১২০ দিনের মধ্যে পর্যটকদের জন্য পুরোপুরি খুলছে থাইল্যান্ড

প্রবাস ডেস্ক প্রবাস ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭:৪৩ পিএম, ১৭ জুন ২০২১

কামরুল আলম রানা, থাইল্যান্ড থেকে

এক বছরেরও বেশি সময় ধরে করোনার কারণে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকার পর পর্যটকদের জন্য ফের পুরোপুরি খুলে দেয়া হচ্ছে থাইল্যান্ড। তখন ভ্রমণের উদ্দেশে যে কেউ প্রবেশ করতে পারবেন।

বুধবার (১৬ জুন) থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান-ওচা এমন ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, আগামী ১২০ দিনের মধ্যে থাইল্যান্ড পর্যটকদের জন্য খুলে দেয়া হচ্ছে। আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও করোনার ঝুঁকি পর্যালোচনা করে কর্তৃপক্ষ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে তার বক্তব্যের একটি ভিডিও পাঠানো হয়েছে; যাতে এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন প্রায়ুথ। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, চলতি বছরের মধ্যে দেশজুড়ে ১০ কোটি ৫৫ লাখ করোনার টিকাদান নিশ্চিত করা হবে। পরের বছর আরও মানুষকে টিকা দেয়া হবে।

তিনি বলেন, এখন সময় এসেছে আমাদের সামনে অপেক্ষা করার এবং একটি তারিখ নির্ধারণের জন্য যখন আমরা সম্পূর্ণরূপে আমাদের দেশটি খুলতে পারি এবং দর্শনার্থীদের গ্রহণ শুরু করতে পারি। কারণ মানুষের দুর্ভোগ হ্রাস করার জন্য দেশকে পুনরায় খোলা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

‘এর মাধ্যমে মানুষ আবার উপার্জন শুরু করতে পারবেন। তাই, আজ থেকে ১২০ দিনের মধ্যে থাইল্যান্ডকে পুরোপুরি উন্মুক্ত করার জন্য আমাদের এবং আরও বেশি দ্রুত খোলার জন্য যেসব পর্যটন কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে, তাদের জন্য আমি একটি লক্ষ্য নির্ধারণ করছি।’

থাইল্যান্ডের পর্যটন খাতের উপর নির্ভরশীল। এ কারণেই এটি খোলার তাগিদ রয়েছে সরকারের। দেশটির অর্থনৈতিক আয়ের এক-পঞ্চমাংশই আসে পর্যটন খাত থেকে। গত বছর বিশ্বব্যাপী ভ্রমণের বিধিনিষেধগুলি থাইল্যান্ডে চাকরি ও ব্যবসাকে হ্রাস করেছে। নীতিনির্ধারকরা সতর্ক করেছেন যে, বিদেশি পর্যটকদের কাছ থেকে অর্জিত বিলিয়ন ডলারের অনুপস্থিতিতে এই প্রবণতা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা এমন সময়ের জন্য অপেক্ষা করতে পারি না যখন প্রত্যেকে দেশ খুলবে বা বিশ্ব ভাইরাস থেকে পুরোপুরি মুক্ত হবে। আমাদের অবশ্যই কিছুটা ঝুঁকি নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে এবং এটি একটি ব্যবস্থাপনামূলক পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করতে হবে।’

এমআরএম/জেআইএম

প্রবাস জীবনের অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ, গল্প-আড্ডা, আনন্দ-বেদনা, অনুভূতি, স্বদেশের স্মৃতিচারণ, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক লেখা পাঠাতে পারেন। ছবিসহ লেখা পাঠানোর ঠিকানা - [email protected]