অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলায় যশোরের চৌগাছার দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী শামিম কবিরের ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার যশোরের স্পেশাল জজ (জেলা জজ) ও স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা এ রায় দেন।
সরকার পক্ষে মামলাটি পরিচালনাকারী স্পেশাল পিপি এসএম বদরুজ্জামান পলাশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত শামিম চৌগাছার জাহাঙ্গীরপুর গ্রামের শামসুল হক মাস্টারের ছেলে। বহু দিন ধরে তিনি ভারতে পলাতক রয়েছেন বলে পুলিশ ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, র্যাব-৬ যশোর ক্যাম্পের সদস্যরা ২০০৯ সালের ৩০ আগস্ট গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে উপজেলার বেড় গোবিন্দপুর বাঁওড় এলাকা থেকে শামিমকে আটক করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী জামতলার ডাইনের বিলের মিজানের অফিস রুম থেকে দুটি শাটারগান ও তিন রাউন্ড রাইফেলের গুলি উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে র্যাব অস্ত্র আইনে চৌগাছা থানায় একটি মামলা করে।
এই মামলা তদন্ত শেষে ওই বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর শামিমকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেয়া হয়। দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি শামিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় অস্ত্র রাখার দায়ে ১০ বছর এবং গুলি রাখার দায়ে তাকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। দুই সাজা একই সঙ্গে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করেছেন বিচারক।
চৌগাছা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শামীম আহম্মেদ জানান, চৌগাছার শামিম একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তিনি জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জিল্লুর রহমান মিন্টু খুনের এজাহারভুক্ত আসামি। এছাড়া অস্ত্রবাজি, চাঁদাবাজিসহ অনেক মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
মিলন রহমান/আরএআর/জেআইএম