জাবিতে শীতের পিঠা খাওয়ার ধুম

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশিত: ০৮:১০ পিএম, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১

শীতকে কেন্দ্র করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) পিঠা তৈরির ধুম পড়েছে। বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা গড়াতেই ক্যাম্পাসে অস্থায়ী পিঠা তৈরির দোকানগুলোতে ভিড় জমে যায়। এসব অস্থায়ী পিঠার দোকানের বেশিরভাগ ক্রেতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হলেও ঢাকার আশপাশ থেকে প্রতিদিন অনেক দর্শনার্থী আসেন ক্যাম্পাসে। তারাও শীতের পিঠার স্বাদ নিতে ভোলেন না।

এসব ছোট ছোট পিঠার দোকানে পাওয়া যায় মাটির চুলায় বানানো ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, ডিম চিতই, মাংসের পিঠা, পুলি পিঠা, পাটিসাপটা, তেলের পিঠা, জামাই পিঠা, সঙ্গে বেশ কয়েক ধরনের মজাদার ঝালের পিঠাও আছে।

আগে পিঠা চত্বর থাকলেও এখন আর নেই। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ডজনখানেক পিঠার অস্থায়ী দোকান গড়ে উঠেছে। পরিবহন চত্বর, মুরাদ চত্বর, ছবি চত্বর, অমর একুশের পাশে, টার্জান পয়েন্ট, বটতলা, আলবেরুনি হল, প্রীতিলতা ও শেখ হাসিনা হলের সামনে বসে পিঠার দোকানগুলো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বরে পিঠা বিক্রি করেন হনুপা বেগম (৫০)। তার কাজে সাহায্য করেন স্বামী ও ছেলে। তিনি বলেন, ‘করোনার দিনগুলো অনেক কষ্টে কেটেছে। এখন প্রতিদিন পিঠা বিক্রি করে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা ইনকাম করি। এই আয় দিয়েই সংসার চালাই।’

তিনি আরও বলেন, আগের দ্রব্যমূল্যের দাম কম থাকায় লাভ বেশি হয়তো। এখন পিঠা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম অনেক বেশি। তাই আয়ও কমে গেছে আমাদের।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফাবিহা বিনতে হক বলেন, শীতকালে জাহাঙ্গীরনগরের পরিযায়ী পাখির মতোই অন্যতম আকর্ষণ পিঠাপুলি। হলের গেট থেকে শুরু করে মুরাদ চত্বর, মুরগি চত্বর, ট্রান্সপোর্ট সবখানেই টিমটিমে আগুনের হল্কা দেখতে পাওয়া যায়। সেখানে বানানো হয় ভাপা, চিতই, পাটিসাপটার মতো মজাদার পিঠা। এখানকার পিঠার স্বাদ ঘরে বানানো পিঠার থেকে কোনো অংশে কম নয়।

এসআর/জেআইএম

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]