নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার দেওভোগে হৃদয় ওরফে বাবু হত্যার দায় স্বীকার করেছেন ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সেলিম (২৭)। বাবুর কিলিং মিশনে ছিল শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী হাসানের নেতৃত্বে ১৫ জন মাদক ব্যবসায়ী।সোমবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল মহসীনের আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন কিলিং মিশনে অংশ নেয়া ঘাতক মোহাম্মদ সেলিম। এর আগে সোমবার ভোরে ফতুল্লা মডেল থানার দেওভোগ মাদরাসা এলাকা থেকে সেলিমকে গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি টিম। গ্রেফতারকৃত মোহাম্মদ সেলিম (২৭) ফতুল্লা থানার দেওভোগ মাদরাসা এলাকার মৃত. হানিফ মিয়ার ছেলে।নারায়নগঞ্জ কোট পুলিশের পরিদর্শক সোহেল আলম স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।জবানবন্দীতে সেলিম আদালতকে জানান, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মিনু রাসেল ও হাসান বাহিনীর দ্বন্দ্বে জের ধরে মিনু রাসেলকে কৌশলে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করায় হাসান। পরে মিনু রাসেলের ভাই হৃদয় ওরফে বাবুকে হত্যা করে হাসানসহ তার বাহিনীর ১৫ জন মাদক বিক্রিতা।ডিবি উপ-পরিদর্শক (এসআই) মফিজুল ইসলাম জানান, বাবু হত্যা মামলার আসামি মোহাম্মদ সেলিমকে গ্রেফতারের পরে সেলিম হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দী দিয়েছেন। আর যারা এ হত্যার সঙ্গে জড়িত তাদের নাম প্রকাশ করেছে তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।প্রসঙ্গত, মাদক ব্যবসার বিরোধের জের ধরে বাবুকে হত্যা করে হাসান বাহিনী। গত ১০ নভেম্বর বাবুকে হত্যার পরদিন হাসানকে প্রধান আসামি করে আরও ১১ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৮/১০ জনকে আসামি করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন নিহত বাবুর বড় ভাই মাহমুদুল ইসলাম সুজন।শাহাদৎ হোসেন/এআরএ/পিআর