ফরিদপুর

টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০, বাড়িঘর ভাঙচুর

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর
প্রকাশিত: ১২:৩০ এএম, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
ফরিদপুরে রাতের আধারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ

ফরিদপুরের সালথায় পেঁয়াজের জমিতে সেচ দেওয়া নিয়ে রাতের আধারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় বেশ কয়েকটি বসতবাড়িতে হামলা-পাল্টা হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটের ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামে নুরু মাতুব্বর ও জাহিদ মাতুব্বরের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গট্টি ইউনিয়নের প্রভাব ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নুরু মাতুব্বরের সঙ্গে জাহিদ মাতুব্বরের বিরোধ চলে আসছে। জাহিদ ও নুরু গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দুজনই বিএনপিতে যোগ দিয়ে এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কয়েক দফা সহিংসতায় জড়িয়েছেন। সহিংসতার ঘটনায় দুই নেতা জেলও খেটেছেন।

jagonews24

জানা যায়, তাদের চলমান বিরোধের মধ্যে বৃহস্পতিবার বিকেলে বালিয়া গ্রামের মাঠে পেঁয়াজের জমিতে পানি সেচ নিয়ে জাহিদ মাতুব্বরের সমর্থক মো. শহীদ শরীফের সঙ্গে প্রতিপক্ষের নুরু মাতুব্বরের সমর্থক জাহিদ শরীফের হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এরই জেরে সন্ধ্যায় বালিয়া বাজারে উভয়পক্ষের সমর্থকরা জড়ো হন। একপর্যায় রাত সাড়ে ৮টার দিকে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।

সংঘর্ষ চলাকালে অন্তত ৫টি বসতবাড়িতে হামলা ও পাল্টা হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে আর্মি ক্যাম্পের সেনাবাহিনী ও সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকার পরিবেশ এখন শান্ত।

এন কে বি নয়ন/ইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।