শ্রেণি কক্ষে শিশু শিক্ষার্থীদের শারীরিক নির্যাতন অবৈধ হলেও ঝিনাইদহে এক শিক্ষার্থীর চোখে ডাষ্টার নিক্ষেপ করা হলো। কালা লক্ষ্মিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ইমরান হোসেনকে (৬) ডাষ্টার ছুড়ে মেরে চোখের কোণায় জখম করে ছেড়েছে একই স্কুলের শিক্ষক আসলাম খান।শিক্ষকের ডাস্টারের আঘাতে ইমরানের চোখের কোণায় ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ইমরান ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কালা লক্ষ্মীপুর গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে। ইমরানের পিতা শরিফুল ইসলাম জানান, গত ২৩ মার্চ ইমরান স্কুলে বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আসলাম খানের ক্লাসে উপস্থিত ছিল। ইমরানকে পড়া ধরলে সে পড়া না পারায় ক্ষিপ্ত হয়ে আসলাম খান ঐ ছাত্রকে লক্ষ্য করে ডাষ্টার ছুড়ে মারে। ডাষ্টারটি দিয়ে তার বাম চোখে আঘাত লাগে। তাৎক্ষণিকভাবে চোখটি ফুলে যায়। এরপর তার বাবা ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়। ডাক্তার জানায় চোখটি ভাল হতে সময় লাগবে এবং সারাজীবন সমস্যা হবে বলেও জানান। উল্লেখ্য গত বৎসর শিক্ষক আসলাম খান দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র পারভেজকে বেত দিয়ে আঘাত করলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। প্রধান শিক্ষক আলী আকবর স্কুলের ফান্ড থেকে ঐ ছাত্রের চিকিৎসা ব্যয়ভার বহন করেন। একই বৎসরের ৭ সেপ্টম্বর তারিখে এই গ্রমের নজরুল ইসলামের ছেলে মাহীকে বেত দিয়ে আঘাত করলে সেও অসুস্থ হয়ে পড়ে। একইভাবে শরিফুলের ছেলে সামীকেও আঘাত করেন ওই শিক্ষক। এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক আলী আকবরের সাথে কথা হলে তিনি জানান, ইমরান ছেলেটি খুবই দুষ্ট। একটু আঘাত লেগেছিল। তবে বর্তমানে সুস্থ। শিশুদের সঙ্গে নির্দয় ব্যবহারকারী শিক্ষক আসলাম খানকে শাস্তি দিতে এলাকার অভিভাবকরা জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি কামনা করেছেন।এমজেড/পিআর