দেশজুড়ে

সুন্দরবনে বন্দুকযুদ্ধে মেজো বাহিনীর উপপ্রধান নিহত

বাগেরহাটের সুন্দরবনের নন্দবালা খাল এলাকায় র‌্যাব-৮ এর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে বনদস্যু মেজ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড আলমগীরসহ (৩৫) দুই বনদস্যু নিহত হয়েছেন। এসময় ১৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১শ` রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে র্যাব। রোববার সকালে সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের নন্দবালা খাল এলাকায় আধা ঘণ্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধ চলাকালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। বন্দুকযুদ্ধে নিহত অপর বনদস্যুর নাম রিপন (৩০) বলে জানায় র‌্যাব।র‌্যাব-৮ এর উপঅধিনায়ক মেজর আদনান কবীর জানান, সুন্দরবনের বনদস্যু মেজ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড বনদস্যু আলমীর ও তার সহযোগীরা দস্যুতার জন্য চাঁদপাই রেঞ্জের নন্দবালা খাল এলাকায় অবস্থান করছেন এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব সেখানে অভিযানে যায়। রোববার ভোর ৫টা ১০ মিনিটে সুন্দরবনের নন্দবালা খাল এলাকায় র্যাব সদস্যরা পৌঁছলে বনদস্যুরা র‌্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে গুলি ছুড়তে থাকেন। এসময় র‌্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছোড়ে। উভয় পক্ষের মধ্যে আধা ঘণ্টাব্যাপী গুলি বিনিময়ের একপর্যায়ে বনদস্যুরা টিকতে না পেরে পিছু হটে বনের গহীনে পালিয়ে যান। পরে র‌্যাব সদস্যরা বনের অভ্যন্তরে গুলিবিদ্ধ দুই বনদস্যুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তারা ওই এলাকায় দস্যুদের আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে ১টি শ্যুটার গান, ২টি রাইফেল, ১০টি দেশি ও বিদেশি বন্দুক ও ১শ` রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে। র‌্যাব জানায়, বনদস্যুদের সঙ্গে তাদের প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধ হয়। বন্দুকযুদ্ধের সময়ে ক্রসফায়ারে পড়ে নিহত বনদস্যুর মধ্যে সুন্দরবনের ত্রাস মেজবাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড আলমগীর (৩৫) ও রিপন (৩০)বলে র‌্যাব দাবি করেছে। এই বাহিনীর প্রধান মাইঝ্যা (মেজ) নিজ নামে বাহিনী গঠন করে দলের সদস্যদের নিয়ে গত পাঁচ মাস ধরে পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের হারবাড়িয়া, ফেয়ারওয়ে বয়া এবং নন্দবালা খাল এলাকায় সুন্দরবনে আসা জেলে, বাওয়ালী ও মৌয়ালদের মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণ করে চাঁদা আদায় করে আসছিলেন। নিহতদের মরদেহ বাগেরহাটের মংলা থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে। শওকত আলী বাবু/এমজেড/এমএস