ভ্রমণ

বঙ্গবন্ধুর বইয়ের প্রতিকৃতি যেখানে

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ও ‘কারাগারের রোজনামচা’ বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। বই দুটিকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে অনিন্দ্য সুন্দর প্রতিকৃতি। এই প্রতিকৃতি দেখতে সেখানে ভিড় করেন ভ্রমণপিপাসুরা।

জানা যায়, সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীর পাড়ে বঙ্গবন্ধুর বইয়ের এই ভাস্কর্য উদ্বোধন করা হয় ২০২১ সালের ৭ মার্চ। মুজিববর্ষ উপলক্ষে জেলার শহর রক্ষা বাঁধের হার্ডপয়েন্ট (চায়নাবাঁধ) এলাকায় ভাস্কর্যটি স্থাপন করে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

স্থপতি মৃণাল কান্তির নকশায় ১৫ ফুট উচ্চতার ভাস্কর্যটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে সাড়ে ২৩ লাখ টাকা। উদ্বোধনের পর থেকেই উৎসুক জনতা ভাস্কর্যটি দেখতে নদীর পাড়ে ভিড় করেন।

আরও পড়ুন: বিশ্বের সবচেয়ে চমকপ্রদ বিনোদন পার্ক 

প্রায় ৩৬০০ বর্গফুট জায়গায় স্থাপিত ভাস্কর্যটি বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম এবং স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে ভূমিকা রাখবে। বইগুলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অমূল্য উৎস। বাঙালির জাগরণের দলিল। বাংলা সাহিত্যের নতুন সংযোজন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ এবং ‘কারাগারের রোজনামচা’ বইতে বঙ্গবন্ধুর জীবন, কর্ম, এবং স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস উঠে এসেছে। নতুন প্রজন্ম বই দুটি পড়ে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। তাই আগামী প্রজন্মকে সচেতন করতে ব্যতিক্রমী এ প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয়েছে।

ভাস্কর্যটি দেখতে চাইলে ঢাকা থেকে রাজশাহী, খুলনা, সিরাজগঞ্জগামী যে কোনো ট্রেনে চলে যেতে পারেন সিরাজগঞ্জ। যারা রাজশাহী, খুলনাগামী ট্রেনে যাবেন; তারা বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপারে এস এম মনসুর আলী স্টেশনে নামবেন। স্টেশনের সঙ্গে কিংবা সেতুর মূল সড়কের রাস্তা (কড্ডার মোড়) থেকে সিএনজিতে করে চলে যাবেন সিরাজগঞ্জ শহরে। এরপর যে কোনো রিকশাওয়ালাকে বললেই নিয়ে যাবেন।

আরও পড়ুন: রিকশায় চড়ে রংপুর শহরে যা যা ঘুরে দেখবেন 

যারা ঢাকা থেকে বাসে যাবেন; তারা কল্যাণপুর, মহাখালী, গাবতলী থেকে রাজশাহী বা উত্তরবঙ্গের যে কোনো বাসে সেতু পার হয়ে সিরাজগঞ্জের কড্ডার মোড়ে নেমে সিএনজিতে করে শহরে এসে রিকশায় চলে যেতে পারেন।

আবার ঢাকা থেকে কিছু বাস সরাসরি সিরাজগঞ্জ শহরে যায়। সেগুলোতেও চলে যেতে পারেন। যারা সরাসরি গাড়ি নিয়ে চলে যেতে চান, তাদের জন্য আরও ভালো হয়।

এসইউ/জিকেএস