যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের বর্তমান ও সাবেক ১২ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। মামলার সাক্ষী দিতে আদালতে হাজির না হওয়ায় যশোরের স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা এ আদেশ জারি করেছেন। আদালত থেকে ওই কপি রোববার হাসপাতালে এসে পৌছেছে।ডাক্তাররা হলেন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার রাশেদ রেজা, ডা. আবু ইসহক, এমএ লতিফ, আবু সাঈদ, মোশফেকুর রহমান, হাসান মাহমুদ হাদী, আরিফ আহম্মেদ, মনির হাসান, সাখাওয়াত হোসেন রনো, এটিএম জাহিদুল ইসলাম, মুন্তাজুল হক ও শামসুল হাসান দোদুল। হাসপাতাল সূত্র মতে, এর মধ্যে সাখাওয়াত হোসেন রনো ও হাসান মাহমুদ হাদী চাকরি ছেড়ে দিয়ে বিদেশে অবস্থান করছেন। আর এমএ লতিফ, এটিএম জাহিদুল ইসলাম, শামসুল হাসান দদুল অবসরে গেছেন।যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ সাহা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেছেন, চিকিৎসকদের এ বিষয়টি অবহিত করে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।যশোর আদালতের পিপি বদরুজ্জামান পলাশ মুঠোফোনে জানিয়েছেন, মামলার সাক্ষী থাকার পরও আদালতে উপস্থিত হননি ১২ জন চিকিৎসক। এজন্য আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ারা জারি করেছেন। তিনি আরো জানিয়েছেন, ডাক্তাররা রোগীদের ভর্তি করে চিকিৎসা করা ও পরে জখমি সনদ দেন। পরে ভুক্তভোগী পরিবার মামলা করলে বিচারক শুনানির এক পর্যায়ে চিকিৎসককে সাক্ষীর জন্য আদালতে উপস্থিত থাকতে বলেন। কিন্তু একাধিকবার ধার্য দিনে সাক্ষী দিতে না আসায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন বিচারক। মিলন রহমান/এমএএস/আরআইপি