বশেফমুবিপ্রবিতে সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী মানববন্ধন

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বশেফমুবিপ্রবি, জামালপুর
প্রকাশিত: ০৯:০৭ পিএম, ২৩ অক্টোবর ২০২১

দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে জামালপুরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেফমুবিপ্রবি) মানববন্ধন হয়েছে।

শনিবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন সড়কে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এর আগে দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে উপাচার্য প্রফেসর ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে একটি সম্প্রীতি শোভাযাত্রা বের হয়। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে গিয়ে শেষ হয়।

মানববন্ধনে উপাচার্য ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের প্রথম পরিচয় আমরা বাঙালি। তার পরের পরিচয় আমরা কে কোন ধর্মের। সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রব্যবস্থার শিকল ভেঙে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানসহ নানা ধর্ম-বর্ণের মানুষের মিলিত রক্তস্রোতে অর্জিত বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা অসাম্প্রদায়িকতার অনন্য প্রতীক। কিন্তু যারা এই হাজার বছরের সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতিকে নষ্ট করার পায়তারা করছে, তাদের খুঁজে বের করে এমন শাস্তি দেওয়া হোক, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ করার সাহস আর কেউ না পায়।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যাবে, মানুষে মানুষে হিংসা ছড়িয়ে দিতে কিছু সুবিধাবাদী সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে বেছে নিয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে, ধর্মবিশ্বাস আর সাম্প্রদায়িকতা এক বিষয় নয়, সাম্প্রদায়িকতা সুবিধাবাদীদের হাতিয়ার।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. এএইচএম মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন- বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সুশান্ত কুমার ভট্টাচার্য, রেজিস্ট্রার খন্দকার হামিদুর রহমান, সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক ড. মাহমুদুল আলম, গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ শাহজালাল, ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক এসএম ইউসুফ আলী, ফিশারিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক ড. আব্দুছ ছাত্তার প্রমুখ।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রহিম, উপ-রেজিস্ট্রার মো. মহিউদ্দিন মোল্লা, অর্থ ও হিসাব বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আবদুল জলিল মিয়াসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এমএইচআর

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]