অনুমোদন ছাড়া ভেজাল স্যালাইন তৈরি, গোডাউন সিলগালা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পাবনা
প্রকাশিত: ০৫:০৬ পিএম, ০৫ মার্চ ২০২৬
পাবনায় ভেজাল ওরাল স্যালাইন তৈরি করছিল ফাতেমা ফুড অ্যান্ড বেভারেজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান

পাবনায় ভেজাল ওরাল স্যালাইন তৈরির অভিযোগে ফাতেমা ফুড অ্যান্ড বেভারেজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এসময় প্রতিষ্ঠানটির গোডাউন সিলগালা করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) পাবনা শহরের কয়েকটি জায়গায় অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করেন পাবনা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি।

সূত্র জানায়, রমজানে স্যালাইনের অতিরিক্ত চাহিদাকে পুঁজি করে অনুমোদন ছাড়াই ব্যাপকহারে ভেজাল স্যালাইন উৎপাদন ও বিক্রি করছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। এসব রোধে বৃহস্পতিবার শহরের তিনটি বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর আওতায় অনুমোদন ছাড়া মিথ্যা বিজ্ঞাপনে ভেজাল ওরাল স্যালাইন তৈরির অভিযোগে শালগাড়িয়া এলাকার ফাতেমা ফুড অ্যান্ড বেভারেজকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় তাদের গোডাউন সিলগালা করে দেওয়া হয়।

বিএসটিআইয়ের অনুমোদন পেয়েছে জানালেও এ-সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য সরবরাহ করতে না পারায় একই এলাকার আবির এগ্রো ফুড অ্যান্ড বেভারেজকে ১০ হাজার, অন্যান্য অভিযোগে ইলিয়াস স্টোরকে তিন হাজার এবং অনন্ত বাজার এলাকার জিলাপি দোকানি সোহেলকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

খোলাবাজারিদের কাছে পেট্রোল বিক্রির দায়ে শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকার পাবনা পেট্রোলিয়াম এজেন্সিকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া পাবনা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি বলেন, অনুমোদনের বালাই নেই, অথচ মিথ্যা বিজ্ঞাপনে ভেজাল ওরাল স্যালাইন উৎপাদন করছে। রমজানে মানুষ এগুলো কিনে প্রতারিত হচ্ছেন এবং স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন। অন্যান্য খাবার উৎপাদন ও বিক্রির ক্ষেত্রেও কোনো নিয়মের বালাই নেই। এসব অনিয়মের অভিযোগে তিনটি বাজারে অভিযান চালিয়ে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়েছে।

আলমগীর হোসাইন নাবিল/এসআর/এএসএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।