না.গঞ্জে অটোরিকশা শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ


প্রকাশিত: ০৯:১৭ এএম, ০৯ জুন ২০১৬

যোগাযোগমন্ত্রীর ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাকে (ইজিবাইক) নিষিদ্ধ ঘোষণার প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে অটোরিকশা শ্রমিকরা বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছেন। এ সময় বিক্ষোভকারীরা পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত ফতুল্লা ডিআইটি মাঠ থেকে কয়েক হাজার শ্রমিক মিছিল বের করে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহরের চাষাড়া হয়ে ২নং রেলগেট হয়ে পুনরায় ফতুল্লায় এসে শেষ করেন। পরে তারা একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন।

মিছিলের নেতৃত্ব দেন নারায়ণগঞ্জ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা (ইজিবাইক) মালিক-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক আজিজুল হক জব্বার।

এদিকে কয়েকদিন ধরে যোগাযোগমন্ত্রীর নির্দেশে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধে পুলিশ কয়েক দফা গাড়ি ভাঙচুর চালায়। এমনকি বুধবার দুপুরে পুলিশ কোনো ঘোষণা ছাড়াই ফতুল্লার বিভিন্ন সড়কে প্রায় শতাধিক অটোরিকশা ভাঙচুর করে। আর তারই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার শ্রমিকরা রাজপথে নেমে আসেন।

জানা যায়, বিদ্যুতের ঘাটতিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে গত ৫ মে সড়ক ও মহাসড়কে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধের নিদেশ দেন যোগাযোগমন্ত্রী। সেই নির্দেশ মোতাবেক নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন সড়কে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা বন্ধে পুলিশ বিভিন্ন সড়কে অভিযান চালায়। এসময় পুলিশ কয়েক দফা গাড়ি ভাঙচুর করে।

সমাবেশে নারায়ণগঞ্জ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা (ইজিবাইক) মালিক-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক আজিজুল হক বলেন, শ্রমিকরা শান্তিপ্রিয় লোক। তারা কোনো ঝামেলা সৃষ্টি করতে চায় না। পবিত্র রমজান মাসে পুলিশ শ্রমিকদের পেটে লাথি মারতে চাইছে। আর সামনে ঈদ। এই সময়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ করলে শ্রমিকরা পথে বসে যাবে। পুলিশ মানবতার চিন্তা করে শ্রমিকদের পেটে লাথি না মেরে গাড়ি চলাচলে যেন বাধা সৃষ্টি না করে।

ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল উদ্দিন জাগো নিউজকে জানান, অটোরিকশার কোনো বৈধতা নেই। এসব গাড়ির কোনো রেজিস্ট্রেশন নেই এবং তারা সরকারকে কোনো টেক্সও দেয় না। সরকারের নির্দেশ পালনে আমরা কোনো গাড়ি রাস্তায় চলাচল করতে দেব না।

শাহাদাত হোসেন/এফএ/এবিএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।