‘শেখ হাসিনার ফেরার মাধ্যমে ইতিহাসের পুনর্নির্মাণ হয়েছে’

ক্যাম্পাস প্রতিবেদক
ক্যাম্পাস প্রতিবেদক ক্যাম্পাস প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:২৬ পিএম, ১৭ মে ২০২২

১৯৮১ সালের ১৭ মে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসের পুনর্নির্মাণ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামালপুরে অবস্থিত বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, পঁচাত্তরের পর দেশে যে অমানিশা নেমে এসেছিল শেখ হাসিনার ফেরার মধ্য দিয়ে তা কেটে যায়। আলোর বিচ্ছুরণ ঘটে। বাংলার মানুষ আবারও স্বপ্ন দেখে, ইতিহাসের পুনর্নির্মাণ হয়।

মঙ্গলবার (১৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উপাচার্য প্রফেসর ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে সোনার বাংলায় রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু ঘাতকের দল তা করতে দেয়নি। পিতার অসম্পূর্ণ স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে চলেছেন তার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। গত এক দশকে যে উন্নয়ন হয়েছে এক্ষেত্রে তার বিকল্প নেই। আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে তার হাত শক্তিশালী করতে হবে।

বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সুশান্ত কুমার ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে রেজিস্ট্রার খান মো. অলিয়ার রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এসএমএ হুরায়রা, ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান এস এম ইউসুফ আলী, ফিশারিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আব্দুস ছাত্তার, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান মো. রাশেদুল ইসলাম, সমাজকর্ম বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আল্ মামুন সরকার, গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান রিপন রায়, সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান মো. হুমায়ন কবির প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সমাজকর্ম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. এএইচএম মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় মির্জা আজম হলের তত্ত্বাবধায়ক ড. মোহাম্মদ সাদীকুর রহমান, বেগম নুরুন্নাহার হলের তত্ত্বাবধায়ক ড. মো. ফরহাদ আলী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মির্জা মো. আবদুল হালিম, সোহাগ সরকার প্রমুখ বক্তব্য দেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি একাডেমিক ভবন প্রদক্ষিণ করে মূল ফটকে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

বিএ/জিকেএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]