ফরিদপুরে ক্রেতাদের পছন্দ লাল ও কালো গরু
ঘনিয়ে আসছে ঈদুল আযহা। ফরিদপুরের সবচেয়ে বড় টেপাখোলা গরুর হাট জমতে শুরু করেছে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে এসেছে শত শত ট্রাক গরু। কোবরানির জন্য সাধ্যের মধ্যে মনের মতো গরু কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারাও।
মঙ্গলবার সকাল থেকেই চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, যশোরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পাঁচশ ট্রাক গরু নেমেছে টেপাখোলা হাটে। গরু খামারিসহ বিভিন্ন গ্রাম থেকে এসেছে হাজার হাজার গরু। 
লাল ও কালো রংয়ের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এছাড়া সাদাসহ মিশ্র রংয়ের গরু দেখা গেছে। হাটের প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে দেশি জাতের গরু। পাশাপাশি ইন্ডিয়ান গরু নিয়ে এসেছে বেপারিরা।
গরু কিনতে আসা জহির পাট্টাদার জানান, হাটে প্রচণ্ড ভিড়। বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘুরে দেখলাম ক্রেতার চেয়ে এখনও বেপারির সংখ্যা বেশি। 
ঈশান গোপালপুর থেকে আসা গরু বিক্রেতা হারুন মুন্সি বলেন, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে আমি প্রতি বছরই দুটি গরু পালন করি। এ বছর গরুর দাম গতবারের চেয়ে একটু বেশি। ইন্ডিয়ান গরু হাটে কম আসছে বলে আমরা ভালো দাম পাব।
হাটের পরিবেশ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে পুলিশ এবং স্বেচ্ছাসেবীসহ আইনশৃঙ্খলার বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। হাটে গরুর চিকিৎসার জন্য জেলার পশু সম্পদ অধিদফতর থেকে ডাক্তারসহ বেশ কয়েকজন কর্মী হাটে কাজ করছে। 
এদিকে, মলমপাটি, পকেটমারসহ অপরাধীদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ করেন এক বিক্রেতা।
৩০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে লাখ টাকার গরু উঠেছে এই হাটে। আগামী শনিবার থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত প্রতিদিন গরুর হাট বসবে বলে জানান টেপাখোলা হাট কর্তৃপক্ষ।
এসএস/এমএস