সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ঘরের চাল উঠানোকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের ঝগড়ার এক পর্যায়ে ইটের আঘাতে শিশু তৈয়বুর রহমান (১০) নিহত হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে খুলনা সার্জিক্যাল হাসপাতালে নেয়ার পথে শিশুটি মারা যায়। এ ঘটনায় পুলিশ দুই নারীকে আটক করেছে।
নিহত তৈয়বুর রহমান আশাশুনি উপজেলার পূর্ব নাকনা গ্রামের আব্দুল গণি পাড়ের ছেলে।
আটকরা হলেন- পূর্বনাকনা গ্রামের খলিল পাড়ের স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন ও ছেলে ইয়াসিন পাড়ের স্ত্রী নার্গিস খাতুন।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, পূর্ব নাকনা গ্রামের দুই ভাই আব্দুল গণি পাড় ও আব্দুল খলিল পাড়ের মধ্যে ঘরের চাল উঠানোকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে খলিল ও তার দুই ছেলে মহাসিন ও ইয়াসিন একপর্যায়ে গণি পাড়কে লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে। তাদের ছোড়া একটি ইট ঘরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা গণি পাড়ের শিশু ছেলে তৈয়বুরের মাথায় লাগে। এতে মাথা ফেটে গিয়ে সে গুরুতর আহত হয়।
এরপর তাকে আহত অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। পরে তাকে খুলনা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। এরপর সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে সেখানকার ডাক্তাররা তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেয়ার পরামর্শ দেন। শুক্রবার দুপুরে শিশুটিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে খুলনা সার্জিক্যাল হাসপাতালে নেয়ার পথেই সে মারা যায়।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় ইতিমধ্যে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
আকরামুল ইসলাম/আরএআর/পিআর