নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলমের বিরুদ্ধে নির্বাচনি প্রচারণায় জালিয়াতির অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সাইফুল ইসলাম নামে স্থানীয় এক ভোটার বাদী হয়ে আদালতে এই মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় শাহ আলম ছাড়াও তার স্ত্রী ইসরাত জাহান সুমি, দুই ছেলে আহনাফ রাফসান শাসন ও আহনাফ শাহ সাহেল এবং চার কর্মী শাহীন মুন্সি, সোহেব আক্তার সোহাগ, জিয়াউল হক জিয়া ও পলাশ হোসেন শরীফকে আসামি করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলাম মামলাটি গ্রহণ করে সিআইডি-কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ১২ মে-র মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও আদালত জানিয়েছেন, সিআইডি চাইলে এর আগেও প্রতিবেদন দাখিল করতে পারবে।
মামলার আইনজীবী এবং ফতুল্লা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল বারী ভূঁইয়া জানান, ১, ২ ও ৩ ফেব্রুয়ারি প্রচারণার সময় শাহ আলম ও তার কর্মীরা ‘বিএনপির মার্কা হরিণ’, ‘ধানের শীষের মার্কা হরিণ’, ‘বেগম খালেদা জিয়ার মার্কা হরিণ’, ‘দেশনেত্রীর মার্কা হরিণ’ ইত্যাদি বিভ্রান্তিকর স্লোগান দিয়েছেন। তারা এই স্লোগান দিয়ে ভোটারদের জালিয়াতি করেছেন। যা নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হয়েছে।
এদিকে একই অভিযোগে মুকুল নামে আরেক ব্যক্তি আগে শাহ আলমের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। সেই মামলায় আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি আদালতে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শাহ আলমকে।
মোবাশ্বির শ্রাবণ/কেএইচকে/জেআইএম