পরিচয় গোপন করায় মাদরাসার অধ্যক্ষকে পুলিশে সোপর্দ


প্রকাশিত: ০২:৫৭ পিএম, ০৮ অক্টোবর ২০১৬

পাঁচজন শিক্ষক নিয়োগ দিতে বোর্ড বসানোর সময় মিথ্যা পরিচয় দেওয়ার অভিযোগে যশোর সদর উপজেলার মাহিদিয়া মহিলা আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ ফারুক হোসেনকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। শনিবার এমএম কলেজ থেকে তিনি আটক হয়েছেন। তিনি সদরের মাহিদিয়া দক্ষিণপাড়ার নওশের বিশ্বাসের ছেলে।
 
যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশের এসআই মিরাজ মোসাদ্দেক জানিয়েছেন, শনিবার নিয়োগ সংক্রান্ত একটি ঘটনায় ফারুক হোসেন এমএম কলেজে যান। সেখানে স্কুল ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের খুলনা বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সামনে নিজের পরিচয় লুকিয়ে কেশবপুর উপজেলার ত্রিমোহিনী ফাজিল মাদরাসার সহকারি শিক্ষক হিসেবে পরিচয় দেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিক ফাঁস হয়ে গেলে এমএম কলেজের অধ্যক্ষ তাকে প্রতারণার অভিযোগে পুলিশে সোপর্দ করেন।

আটক ফারুক হোসেন জানিয়েছেন, ত্রিমোহিনী কলেজের ৫টি শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ হবে। এগুলো হচ্ছে ইংরেজি, সমাজবিজ্ঞান, এবতেদায়ী প্রধান এবং কৃষিশিক্ষা। এসব পদে নিয়োগের জন্য গত সপ্তাহে তিনি ত্রিমোহিনী মাদরাসার অধ্যক্ষের সঙ্গে আসেন নিয়োগ বোর্ড গঠনের জন্য। ডিজির প্রতিনিধি হিসেবে কাকে নিয়োগ বোর্ডে নেয়া যায় সেজন্য খুলনা বিভাগীয় অফিসার সিরাজুল ইসলামের সামনে নিজেকে ত্রিমোহিনী মাদরাসার শিক্ষক বলে পরিচয় দেন। কারণ, এ দিন ওই মাদরাসার শিক্ষক আসেননি। তার পক্ষ হয়ে তিনি কাজটি হাসিলের চেষ্টা করেন। তবে ত্রিমোহিনী মাদরাসার অধ্যক্ষের নাম তিনি বলতে পারেননি। নিজের পরিচয় গোপন রাখেন কেন-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এমএম কলেজের হেড ক্লার্কের পরামর্শে তিনি এই কাজ করেছেন। যাতে আজ কাজ হয়ে যায়।

তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে। অনেক গভীরের সংবাদ আছে। যা প্রকাশ করা তার জন্য সমস্যা।

মিলন রহমান/এমএএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।