ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে গাজীপুর-৩ (শ্রীপুর ও গাজীপুর সদরের একাংশ) দায়িত্বে অবহেলা করায় সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) শ্রীপুর পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মহিলা ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক নারী ভোটার। পরে গিয়ে দেখেন তার ভোট হয়ে গেছে।পরে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ তিনজনকে প্রত্যাহার করে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা (শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা) সজীব আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যাহার হওয়া ওই তিনজন হলেন হারেছা খাতুন, মাসুম খান ও সালমা আক্তার। তাদের মধ্যে হারেছা খাতুন কেন্দ্রটির সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি গিলাশ্বর বালিকা দাখিল মাদরাসার শিক্ষক।
সালমা খাতুন পোলিং এজেন্ট। তিনি দক্ষিণ ভাংনাহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। অপর পোলিং এজেন্ট মাসুম খানের কর্মক্ষেত্রের নাম জানা যায়নি।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, ওই কেন্দ্রে লাকী বেগম নামের এক নারী ভোটার সকালে ভোট দিতে লাইনে দাঁড়ান। এক ঘণ্টা ধরে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন। এক পর্যায়ে সুযোগ পেয়ে ভোটগ্ৰহণ কক্ষে গিয়ে দেখেন তার ভোট দেওয়া হয়ে গেছে। তিনি হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছিলে। এরপর বিষয়টি তিনি দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের জানান। পরে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ওই কেন্দ্রে দায়িত্বরত তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়।
ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. সেলিম হোসেন বলেন, এ ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এটা কীভাবে ঘটলো তা তদন্ত করে দেখা হবে।
নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সজীব আহমেদ বলেন, একজন ভোটার অভিযোগ করেছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ তিনজনকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পরে ওই নারী ভোটারের ভোট নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা অনুযায়ী টেন্ডার ভোট নেওয়া হয়েছে।
মো. আমিনুল ইসলাম/এসআর/এমএন