নিরাপত্তা ঝুঁকির প্রশ্নে সৈয়দপুর বিমানবন্দর

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নীলফামারী
প্রকাশিত: ০৮:০৬ এএম, ১২ জুন ২০১৬

নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরের পশ্চিম প্রান্তের সীমানা প্রাচীর ঘিরে সুড়ঙ্গপথ ও নিচু প্রাচীর টপটিয়ে বহিরাগতদের অবাধে বিচরণে নিরাপক্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে বিমানবন্দরটি।
 
সূত্র জানায়, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে অভ্যান্তরিণ সকল বিমানবন্দরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সে কারণে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরেও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এরমধ্যে রয়েছে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা (সিসি ক্যামেরা), যাত্রী তল্লাশীর জন্য মেটাল ডিটেক্টর, স্ক্যানার, পুলিশ, আনসার, এভিয়েশন কর্মী ও নিরাপত্তা টহল। কর্তৃপক্ষের দাবি, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা রয়েছে সৈয়দপুর বিমানবন্দর।
 
উত্তরের সৈয়দপুর বিমানবন্দরটি এখন যাত্রীদের ভিড়ে ঠাসা। প্রতিদিন সকাল, দুপুর ও বিকেলে ৬টি বিমান সৈয়দপুর-ঢাকা -সৈয়দপুর আকাশ পথে চলাচল করছে।

রোববার স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, সৈয়দপুর বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনের সামনে কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারী থাকলেও বিমানবন্দরের অভ্যন্তরের রানওয়েতে নিরাপত্তা বিধানে ভ্রুক্ষেপ নেই কর্তৃপক্ষের। নিচু সীমানা প্রাচীর, একাধিক ফাঁকা জায়গা ও সীমানা প্রাচীরের নিচে সুড়ঙ্গপথ বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকে বাধাগ্রস্ত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র মতে, বিমানবন্দরের সীমানা প্রাচীরের পশ্চিম অংশে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন অসংখ্য ফাঁক ও সুড়ঙ্গপথ ব্যবহার করে গরু-ছাগল ও বহিরাগত লোকজন অনায়াসে রানওয়েতে ঢুকে পড়ছে। ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

বিমানবন্দরের একটি সূত্র জানায়, রানওয়েতে অবাঞ্ছিত জনসমাগম কিংবা গরু-ছাগল বিচরণ করলে বিমানের উড্ডয়ন-অবতরণ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
 
তবে সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক শাহিন আহম্মেদ জাগো নিউজকে নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, বিমানবন্দরে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা, স্ক্যানিং, পরিচয়পত্র ও গাড়ি টহলের মাধ্যমে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়। তবে তিনি পিছনের সীমানা প্রাচীরের নিচে সুড়ঙ্গপথের কথা অস্বীকার করেন।

তিনি দাবি করেন, বহিরাগত কোনো লোকজন বিমানবন্দরে প্রবেশ করে না।

এফএ/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।