দেশের উত্তর পূর্ব হাওরাঞ্চলে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও দাম নিয়ে শঙ্কিত আছেন কৃষকরা। আর এর কারণ হিসেবে তারা ভারতীয় চাল আদানিকেই দায়ী করছেন।এদিকে ধান-চালের সবচেয়ে বড় মোকাম হিসেবে পরিচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ। নৌপথে যোগাযোগের সুব্যবস্থা থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ পার্শ্ববর্তী নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার জেলার হাওরাঞ্চলে উৎপাদিত প্রায় ৯০ শতাংশ ধানই বেচাকেনা হয় আশুগঞ্জ মোকামে।কৃষকরা জানান, বর্তমান বাজারে বোরো ধান মোটা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা আর চিকন বোরো ধান সাড়ে ৪শ’ থেকে ৫শ ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু প্রতি মণ ধান উৎপাদনে তাদের খরচ হয়েছে সাড়ে ৫শ থেকে ৬শ’ টাকা। এর ফলে প্রতি মণ ধানে তাদের লোকসান গুনতে হচ্ছে প্রায় দেড়`শ থেকে ২শ টাকা। তবে এ অবস্থা চলতে থাকলে দেশের কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হবে এবং ধান উৎপাদনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবেন তারা।আশুগঞ্জ আড়তদার সমিতির সহ-সভাপতি শাহজাহান সিরাজ জানান, দাম কম হওয়ায় বর্তমানে বাজার ভারতীয় চালে সয়লাব। এর ফলে মিল মালিকরা অধিক দাম দিয়ে কৃষকদের কাছ থেকে দেশীয় ধান কিনতে আগ্রহী না হওয়ায় লোকসানের মুখে পড়ছেন সাধারণ কৃষকরা।এ ব্যাপারে জেলা চাতালকল মালিক সমিতির সভাপতি হাজী মো. জিয়াউল করিম খান বলেন, ভারতীয় চাল আমদানি বন্ধ করে সরকার বেশি করে দেশীয় উৎপাদিত ধান-চাল ক্রয় করলে কৃষক এবং মিল মালিক উভয়ই লাভবান হবে।এসএস/আরআই