শার্শায় কাঁচামরিচের কেজি ৩০০ টাকা
যশোরের বেনাপোল ও শার্শা উপজেলার বিভিন্ন কাঁচা বাজারে কাঁচামরিচের মূল্যে নাকাল ক্রেতারা। টানা তিনদিন ধরে প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকায়।
বিক্রেতারা বলছেন সরবরাহ কম হওয়ায় মরিচের দাম বেড়েছে। এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে চাল, ডিম ও পাম অয়েলের দাম ২টাকা কমে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
শনিবার বাজার ঘুরে দেখা যায়, টানা তিনদিন ধরে কাঁচামরিচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা। ঈদের পর দিন থেকে একই দামে বিক্রি হচ্ছে। দাম কম হওয়ার কোন লক্ষণ নেই। বিক্রেতারা বলছেন বৃষ্টিতে মরিচ ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বাজারে চাহিদার তুলনায় ঘাটতি বেশি। এ কারণে কাঁচামরিচের দাম বেড়েছে। অবশ্য বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে চালের কেজিতে কমেছে ২টাকা।
রত্না চাল ২টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৩২-৩৪ টাকা, মিনিকেট ২টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪২ টাকা, আটাশ ধানের চাল ২টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৩৬-৩৭ টাকা, বাসমতি ২টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৪৬ টাকা আর কাজল লতা ২টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৩৮-৪০ টাকা।
এদিকে ভালো মানের এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৯০০-১০০০ টাকা, ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০-৪৫০টাকা, ৩০০-৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা। নরম ইলিশের কেজি বিক্রি হতে দেখা গেছে ৫০০-৬০০ টাকায়। গরুর মাংস ও খাসির মাংসের দাম আগের মতোই রয়েছে।
গরুর মাংসের কেজি বিক্রি হয়েছে ৪০০ টাকা আর খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হয়েছে ৬০০ টাকা। তবে ফার্মের মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের চেয়ে কেজিতে পাঁচ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, লেয়ারে ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা। অবশ্য কক মুরগি ২০০ টাকা, সোনালি ২০০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৩০০ টাকা কেজিতে অপরিবর্তি রয়েছে। অপরিবর্তিত রয়েছে আলু পেঁয়াজ, আদা রসুন, সয়াবিন তেল, সব ধরনের ডাল ও শাক-সবজির দাম।
তবে মুরগির ডিমের দাম হালিতে ২টাকা কম দেখা গেছে। ফার্মের মুরগির লাল ডিমের হালি বিক্রি হয়েছে ৩২ টাকা, সাদা ডিম ৩০ টাকা, দেশি মুরগির ডিম ৪০ টাকা আর এক ডজনের প্যাকেট বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকায়।
মো. জামাল হোসেন/এএম/আরআইপি