ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩৬ তম সিন্ডিকেট সভায় কর্মকর্তাদের চাকরির বয়সসীমা ৬২ থেকে কমিয়ে ৬০ বছর করায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা।
এ নিয়ে তাদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সুষ্টি হয়েছে বলে জানা যায়। এমনকি যেকোন সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলনেও যেতে পারে বলেও জানা যায়।
পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি শেষে এ আন্দোলন শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি শামছুল ইসলাম জোহা।
ক্যম্পাস সূত্রে জানা যায়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের চাকরির বয়সসীমা ৬২ বছর থেকে না কমানো এবং ক্যাম্পাসের কর্মঘণ্টা সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত করাসহ বিভিন্ন দাবি জানিয়ে আসছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতি।
তবে গত মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩৬তম সিন্ডিকেটে এসকল দাবি নাকোচ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। দাবি না মানায় কর্মকর্তাদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ঈদের ছুটি শেষে কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সভার সিদ্ধান্তের আলোকে প্রশাসনের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনে যাবে বলে সমিতির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
বুধবার কর্মকর্তা সমিতির কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তাদের এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে আন্দোলনে যাওয়ারও হুমকি দেন তারা।
কর্মকর্তারা জানান, গত বছরের ৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটে বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি থেকে অবসরের বয়সসীমা ৬০ থেকে ৬২ বছর উন্নীত করা হয়। তবে বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হাকিম সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত বাতিল করে দেন।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের অনুমোদন না থাকায় মঙ্গলবার ২৩৬তম সিন্ডিকেটে চাকরির বয়সসীমা কমিয়ে দিয়েছেন বলে জানা যায়।
ফেরদাউসুর রহমান সোহাগ/এএম/এমএস