আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেছেন, এখনও অসংখ্য অভিবাসী অসহায়ের মতো সমুদ্রে ভাসছে। এসব অসহায় মানুষ যে কোনো সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে পারে। কোনো দেশ তাদের আশ্রয় দিচ্ছে না, মানুষ হিসেবে আমাদের যে জবাবদিহিতা সেখানে আমরা কিভাবে বলবো যে আমরা আসলে একটা মনুষ্য সমাজে বসবাস করছি।রোববার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার ফোরাম ও আস বাংলাদেশ আয়োজিত মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও আমাদের করণীয় শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।পহেলা বৈশাখে ঢাকায় ছাত্রীদের উপর যৌন অশালীন আচারণের বিষয়ে উল্লেখ্য করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে থাকে তখন তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ওই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীর ওপর যদি অত্যাচার, নির্যাতন ও নিপীড়ন হয়ে থাকে তাহলে সেই দায় দায়িত্ব ওই প্রতিষ্ঠানকে নিতে হবে। তারা কখনও দায় এড়াতে পারে না। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানি বন্ধে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যৌন হয়রানি বন্ধে প্রতিষ্ঠানে কর্তৃপক্ষকে সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।সুন্দরবন বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ। সুন্দরবন আমাদের প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষা করছে। তাই সুন্দরবনকে বাঁচাতে সরকার যে কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে আমরা এখনো তার বিরোধিতা করছি।বাগেরহাট প্রেসক্লাবে মীর জুলফিকার আলী লুলু অডিটরিয়ামে আস বাংলাদেশ বাগেরহাট জেলার নির্বাহী পরিচালক মো. কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার ফোরাম ও আস বাংলাদেশ আয়োজিত এ মতবিনিময় সভা অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অধ্যাপক মোজাফ্ফর হোসেন, অ্যাড. সুপ্রিয় চক্রবর্ত্তি, টিপু সুলতান প্রমুখ।শওকত আলী বাবু/এআরএ/আরআইপি