মাদারীপুরে সাংবাদিক আমির সোহেলের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কর্মীরা। হামলায় গুরুতর আহত সোহেলকে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে।
আহত আমির সোহেল দৈনিক ‘মাদারীপুর সংবাদ’র কালকিনি প্রতিনিধি ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্য এবং সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের সম্মান শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও আহত সূত্রে জানা গেছে, আমির সোহেল সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের হোস্টেলে থাকে। হঠাৎ সোমবার বিকেলে কালকিনি কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য মো. নাঈম হোসেন বেপারী তার দলবল নিয়ে হোস্টেলে যায়।
তারা স্থানীয় সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম কালকিনি আসবেন বলে হোস্টেলের ছাত্রদের মিছিলে ডাকে। এসময় আমির সোহেল মিছিলে যাওয়ার কথা বলে। তিনি যেতে অস্বীকার করলে সোমবার তাকে হুমকি দেয়া হয়। এরপর মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় কলেজ থেকে বের হলে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়।
খবর পেয়ে কালকিনি প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সাংবাদিকরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এরপর বিকেলে নাঈম হোসেন বেপারীকে প্রধান করে তিনজনসহ ও অজ্ঞাত সাতজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়। মামলা নং- ২০, তারিখ-২১-০৩-২০১৭ইং।
কলেজ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক পলাশ বেপারীর কাছে সাংবাদিক মারধরের বিষয় জানতে চাইলে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
সাংবাদিক আমির সোহেল বলেন, সংসদ সদস্য আসবেন বলে তারা আমাকে মিছিলে নিতে চায়। আমি যেতে চাইনি বলে তারা আমাকে মারধর করেছে।
কালকিনি প্রেসক্লাবের সভাপতি এইচএম মিলন বলেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাংবাদিককে মারধর করা অযৌক্তিক। আমরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
কালকিনি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্দু বালা বলেন, সাংবাদিক মারধর করার বিষয়ে থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছে। সেটি এজাহারভুক্ত করা হয়েছে।
কেএম নাসির উদ্দিন/এমএস