দেশজুড়ে

সাঁওতালদের বিরুদ্ধে পুলিশের মামলায় ৩২ জনের জামিন

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের সাহেবগঞ্জ ইক্ষু খামারের জমিতে বসতিস্থাপনকারী সাঁওতালদের উচ্ছেদের সময় পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ৩২ আসামির জামিন হয়েছে।জামিনপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন- ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সহ-সভাপতি ডা. ফিলিমন বাসকে, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, অপর নেতা রাফায়েল হাসদা। অন্যরা হচ্ছেন- সুবোল সেন, মার্সেল, ভাগন, নগেন, রসেন, নিকোলাস, সুতার, বার্ণা, কমলেশ, জন, চোবাহান, শিবু, দীপন, লেনমুন, রুবেল, সুদীপ, গণেশ, এমবি রেজাউল, ফরহাদ হোসেন, রয়াল, হাবিবুর রহমান, ইব্রাহিম আলী, স্বপন মিয়া, খালেক, টাটু, আজিজ, আকাব আলী, আজমল হোসেন, আজিজুর ও আবদুস সাত্তার।রোববার গোবিন্দগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিদের জামিন হয়। এদের মধ্যে ভূমি উদ্ধার সংগ্রাম কমিটির সাঁওতাল ও বাঙালি নেতাকর্মীরা রয়েছেন।গোবিন্দগঞ্জ আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এসএম তাসকিনুল হক শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। আসামিরা আইনজীবীর মাধ্যমে সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন।গত ৬ নভেম্বর রাতে পুলিশের কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশের (এসআই) কল্যাণ চক্রবর্তী বাদী হয়ে ৪২ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে আসামি করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা করেন।দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর গত ২৭ নভেম্বর ৩৩ জন আসামি হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন জানান। শুনানি শেষে হাইকোর্ট আবেদনকারীদের আট সপ্তাহের আগাম জামিন দেন।মেয়াদ শেষ হওয়ায় জামিনপ্রাপ্ত ওই ৩৩ জনের মধ্যে ৩০ জন এবং নতুন তরে মাদারপুরের আজিজুর রহমান ও আবদুস সাত্তার নামে অপর দুজনসহ মোট ৩২ জন রোববার গোবিন্দগঞ্জ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। এদের মধ্যে ২৩ জন সাঁওতাল এবং নয়জন বাঙালি।এএম/জেআইএম