পদে না থেকেও ছাত্রলীগের প্যাড ব্যবহার করে চাঁদা দাবির প্রতিবাদ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০৭:১২ পিএম, ২৪ জুন ২০২০

চাঁদা না পেয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) মেরিন সায়েন্স অনুষদ ভবনে ভাঙচুর চালিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ ও শ্রমিকদের মারধরের ঘটনাকে ভিত্তিহীন দাবি করেছেন অভিযুক্ত শাখা ছাত্রলীগের সাবেক পাঁচ নেতা। একই সঙ্গে চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানান তারা।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে উপাচার্য বরাবর এক প্রতিবাদ লিপিতে তারা এসব কথা জানান।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের প্যাডে সাবেক সহ-সভাপতি মনসুর আলম, আবদুল মালেক, আল আমিন রিমন, সুমন নাছির ও ছাত্রলীগ নেতা প্রদীপ চক্রবর্তী দুর্জয় স্বাক্ষরিত প্রতিবাদ লিপিতে বলা হয়, গত ২৩ জুন রেজিস্ট্রার দফতর ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারেন তাদের বিরুদ্ধে সমুদ্র বিজ্ঞান ভবনের নির্মাণকাজে বাধা-ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ আনা হয়। যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও অপপ্রচার।

এ ঘটনায় ভাঙচুরের কোনো ভিডিও নেই দাবি করে তারা বলেন, মূলত স্বাস্থ্যবিধি না মেনে শ্রমিকদের আনা-নেয়া, সন্ধ্যার পর বহিরাগতদের জুয়ার আড্ডা ও মাদকের আসর বন্ধের জোর দাবি জানালে ওই ভিডিও ফুটেজ প্রচার করে আমাদের সম্মানহানি ও অপপ্রচার করা হয়। একই সঙ্গে অভিযোগকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক নাঈম উল ইসলামকে ছাত্রলীগ বিদ্বেষী, মৌলবাদী ও দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হিসেবেও আখ্যা দেন ছাত্রলীগ নেতারা।

এদিকে, বর্তমানে শাখা ছাত্রলীগের কোনো পদে না থেকেও সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর ব্যতীত অফিসিয়াল প্যাড ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যা নিয়মবহির্ভূত।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেল জাগো নিউজকে বলেন, তারা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা। হয়তো সে কারণে দিতে পারে প্যাড। যদিও আমি তা এখনও দেখেনি।

এমন প্যাড দেয়ার এখতিয়ার তাদের আছে কি-না জানতে চাইলে রুবেল বলেন, আমার জানামতে হয়তো দেয়ার নিয়ম নেই। তারপরও বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক প্রক্টর এসএম মনিরুল হাসান বলেন, ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা একটি প্রতিবাদলিপি দিয়েছে। বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে যাচাই করা হবে।

আবদুল্লাহ রাকীব/এএম/পিআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]