দেশে টেকসই শিল্পখাত গড়ে তোলার বিকল্প নেই


প্রকাশিত: ১০:১২ এএম, ০৯ আগস্ট ২০১৬

শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, ২০২১ সালের মধ্যে শিল্পসমৃদ্ধ মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ আমাদের সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গিকার। এ অঙ্গিকার বাস্তবায়নে দেশে টেকসই শিল্পখাত গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।

মঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুরের টঙ্গীতে সরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠান এটলাস বাংলাদেশ লিমিটেড এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক্সপান্ডেট প্রোগ্রাম অন ইমুনাইজেশন (ইপিআই) প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তদের মাঝে মোটরসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মটরযান ও মটর পার্টস উৎপাদনেও আমাদেরকে আমদানি নির্ভরতার পরিবর্তে স্বয়ংসপূর্ণতা অর্জন করতে হবে। দেশে যত শিল্পায়ন হবে, জনগণের ক্রয় ক্ষমতা তত বাড়বে।

মন্ত্রী আরো বলেন, আজ দেশের বিসিক শিল্পনগরীগুলোতে অনেক বড় বড় শিল্প উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে। অনেকে নিজেদের উৎপাদিত পণ্য বিদেশে রফতানি করছেন। আমাদের জাতীয় রফতানি আয়ের শতকরা প্রায় ১০ ভাগ আসে বিসিক শিল্পনগরীর কারখানাগুলো থেকে।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচলক অধ্যাপক ডা. দীন মো. নুরুল হকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নত দেশ। দেশের প্রায় সব রাস্তাঘাটই পাকা। কোনো কাচাঁ রাস্তা নেই। স্বাস্থ্য অধিদফতরের ইপিআই প্রকল্পের যে সকল কর্মকর্তা মোটরসাইকেল পেয়েছেন তারা এর সঠিক ব্যবহার করবেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালিক, সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক, বিএসইসির চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ হোসেন চৌধুরী, পিএইচসি ও লাইন ডাইরেক্টর ডা. হাবিব আব্দুল্লাহ সোহেল ও গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খান প্রমুখ।

এসময় গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এসএম আলম, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরণ, গাজীপুরের সিভিল সার্জন ডা. আলী হায়দার খান ও অধ্যক্ষ ডা. সুবাস চন্দ্র সাহা উপস্থিত ছিলেন।
 
আমিনুল ইসলাম/এফএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।