিরগিজস্তান ১৩০
১১৭ মায়োত্তে ১২৮ ১০
১১৮ কেনিয়া ১২২
১১৯ নাইজার ১২০
১২০ আইল অফ ম্যান ১১৪
১২১ কম্বোডিয়া ১১৪ ৩৫
১২২ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১০০
১২৩ প্যারাগুয়ে ৯৬ ১২
১২৪ জিব্রাল্টার ৯৫ ৪৬
১২৫ রুয়ান্ডা ৮৯
১২৬ লিচেনস্টেইন ৭৫
১২৭ গিনি ৭৩
১২৮ মাদাগাস্কার ৭০
১২৯ মোনাকো ৬৪
১৩০ আরুবা ৬২
১৩১ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৫৭ ২২
১৩২ জ্যামাইকা ৫৩
১৩৩ বার্বাডোস ৫১
১৩৪ গুয়াতেমালা ৫০ ১২
১৩৫ জিবুতি ৪৯
১৩৬ উগান্ডা ৪৮
১৩৭ এল সালভাদর ৪৬
১৩৮ ম্যাকাও ৪২ ১০
১৩৯ টোগো ৪০ ১৭
১৪০ মালি ৩৯
১৪১ জাম্বিয়া ৩৯
১৪২ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৩৯
১৪৩ বারমুডা ৩৫ ১৪
১৪৪ ইথিওপিয়া ৩৫
১৪৫ কেম্যান আইল্যান্ড ২৯
১৪৬ বাহামা ২৪
১৪৭ গায়ানা ২৩
১৪৮ সিন্ট মার্টেন ২৩
১৪৯ কঙ্গো ২২
১৫০ সেন্ট মার্টিন ২২
১৫১ ইরিত্রিয়া ২২
১৫২ গ্যাবন ২১
১৫৩ মায়ানমার ২০
১৫৪ তানজানিয়া ২০
১৫৫ মালদ্বীপ ১৯ ১৩
১৫৬ হাইতি ১৮
১৫৭ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৮
১৫৮ লিবিয়া ১৭
১৫৯ সিরিয়া ১৬
১৬০ বেনিন ১৬
১৬১ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৬
১৬২ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৫
১৬৩ গিনি বিসাউ ১৫
১৬৪ ডোমিনিকা ১৪
১৬৫ মঙ্গোলিয়া ১৪
১৬৬ নামিবিয়া ১৪
১৬৭ সেন্ট লুসিয়া ১৩
১৬৮ গ্রেনাডা ১২
১৬৯ কিউরাসাও ১১
১৭০ সুদান ১০
১৭১ সুরিনাম ১০
১৭২ গ্রীনল্যাণ্ড ১০
১৭৩ লাওস ১০
১৭৪ মোজাম্বিক ১০
১৭৫ সিসিলি ১০
১৭৬ যান্দাম (জাহাজ)
১৭৭ জিম্বাবুয়ে
১৭৮ সেন্ট কিটস ও নেভিস
১৭৯ ইসওয়াতিনি
১৮০ অ্যাঙ্গোলা
১৮১ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক
১৮২ চাদ
১৮৩ ফিজি
১৮৪ ভ্যাটিকান সিটি
১৮৫ লাইবেরিয়া
১৮৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড
১৮৭ সোমালিয়া
১৮৮ কেপ ভার্দে
১৮৯ মৌরিতানিয়া
১৯০ নেপাল
১৯১ মন্টসেরাট
১৯২ সেন্ট বারথেলিমি
১৯৩ নিকারাগুয়া
১৯৪ ভুটান
১৯৫ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড
১৯৬ বতসোয়ানা
১৯৭ গাম্বিয়া
১৯৮ বেলিজ
১৯৯ এ্যাঙ্গুইলা
২০০ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ
২০১ বুরুন্ডি
২০২ মালাউই
২০৩ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২০৪ সিয়েরা লিওন
২০৫ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড
২০৬ পাপুয়া নিউ গিনি
২০৭ পূর্ব তিমুর
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।
প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - jagofeature@gmail.com