সূর্যের দেখা নেই
পঞ্চগড়ে হিমশীতল বাতাসে জনজীবনে দুর্ভোগ
পঞ্চগড়ে রাতের তাপমাত্রা বাড়লেও কমেছে দিনের তাপমাত্রা। দুদিন ধরে সূর্যের দেখা নেই। ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমশীতল বাতাসে হাড় কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে। তাপমাত্রার পারদ ১৫ থেকে ১৬ এর মধ্যে ওঠানামা করছে।
আবহাওয়া অফিস জানায়, সোমবার সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। রোববার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি। দিনের তাপমাত্রা ২৩ থেকে কমে রেকর্ড করা হয় ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এর আগে গত ১০ ডিসেম্বর চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ডের মাধ্যমে ১ম দফায় শুরু হয় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। এরপর টানা নয়দিন বয়ে চলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। সর্বশেষ ১ ও ২ জানুয়ারি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আবারও নেমে যায় ১০ ডিগ্রির নিচে।
এদিকে দুদিন ধরে মেঘাচ্ছন্ন আকাশে সূর্যের দেখা নেই। দিনভর হালকা কুয়াশার সঙ্গে হিমশীতল বাতাসে জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। রাতেও বৃষ্টির মত টিপটিপ করে কুয়াশা পড়ে। সড়ক মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। শহরের থেকে গ্রামাঞ্চলের মানুষজন আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। কনকনে শীতে চরম দুর্ভোগ দেখা দেয় খেটে খাওয়ার মানুষের মধ্যে।

জেলা শহরের মিঠাপুকুর এলাকার রিকশাচালক জামাল উদ্দিন বলেন, দুদিন কুয়াশা আর শীতের জন্য বাড়ি থেকে বের হওয়া যায় না। সারাদিন সূর্যের দেখা যায়নি। দিনভর হালকা কুয়াশার সঙ্গে বাতাসের কারণে কনকনে ঠান্ডা ছিল।
আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন বলেন, সোমবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। রোববার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি। এদিন তাপমাত্রা কমে ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে আবারও শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস রয়েছে।
সফিকুল আলম/আরএইচ/এমএস