গাজীপুরে সুজনের সহ-সভাপতিকে শ্বাসরোধে হত্যা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি গাজীপুর
প্রকাশিত: ০৭:৪২ পিএম, ০৫ মার্চ ২০২৬

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) গাজীপুর জেলা শাখার সহ-সভাপতি মো. কামরুজ্জামান মোল্লাকে (৬৫) শ্বাসরোধে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (৪ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে গাজীপুর মহানগরের পূর্ব ধীরাশ্রম এলাকা থেকে তার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

কামরুজ্জামান মোল্লা গাজীপুর মহানগরের ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের গাজীপুরা এলাকার বাসিন্দা ও ইদ্রিস আলীর ছেলে। তিনি সুজনের জেলা শাখার সহ-সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। পাশাপাশি ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ৭টার দিকে তিনি নিজ বাসা থেকে গাজীপুর আদালতে একটি মামলাসংক্রান্ত কাজে যান। নির্ধারিত বিচারক উপস্থিত না থাকায় আদালতের কার্যক্রম হয়নি। পরে তিনি আইনজীবীর চেম্বার থেকে বের হয়ে আর বাসায় ফেরেননি। রাত গভীর হলেও তিনি না ফেরায় স্বজনরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রাত আনুমানিক ২টার দিকে পুলিশ পরিবারের সদস্যদের তার মরদেহ উদ্ধারের খবর দেন।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, বুধবার রাত ১১টার আগে কোনো এক সময়ে দুর্বৃত্তরা তাকে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে ধীরাশ্রম এলাকার একটি সড়কের পাশে মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায়। রাস্তার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা মরদেহ দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

সুজন গাজীপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার শিশির বলেন, তিনি আমাদের সংগঠনের একজন দায়িত্বশীল নেতা ছিলেন। কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

নিহতের ছোট ভাই কবিরুল ইসলাম বলেন, আমাদের জানামতে কারো সঙ্গে তার বিবাদ ছিল না। তবে ব্যবসার কোনো টাকা পয়সার লেনদেন নিয়ে শত্রুতা থাকতে পারে। ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ বিকালে মরদেহ আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে।

গাজীপুর সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের ছেলে কৌশিক জামান বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

মো. আমিনুল ইসলাম/আরএইচ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।