রাত থেকে আবার বৃষ্টি, বেড়েছে কিশোরগঞ্জের নদ-নদীর পানি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ
প্রকাশিত: ১১:৪৬ এএম, ০৪ মে ২০২৬

টানা বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলের প্রভাবে কিশোরগঞ্জের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার অধিকাংশ পয়েন্টে পানি বাড়লেও ভৈরব বাজার পয়েন্টে কিছুটা কমেছে। এদিকে রোববার বৃষ্টিহীন দিন কাটলেও সোমবার (৪ মে) মধ্যরাত থেকে জেলায় আবারও বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্যমতে, সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ইটনা পয়েন্টে ধনু-বৌলাই নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার বেড়ে ৩.২৬ মিটারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া চামড়াঘাটে মেঘনা নদীর পানি ১৭ সেন্টিমিটার এবং অষ্টগ্রামে কালনী নদীর পানি ১৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ভৈরব বাজার পয়েন্টে মেঘনা নদীর পানি ৫ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে ১.৭২ মিটারে নেমেছে। বর্তমানে সব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে থাকলেও বৃষ্টি ও ঢল অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

নিকলী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার রাত থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত জেলায় ৩২.২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে এবং সারাদিন থেমে থেমে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। টানা বৃষ্টিতে খলায় রাখা ধান শুকাতে না পেরে অনেক কৃষকের ধানে চারা গজিয়েছে এবং কিছু জায়গায় পচন শুরু হয়েছে।

রাত থেকে আবার বৃষ্টি, বেড়েছে কিশোরগঞ্জের নদ-নদীর পানি

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত শনিবার পর্যন্ত জেলায় ১০ হাজার ৫০ হেক্টর জমি পানির নিচে চলে গেছে, যার মধ্যে ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।

কিশোরগঞ্জ পাউবো’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং কৃষকদের দ্রুত ধান কেটে ঘরে তোলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছেন।

এসকে রাসেল/কেএইচকে/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।