প্রশিক্ষকের অভাবে নষ্ট হচ্ছে কুবি ব্যায়ামাগারের যন্ত্রাংশ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক কুবি
প্রকাশিত: ০৪:০২ পিএম, ১৫ অক্টোবর ২০২১

উদ্বোধনের দুই বছর পরও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ব্যায়ামাগারে নেই প্রশিক্ষক। ফলে শিক্ষার্থীরা সঠিকভাবে ব্যায়ামাগারের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে না পারায় নষ্ট হচ্ছে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার যন্ত্রপাতি। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের পাশে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যায়ামাগার উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী। তবে সম্প্রতি সেটা ক্যাফেটেরিয়ার দ্বিতীয় তলায় স্থানান্তর করা হয়। ব্যায়ামাগারের জন্য চার লাখ ৭০ হাজার ৬৭৪ টাকা ব্যয়ে ১৮ ধরনের অন্তত ২৮টি যন্ত্র কেনা হয়। ব্যায়ামাগারে কোনো প্রশিক্ষক না থাকায় এর সুফল ভোগ করতে পাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ব্যায়ামাগার দেখভালের জন্য নির্দিষ্টভাবে দায়িত্বরত কেউ না থাকায় প্রায়ই সময় বন্ধ থাকে এটি। ফলে ফিরে আসতে শিক্ষার্থীদের। দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় অকেজো হয়ে পড়েছে বিভিন্ন যন্ত্র।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ব্যায়ামাগারের তিনটি যন্ত্র অকেজো হয়ে গেছে। যেগুলোর দাম প্রায় ৭০ হাজার টাকা। এছাড়া একটা ওজন মেশিন হারিয়ে গিয়েছে। তবে কীভাবে হারিয়েছে তা জানে না দায়িত্বপ্রাপ্ত এ দপ্তর।

jagonews24

একাউন্টিং বিভাগের শিক্ষার্থী শিহাব উদ্দিন বলেন, প্রায় সকাল বেলায় ব্যায়ামাগার বন্ধ থাকে। কার হাতে চাবি থাকে সেটা জানি না। কোনে প্রশিক্ষক বা লোক না থাকায় এর সঠিক নিয়মকানুনও জানি না আমরা। নিয়ম না জেনে শারীরিক অনুশীলন করলে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

শারীরিক শিক্ষা বিভাগের সহকারী পরিচালক মনিরুল আলম বলেন, আমার কাছে ব্যায়ামাগারের একটি চাবি আছে। শিক্ষার্থীরা প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়ে যায় এবং পরে জমা দেয়। যন্ত্রাংশের সঠিক ব্যবহার না হওয়ায় তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যায়ামাগারের জন্য কোনো পদ নাই। যার ফলে আমরা চাইলেই একজন লোক নিয়োগ দিতে পারি না। তবে আমরা ইউজিসির কাছে আবেদন করব যাতে ব্যায়ামাগারে একজন প্রশিক্ষকের পদ দেওয়া হয়।

একই কথা বলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী। তিনি বলেন, ব্যায়ামাগারে প্রশিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। ব্যায়ামাগার প্রশিক্ষক পদের জন্য শিগগিরই আমরা ইউজিসি বরাবর আবেদন করব।

আরএইচ/এএসএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]