ক্যান্ডি ক্রাশে ব্যয় ১৩০ কোটি ডলার


প্রকাশিত: ০২:৪৫ এএম, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

২০১৪ সালেও অনেক গেমার কাটাতে পারেননি ক্যান্ডি ক্রাশ সাগার মোহ। গেমটির সব ফিচার পরখ করে দেখতে গত বছর ১৩০ কোটি ডলার ব্যয় করেছেন গেমাররা। তাদের বেশির ভাগই গেমটি উপভোগে এক্সট্রা লাইফ, এক্সট্রা মুভ, কালার বম্ব, ললিপপ হ্যামার ও গোল্ড বার কিনতে ব্যয় করেছেন বিশাল অঙ্কের এ অর্থ। খবর এনডিটিভি।

গেমাররা উল্লিখিত অর্থ ব্যয় করেছেন কেবল গেমের মধ্যের কেনাকাটা (ইন-অ্যাপ পারচেজ) থেকে। অবশ্য এ আয় গেমটি যাত্রার প্রথম দিকের সময়ের তুলনায় কম।

গেমটি উন্নয়ন করে কিং ডিজিটাল এন্টারটেইনমেন্ট। প্রথম উন্মোচন হয় ২০১৩ সালে। গেমটি থেকে ২০১৩ সালের শেষার্ধে কিং ডিজিটালের রাজস্ব হয় ১০০ কোটি ডলারের বেশি। একই বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে রাজস্ব হয় ৫৫ কোটি ১০ লাখ ডলার। সে হিসাবে কমছে ক্যান্ডি ক্রাশের আয়।

গেমটি অ্যান্ড্রয়েড, আইওএসচালিত ডিভাইস কিংবা কম্পিউটারেও চলে। বর্তমানে অ্যাপল অ্যাপস্টোরে সর্বোচ্চ আয় করা অ্যাপের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। গেমটির পরবর্তী সংস্করণ ক্যান্ডি ক্রাশ সোডা সাগা রয়েছে ষষ্ঠ অবস্থানে।

২০১৪ সালের শেষ প্রান্তিকের প্রতি মাসে নতুন ৩৫ কোটি ৬০ লাখ গেমার ক্যান্ডি ক্রাশ সাগা খেলতে শুরু করেন। অথচ এর মাত্র ২ দশমিক ৩ শতাংশ গেমটির জন্য অর্থ ব্যয় করেছেন। সে হিসাবে একজন অর্থব্যয়কারী গেমার মাসিক এর পেছনে গড়ে ২৩ ডলার ৪২ সেন্ট খরচ করেছেন।

কিং ডিজিটাল এখন বিকল্প গেম উন্নয়নে মনোযোগী। কেননা প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বাস করে, একই পণ্যনির্ভর ব্যবসা বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। এর আগে অন্য নির্মাতা রোভিওর অ্যাংরি বার্ডস ও জিঙ্গার ফার্মভিল ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

এআরএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।