পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী সারজিস আলম এবং বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাতে উপজেলার ধামোর ইউনিয়নের রমজানপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াত-এনসিপি নেতাকর্মীরা পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন।
বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, তাদের প্রার্থীর ব্যানার ছেঁড়ার প্রতিবাদ করায় তাদের ওপর হামলা করে জামায়াত ও এনসিপির নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে ১১ দলের নেতাকর্মীদের দাবি, রাস্তায় গাছের গুড়ি ফেলে পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা করা হয়েছে।।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মারামারিতে ধামোর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলামসহ পাঁচজন আহত হন। এসময় ১১ দলের আটজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তারা। তাদের মধ্যে আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৭ জন। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
এ ঘটনায় রাতেই নিজের ফেইসবুক লাইভে যুক্ত হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন শাপলা কলির প্রার্থী সারজিস আলম। তিনি বলেন, বিএনপি সন্ত্রাসীরা আমার ৮ জন নেতাকর্মী আহত করেছে। একজনকে ঠাকুরগাঁও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার পা ভেঙে দিয়েছে তারা। তারা মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য এমনটা করছে।
বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের নির্বাচনি এজেন্ট নওফল জমির বলেন, আমাদের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে জামায়াত-এনসিপি নেতাকর্মীরা। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে তারা। এ সময় আমাদের ৫ জন আহত হয়।
আটোয়ারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিয়ার রহমান বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই লিখিত অভিযোগ করেননি। ঘটনার পর থেকেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
সফিকুল আলম/কেএইচকে/এএসএম