দেশজুড়ে

ঝালকাঠিতে বিএনপি নেতা চপল কারাগারে

ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিসুজ্জামান চপলকে (৫৬) কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠির চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এইচ এম কবির হোসেন এ আদেশ দেন।

দুপুরের পর ঝালকাঠি সদর থানা থেকে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে তার পক্ষে কোনো আইনজীবী জামিনের আবেদন না করায় বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশ জানায়, ২০০৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার কর্ণফুলি গার্ডেন ও নাভানা টাওয়ার মার্কেটের স্বর্ণ ডাকাতি মামলায় আগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এছাড়া চলতি বছরের ৫ আগস্টের পর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি ও হামলার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সোমবার সন্ধ্যায় ঝালকাঠি শহরের চাদকাঠি তিনঘাটলা এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।

থানা সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মীকে মারধরের অভিযোগে তাকে থানায় নেওয়া হয়। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আটক করা হলেও নির্দিষ্ট মামলা না থাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এজাজ আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, আনিসুজ্জামান চপল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দলের ভেতরে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা একটি গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পুলিশ প্রশাসনকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে তাকে হয়রানির শিকার করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরও দাবি করেন, থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও চপলের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সময়মতো ফরওয়ার্ডিং প্রতিবেদন না পাওয়ায় আদালতে জামিন আবেদন করাও সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।

ঝালকাঠি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পরিদর্শক পুলক চন্দ্র রায় জানান, আসামিপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো জামিন আবেদন না থাকায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ৫৪ ধারায় দাখিল করা ফরওয়ার্ডিং প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে ধর্তব্য অপরাধ সংঘটনের প্রস্তুতির অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।

মো. আমিন হোসেন/কেএইচকে/এমএস