পুলিশের কাছ থেকে শিবির ক্যাডারকে ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ
যশোরের মণিরামপুরে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে জিয়াউর রহমান নামের এক শিবিরের ক্যাডারকে ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ডুমুরখালি বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
জিয়াউর রহমান ডুমুরখালি গ্রামের ফজর আলীর ছেলে। এ ঘটনায় দারোগাসহ দুইজন আহত হয়েছেন। তবে, থানা পুলিশ এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
স্থানীয়রা জানান, মণিরামপুর থানার এএসআই অমিত কুমার ও কনস্টেবল রবিউল ইসলাম অভিযান চালিয়ে নাশকতা মামলার আসামি হরিহরনগর ইউনিয়নের শিবিরের সভাপতি জিয়াউর রহমানকে তার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে আটক করে। এরপর তাকে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে আসার জন্য মোটরসাইকেলে তোলে।
ডুমুরখালি বাজার কমিটির সভাপতি আনিসুর রহমান জানান, জিয়াউরকে আটক করে থানায় আনার সময় জিয়াউরের ভাই কামাল হোসেন, একই গ্রামের মকছেদ ডিলারের ছেলে মশিয়ার রহমান ও আকবর মহলদারের ছেলে রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে আরো কয়েকজন দারোগা অমিতকে কিল-ঘুসি মেরে তাকে (জিয়াউর রহমান) ছিনিয়ে নেয়।
তবে দারোগা অমিত কুমার বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে জিয়াউর রহমানকে আটক করে থানায় ফেরার সময় জামায়াত-শিবির তাদের উপর চড়াও হয়। এসময় জিয়াউর রহমান তার ঘাড়ের উপর দিয়ে লাফিয়ে পালিয়ে যায়।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বাবলুর রহমান বলেন, হাতকড়ার চাবি কনস্টেবল রবিউলের কাছ ছিল। তাকেও মেরে চাবি ছিনিয়ে নিয়ে জিয়াউর রহমান হাতকড়া খুলে ফেলে।
এ বিষয় জানতে চাইলে মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ জানান, দারোগা অমিতকে ধাক্কা দিয়ে জিয়াউর পালিয়ে যায়।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান উপাধ্যক্ষ গাজী আব্দুস সাত্তার জানান, আমি শুনেছি দারোগা অমিত কুমার কম্পিউটারের দোকান থেকে জিয়াউরকে আটক করে মোটরসাইকেলে উঠানোর সময়ে তার পক্ষের লোকজন পুলিশের নিকট থেকে তাকে ছিনিয়ে নিয়েছে।
মিলন রহমান/বিএ