আজকের জোকস : প্রেমিককে সারাজীবন কষ্ট দেয়ার উপায়

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:০৫ পিএম, ০৬ জানুয়ারি ২০১৯

প্রেমিককে সারাজীবন কষ্ট দেয়ার উপায়
একবার এক মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে ঝগড়া করে চুপচাপ বসে ছিল। ঠিক তখনই তার পাশ দিয়ে ইচ্ছা পূরণের দেবতা যাচ্ছিল। মেয়েটিকে দেখে তার মায়া হলো। কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল-
দেবতা: কি হয়েছে মা তোমার, আমি ইচ্ছা পূরণের দেবতা। আমি তোমার একটা ইচ্ছা পূরণ করতে পারবো। বলো কি চাও তুমি?
মেয়ে: বাবা, আমি আমার বয়ফ্রেন্ডকে খুন করতে চাই।
দেবতা: এই পিস্তল দিয়ে তুমি তোমার বয়ফ্রেন্ডকে মেরে আসো, ১ মিনিটের মধ্যে সে মারা যাবে।
মেয়ে: না, আমি আমার বয়ফ্রেন্ডকে এতো সহজ মৃত্যু দিতে চাই না, ওকে কষ্ট দিয়ে মারতে চাই।
দেবতা: এই নাও রশি, ওকে তুমি গলায় ফাঁসি দিয়ে মেরে ফেলো। ও কষ্ট পেতে পেতে ৫ মিনিটের মধ্যে মারা যাবে।
মেয়ে: না বাবা, আমি এমনভাবে কষ্ট দিতে চাই যাতে ও মরবেও না আর সারাজীবন কষ্ট পেতে থাকবে।
দেবতা: তাইলে তুমি ওকে বিয়ে করে ফেলো!

****

জন্মদিনে বয়স গুনে ফুলের তোড়া
এক ছেলে তার প্রেমিকার জন্মদিনে দেশে থাকবে না। তাই সে তার প্রেমিকার জন্য কিছু ফুলের তোড়া অর্ডার দিয়ে বলল জন্মদিনের দিন পাঠিয়ে দিতে। তোড়াগুলো যথারীতি পাঠানো হলো। কিন্তু এরপর তাদের সম্পর্ক আর টিকলো না।

কারণ জন্মদিনে প্রেমিকার বয়স যত বছর, ততগুলো ফুলের তোড়া পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু যে দোকানে অর্ডার দেয়া হয়েছিল তার মালিক ছিল এক মহিলা। সেই মহিলারা তার দোকান থেকে একসাথে এতগুলো ফুলের তোড়া নেওয়ায় খুশি হয়ে ১০টি ফুলের তোড়া ফ্রি দিয়ে মোট ৩৪টি তোড়া পাঠালেন।

****

বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ স্ত্রী
স্বামীর অবর্তমানে স্ত্রী তার বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সময় কাটাচ্ছিল। স্বামীর অপ্রত্যাশিত আগমন টের পেয়ে সবকিছু দ্রুত সামলে নিল সে। বয়ফ্রেন্ডের গায়ে লোশন মেখে পাউডার ছিটিয়ে দিয়ে ঘরের এক কোণে দাঁড় করিয়ে বলল, ‘তুমি এখন একটা স্ট্যাচু, একটুও নড়বে না, বুঝতে পেরেছ?’

বয়ফ্রেন্ড স্ট্যাচু হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। ঘরে ঢুকে স্বামী নতুন স্ট্যাচু দেখে খুব খুশি হলো। স্ত্রী এত সস্তায় এত সুন্দর একটা স্ট্যাচু কিনে এনেছে বলে ধন্যবাদ দিল।

গভীর রাতে স্ত্রী ঘুমিয়ে পড়লে স্বামী বিছানা ছেড়ে নামল। ফ্রিজ খুলে এক পিস কেক নিয়ে স্ট্যাচুর সামনে গিয়ে দাঁড়াল। বলল, ‘কেকটুকু খেয়ে নাও। আমিও আমার গার্লফ্রেন্ডের বাসায় এভাবে তিন দিন দাঁড়িয়ে ছিলাম, কেউ কিছু খেতে দেয়নি।’

এসইউ/পিআর

আপনার মতামত লিখুন :