দেশজুড়ে

রাজশাহীতে এখনো ঝুলছে নির্বাচনি প্রচারসামগ্রী

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়ারও ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়েছে। কিন্তু রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় এখনো নির্বাচনি প্রচারণার ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড অপসারণ করা হয়নি। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একযোগে গণভোট শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধি ২০২৫-এর ১৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রার্থীদের নিজ দায়িত্বে সব ধরনের প্রচারণার সামগ্রী অপসারণ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ায় শনিবার ছিল এসব সরানোর শেষ সময়সীমা।

তবে সোমবার সরেজমিনে রাজশাহী-২ (সদর) ও রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীদের ব্যানার, ফেস্টুন ও বড় বড় বিলবোর্ড এখনও বিদ্যুতের খুঁটি, সড়কের পাশের গাছ, দেয়াল এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ঝুলছে। একই অবস্থা রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী), রাজশাহী-৪ (বাগমারা), রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) ও রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) এ। সব আসনেই প্রার্থীদের নির্বাচনি প্রচারসামগ্রী এখনো দৃশ্যমান। কেউ তাদের সামগ্রী সরানোর কাজ শুরু করেননি।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি ও দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মামুন-উর-রশীদ বলেন, কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব সরানো সম্ভব হয়নি। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুতই এগুলো অপসারণ করা হবে।

অন্যদিকে রাজশাহী মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি ও রাজশাহী-২ আসনের প্রার্থীর প্রধান নির্বাচন এজেন্ট এমাজ উদ্দিন মণ্ডল জানান, এরই মধ্যে কিছু সামগ্রী সরানো হয়েছে এবং বাকিগুলো রোববার রাতের মধ্যেই অপসারণ সম্পন্ন হবে।

এ বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন বলেন, রোববার রাত পর্যন্ত তাদের সময় দেওয়া হয়েছে। এরপরও যদি প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা এসব সামগ্রী অপসারণ না করেন, তাহলে সোমবার থেকে সিটি করপোরেশন নিজ উদ্যোগে সেগুলো অপসারণ শুরু করবে।

সাখাওয়াত হোসেন/এফএ/এমএস