৩০ লাখ টাকার ব্যবস্থা হলে বেঁচে যাবেন আনাস

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০৪:৩৭ পিএম, ০৯ জুন ২০২১ | আপডেট: ০৫:০১ পিএম, ০৯ জুন ২০২১

এক বছরের বেশি সময় ধরে অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া নামক দুরারোগ্য ব্যাধিতে ভুগছেন কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র আনাস ফারুক। শরীরে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়ায় এ পর্যন্ত ৩৯ ব্যাগ রক্ত (এ পজিটিভ) তার শরীরে দেয়া হয়েছে। এ দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুক্তি পেতে তার উন্নত চিকিৎসায় ৩০ লাখ টাকা প্রয়োজন।

আনাস ফারুকের বাড়ি দিনাজপুর সদরের মুরাদপুর গ্রামে। তার বাবা একজন কৃষক। গত এক বছরে ছেলের চিকিৎসা বাবদ সাড়ে চার লক্ষাধিক টাকা গুনতে হয়েছে তার। নিজের জমিটুকুও বিক্রি করেছেন সন্তানের চিকিৎসার জন্য। এরপরও বর্তমানে দেড় লক্ষাধিক টাকা ঋণী তিনি। একদিকে ঋণের বোঝা, অন্যদিকে ছেলের শারীরিক অবস্থার অবনতি ও চিকিৎসা ব্যয়ের চিন্তায় তিনিও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন আনাস।

আনাস জানান, করোনার শুরুতে তার শরীরে এ রোগ ধরা পড়ে। তখন রংপুর মেডিকেল ও দিনাজপুর শহরে চিকিৎসক দেখান। অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি বরং দিন দিন শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছে। শরীরে নিয়মিত রক্ত না দিলে মাথাঘোরা, দুর্বলভাব, ঠোঁট, জিহ্বা, চোখের মণি এবং কণ্ঠনালীতে রক্ত জমাট বাঁধে। আবার রক্ত দিলেও কিছুদিনের মধ্যে তা ড্যামেজ হয়ে যায়, অর্থাৎ রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরি হয় না। শরীরে রক্ত না থাকলে চোখ বন্ধ হয়ে যায়। চোখ ও কাশির সঙ্গে রক্ত বের হয়। শরীরে ব্যথা, কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে, কথা বলতে কষ্ট হয়।

চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। চিকিৎসক বলেছেন, আনাসের মেরুদণ্ডের হাড় ট্রান্সফার করা প্রয়োজন। এজন্য চিকিৎসা বাবদ ২০ লাখ টাকা খরচ হবে। কিন্তু এতো টাকা জোগাড় করতে না পেরে আনাস স্থানীয় হোমিও চিকিৎসা করাচ্ছেন ও শরীরে নিয়মিত নিচ্ছেন। মেরুদণ্ডের হাড় ট্রান্সফার, ঋণ থেকে মুক্তি, চিকিৎসা ব্যয়, ওষুধপত্র কেনা ও ভারত যাতায়াতসহ সব মিলিয়ে এখন ৩০ লাখ টাকা প্রয়োজন আনাসের।

আনাস ফারুক জাগো নিউজেক বলেন, ‘অসুস্থতার শুরুর দিকে চিকিৎসক আমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মাদ্রাজে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তখন চিকিৎসা করালে অবস্থার এতো অবনতি ঘটতো না। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ পেতে হলে সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা প্রয়োজন। আমি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাই।’

আনাসকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করা যাবে- হিসাব নম্বর (মো. আনাস ফারুক) ০২০০০১৬৩৫৩৩২৬, অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড, মালদহ পট্টি শাখা, দিনাজপুর।

বিকাশ (পার্সোনাল) ০১৭৮৩-২০০২৮৫ এবং রকেট (পার্সোনাল) ০১৭৮৩-২০০২৮৫৫।

রায়হান মাহবুব/এসআর/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]