ট্রাফিক কনস্টেবলকে পেটাল যুবলীগ নেতা


প্রকাশিত: ১২:১৮ পিএম, ১০ জুন ২০১৬

তুচ্ছ ঘটনার জেরে দায়িত্বরত গাজীপুর ট্রাফিক বিভাগের এক কনস্ট্রেবলকে পিটিয়েছে স্থানীয় যুবলীগ নেতা। মারধরের শিকার ওই ট্রাফিক কনস্ট্রেবলের নাম রেজাউল করিম। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টঙ্গী স্টেশন রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত গাজীপুর মহানগর যুবলীগের ১১নং ওয়ার্ডের যুবলীগ নেতা আহমেদ সুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সুজনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

আটক সুজন জয়দেবপুর থানার চালনা এলাকার গুইতলা রোডের আবুল হোসেনের ছেলে এবং গাজীপুর মহানগর আওয়ামী যুবলীগের ১১নং ওয়ার্ডের নেতা।

গাজীপুর ট্রাফিক পুলিশ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টঙ্গী স্টেশন রোডে দায়িত্ব পালন করছিলেন ট্রাফিক কনস্ট্রেবল রেজাউল করিম। তিনি হাতের ইশারায় সিগন্যাল বন্ধ ও চালু করছিলেন। তিনি অন্য একটি সিগনাল চালু করার সময় তার পেছনের একটি সিগনাল বন্ধের ইশারা দেন। তার সিগন্যালে সব গাড়ি থেমে যায় কিন্তু সেই সিগন্যালে আটকা পড়েন ১১নং ওয়ার্ডের যুবলীগ নেতা আহমেদ সুজন (৩২)। এতে তার ‘সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে’ মর্মে গাড়ি থেকে বের হয়ে ট্রাফিক কনস্টেবল রেজাউলকে মারধর করতে থাকেন।

এসময় ওই নেতা বলেন “জানিস আমি কে ? আমার গাড়ি সিগন্যাল দিয়ে বন্ধ করেছিস” এই বলে আবারো মারধর করতে থাকে। পরে দায়িত্ব পালনরত অন্য পুলিশ কর্মকর্তারা যুবলীগ নেতা সুজনকে আটক করার জন্য এগিয়ে আসলে তিনি দৌঁড়ে গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায়। পরে গাড়িটি (ঢাকা মেট্রো-গ-৩৯-২১৯৮) চালকসহ আটক করা হয়।

সরকারি কাজে বাধা দেয়া ও মারধরের অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতেই কনস্ট্রেবল রেজাউল করিম বাদী হয়ে টঙ্গী থানায়  মামলা দায়ের করেন। এরপর বৃহস্পতিবার রাতেই অভিযান চালিয়ে যুবলীগ নেতা সুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

আমিনুল ইসলাম/এআরএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।