রাজনীতি

বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংসদ নির্বাচন বাধ্যতামূলক করবে জামায়াত

দেশে ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমেই জাতীয় রাজনীতিতে উঠে আসে দক্ষ নেতৃত্ব। এক্ষেত্রে সক্রিয় ছাত্রসংসদ জরুরি। অথচ সারাদেশের বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও কয়েক দশক ধরে ছাত্রসংসদ অকার্যকর।

গণঅভ্যুত্থানের পর বড় পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংসদ সক্রিয় হলেও অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু নেই। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত ছাত্রসংসদ নির্বাচন বাধ্যতামূলক করবে সরকার।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঘোষিত ইশতেহারে শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের অংশে এ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জামায়াত।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে এ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান এ ইশতেহার ঘোষণা করেন।

উচ্চশিক্ষা সংস্কারে পৃথক কমিশন গঠন করা হবে উল্লেখ করে ইশতেহারে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগপ্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ, উন্মুক্ত, প্রতিযোগিতামূলক ও আন্তর্জাতিকীকরণ করা হবে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশে সরকারি-বেসরকারি সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ভিজিটিং প্রফেসর এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নারী শিক্ষার্থীদের মাতৃত্বকালীন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য ডে-কেয়ার সুবিধা চালু করবে জামায়াত। এছাড়া স্বাস্থ্যজনিত কারণে পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি এবং ডিজিটাল প্রশাসনিক সুবিধাসমূহের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়।

ইশতেহারের ৩৫ নম্বর পয়েন্টে বলা হয়, সকল পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগপ্রক্রিয়া এবং সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নীতিনির্ধারণী ক্ষেত্রগুলোকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা হবে।

এএএইচ/বিএ