যমুনা সেতুতে যানজট এড়াতে ঢাকামুখী লেন বন্ধ রেখে গাড়ি পারাপার
ঈদুল ফিতরের ঘরমুখো মানুষের চাপে যমুনা সেতুতে সৃষ্টি হয়েছে নজিরবিহীন যানজট। সেতুর ওপর একের পর এক ১৫টি যানবাহন বিকল হয়ে পড়ায় সেতুর পূর্ব প্রান্তে অন্তত ২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বেলা ১১টা ৪০ মিনিট থেকে দুপুর সোয়া ১টা পর্যন্ত সেতুকে ‘একমুখী’ (ওয়ানওয়ে) করে দুই লেন দিয়ে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন পার করা হয়।
দুপুর দেড়টার দিকে এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত সেতুর পশ্চিম টোল প্লাজার ঢাকামুখী লেনে প্রায় দেড় কিলোমিটার যানবাহনের সারি ছিল। তবে সেতুর পূর্ব প্রান্তে উত্তরবঙ্গগামী লেনে যানজট থাকলেও পশ্চিম পাড়ে নেই।
যমুনা সেতুর সাইড অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, রাত ১২টা থেকে সকাল ১০ পর্যন্তু সেতুর ওপর ১৫টি গাড়ি বিকল হয়ে পড়েছিল। এ কারণে সেতুর পূর্ব প্রান্তে উত্তরবঙ্গগামী লেনে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে এ যানজট এড়াতে একমুখী করে দুই লেন দিয়ে যানবাহন উত্তরবঙ্গের দিকে পার করানো হয়। এখন গাড়ি দ্রুত সেতু পার হয়ে যাচ্ছে। ফলে দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুতে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে।
রাতে টাঙ্গাইলে যানজটে আটকা পড়ে ঘরমুখী মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সেতুর পশ্চিম সয়দাবাদে কথা হয় রংপুরগামী বাসের যাত্রী ফরহাদ হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, তিনি রাত ১২টায় ঢাকা থেকে রওনা হয়েছেন। পথে বিভিন্ন স্থানে যানজটে পড়তে হয়েছে। সেতুর পূর্ব প্রান্ত আসতেই ভোর হয়ে গেছে। অথচ স্বাভাবিক সময়ে তিন ঘণ্টা লাগে।
সেতু বিভাগ সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতু দিয়ে উভয়পাশে মোট ৫১ হাজার ৫৮৪টি গাড়ি পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৪৩ লাখ ১১ হাজার ৯০০ টাকা। যার মধ্যে পূর্ব প্রান্ত দিয়ে পার হয়েছে ৩২ হাজার ৮৪০টি ও পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে পার হয়েছে ১৮ হাজার ৭৪৪টি গাড়ি।
এম এ মালেক/কেএইচকে/এমএস