বেনাপোল বন্দরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সাফায়েত হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধি দলটি বেনাপোল বন্দরের ক্ষতিগ্রস্ত ২৩ নম্বর শেডটি পরিদর্শন করেছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত ২৩ নম্বর শেডের পণ্যগার, ওপেন ইয়ার্ড ও পোর্ট থানা ভবন পরিদর্শন করেন। পরে তিনি বন্দর অডিটোরিয়ামে তদন্ত কমিটির সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন ল্যান্ড পোর্ট সচিব হাবিবুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুস ছালাম, বেনাপোল বন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল জলিল, পোর্ট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত ওসি) খন্দকার শামিম, ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পরিমল কুণ্ডু ও বাংলাদেশ স্থলবন্দর এমপ্লয়ীজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন মজুমদার।পরিদর্শন শেষে সাফায়েত হোসেন বলেন, আমি এবং আমার তদন্ত কমিটির সদস্যরা দুদিন ধরে বন্দরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলো পরিদর্শন করবো। এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত সব সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে কথা বলবো। বুধবার বিকেলে বন্দর অডিটোরিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলেও জানান তিনি।উল্লেখ্য, গত ২ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বন্দরের ২৩ নম্বর শেডে আগুন লাগে। এতে দুই শতাধিক আমদানিকারকের শত কোটি টাকার আমদানি পণ্য এবং বেনাপোল-কলকাতা সড়কে রাখা ভারতীয় দুটি ট্রাক ও একটি প্রাইভেটকার পুড়ে যায়। এসময় পুড়ে যায় পোর্ট থানা ভবনের একাংশ। পরে ফায়ার সার্ভিস ৭ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেও ততক্ষণে গুদামে রক্ষিত বিভিন্ন গার্মেন্ট ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের নামে আমদানিকৃত কাপড়, ডাইস, বিভিন্ন কেমিক্যাল, মেশিনারি পার্টস, মোটর পার্টস, ফাইবার, মশা তাড়ানো স্প্রে নিউ হিট, তুলা অ্যাসোসিয়েডস গুডস ও কাগজসহ অন্যান্য পণ্য পুড়ে যায়।আগুনের কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ে ওই দিন বিকেলেই পৃথক ৩টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।জামাল হোসেন/এফএ/এবিএস