ঢামেকে ছাত্রলীগের সাবেক নেতার মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ সভা
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আসাদ রাজিবের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢামেক সভা কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সনাল বলেন, রাজিবের অকাল মৃত্যুতে ঢামেক রাজনীতিতে শূন্যতা তৈরি হয়েছে। তার মতো ভদ্র, সাহসী, সাংগঠনিক নেতা বেঁচে থাকলে ঢামেক রাজনীতি আজ আরও সমৃদ্ধ হতো। রাজিবের চেতনাকে ধারণ করে ঢামেক ছাত্রলীগকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান এই চিকিৎসক নেতা।
ঢামেক শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ন ইসলাম সুমনের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, ত্যাগী আদর্শবাদী আবুল কালাম আসাদ রাজিবেরা মরে না। ছাত্রলীগের আদর্শের প্রতিটি কণায় রয়েছে তাদের ত্যাগের মহিমা। উন্নত ও সমৃদ্ধময় দেশ গড়তে ছাত্রলীগের হাজার রাজিবেরা রক্ত দিতে প্রস্তুত রয়েছে। ছাত্রলীগ সব সময় ত্যাগী রাজিবদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। তাদের ত্যাগের মহিমায় রাষ্ট্র গড়ায় রাষ্ট্রকে সহযোগিতা করে থাকে।
প্রসঙ্গত ২০০৯ সালের ৩০ মার্চ রাত সাড়ে ১১টায় বহিরাগত সন্ত্রাসীরা ঢামেক শাখা ছাত্রলীগের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় ঢাকা মেডিকেল কলেজের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আসাদ রাজিবকে পিটিয়ে তিনতলা থেকে ফেলে দেয় তারা। ৩১ মার্চ ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রাজিব।
স্মরণ সভায় ওই ভয়াল রাতের বর্ণনা দেন ওই হামলায় আহত হয়ে ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া বর্তমান ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ডা. তোফাজ্জল হোসেন চয়ন। তিনি আবেগ তারিত হয়ে বলেন, রাজিব ভাই ডাবল স্টান্ড করা মেধাবী ছাত্র ছিলেন। আমাদের মতো তরুণ ছাত্রলীগ কর্মীদের আপন ভাইয়ের মতো ভালবাসতেন। দল যখন বিরোধী দলে তখন তিনি ঢামেক ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ৩১ মার্চ সুবিধাবাদি দুষ্কৃতকারীদের হামলায় শহীদ হন রাজিব ভাই।
স্মরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান লেমন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ইমরান খান, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হাসিবুল্লাহ বিপ্লব প্রমখ।
বিএ